Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 29 December 2025

বাংলা বলার অপরাধে হেনস্তা, তৃণমূলের উদ্যোগে ঘরে ফিরলেন ২ শ্রমিক

বাংলা বলার অপরাধে হেনস্তা, তৃণমূলের উদ্যোগে ঘরে ফিরলেন ২ শ্রমিক

বাংলা বলার ‘অপরাধে’ জেল! মহারাষ্ট্রে হেনস্তার শিকার বালুরঘাটের ২ শ্রমিক, তৃণমূলের উদ্যোগে ঘরে ফেরা

ডিজিটাল ডেস্ক | রবিবার

বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে মহারাষ্ট্রে কাজ করতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন বালুরঘাটের দুই পরিযায়ী শ্রমিক। অভিযোগ, তাঁদের অবৈধ অভিবাসী তকমা দিয়ে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়। স্থানীয় সাংসদকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগেই ঘরে ফিরলেন সেই দুই শ্রমিক।

কারা ওই দুই শ্রমিক

জানা গিয়েছে, বালুরঘাটের বাসিন্দা ওই দুই শ্রমিক হলেন অসিত সরকারগৌতম বর্মন। তাঁরা মহারাষ্ট্রের মুম্বইতে শ্রমিকের কাজ করতেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে বাংলা বলার অভিযোগ তুলে তাঁদের বিরুদ্ধে অবৈধ অভিবাসী আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ। এরপরই গ্রেপ্তার হয়ে জেলে যেতে হয় দু’জনকে।

সাংসদের দ্বারস্থ হয়েও মেলেনি সমাধান

পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠলে গৌতম বর্মনের স্ত্রী স্থানীয় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের দ্বারস্থ হন বলে অভিযোগ। কিন্তু তাতেও কোনও সমাধান মেলেনি। দীর্ঘদিন জেলবন্দি থাকতে হয় ওই দুই শ্রমিককে।

তৃণমূলের উদ্যোগে মুক্তি

বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই পাশে দাঁড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সামিরুল ইসলাম-সহ তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্যোগে অবশেষে মুক্তি পান অসিত সরকার ও গৌতম বর্মন। নিরাপদে নিজেদের বাড়িতেও ফিরেছেন তাঁরা।

রবিবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন দুই শ্রমিক। ঘটনার বিস্তারিত শুনে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

পরিযায়ী শ্রমিক হেনস্তা নিয়ে উদ্বেগ

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই বিভিন্ন রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ সামনে আসছে। কখনও মারধর, কখনও হামলা, লুটপাট, উপার্জন কেড়ে নেওয়া বা পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার মতো অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথে নেমে আন্দোলনে শামিল হয়েছেন এবং ‘ভাষা আন্দোলন’-এর সূচনা করেছেন। অন্যদিকে, অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সংবিধান মেনেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে অগ্নিকাণ্ড

চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত্যু ১

ডিজিটাল ডেস্ক | রবিবার মধ্যরাত

আবারও চলন্ত ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। রবিবার গভীর রাতে অন্ধ্রপ্রদেশে চলন্ত টাটানগর–এর্নাকুলম এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন লাগে। এই দুর্ঘটনায় এক যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। যদিও রেল কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় বড়সড় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের অনকাপল্লী জেলায়। রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ ট্রেনটি ইলামানচিলি রেল স্টেশনে ঢোকার সময় লোকো পাইলট আগুনের শিখা দেখতে পান। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ট্রেন থামিয়ে দেন।

প্রথমে বি১ এসি কোচে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এম১ এসি কোচ এবং সংলগ্ন বি২ এসি কোচে। তিনটি কোচই আগুনে সম্পূর্ণভাবে ঝলসে যায়।

আগুনের ঘটনা বুঝতে পেরেই যাত্রীরা চেন টানতে শুরু করেন। ট্রেনের ভিতরে শুরু হয় আতঙ্ক, চিৎকার ও হুড়োহুড়ি। তবে রেলকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় ধীরে ধীরে সকল যাত্রীকে নিরাপদে ট্রেন থেকে নামানো হয়।

রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি কোচে ছিলেন ৮২ জন এবং অন্য কোচে ছিলেন ৭৬ জন যাত্রী। এক এক করে সকলকেই নিরাপদে নামানো সম্ভব হয়।

তবে ভয়াবহ আগুনের মধ্যে প্রাণ হাতে করে নামার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা বি১ কোচ থেকে নামার সময় এক যাত্রীর গায়ে আগুন ধরে যায়। তাঁকে উদ্ধার করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি। আগুনে ঝলসে মৃত্যু হয় তাঁর।

মৃত যাত্রীর নাম চন্দ্রশেখর সুন্দরম। তিনি সেই বি১ কোচেই ছিলেন, যেখানে প্রথম আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।

টাটানগর থেকে এরনাকুলামের উদ্দেশে যাত্রা করছিল ট্রেনটি। মাঝপথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হলেও বাকি সকল যাত্রী নিরাপদ রয়েছেন।

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে রেলের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Sunday, 28 December 2025

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল শক্তিপুর

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল শক্তিপুর

নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল শক্তিপুর, আটক বিধায়ক-পুত্র সহেল

অভিযোগ অস্বীকার করে পালটা বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ওই নিরাপত্তারক্ষী। অভিযোগের ভিত্তিতেই হুমায়ুন কবীরের শক্তিপুরের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ এবং আটক করা হয় বিধায়ক-পুত্র গোলাম নবি আজাদ ওরফে সহেলকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুমায়ুন কবীরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল জুম্মা খান সম্প্রতি কয়েকদিনের ছুটির আবেদন করেন। অভিযোগ, সেই আবেদন ঘিরেই বচসা শুরু হয় এবং হুমায়ুন কবীরের ছেলে গোলাম নবি আজাদ তাঁকে মারধর করেন। এই ঘটনার পর রবিবার সকালেই শক্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জুম্মা খান।

অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবেই হুমায়ুন কবীরের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং বিধায়ক-পুত্র সহেলকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। উলটে তিনি নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধেই দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন।

হুমায়ুন কবীর বলেন, “নিরাপত্তারক্ষী বিনা অনুমতিতে আমার অফিস ঘরে ঢুকে আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এমনকি আমাকে মারধরের চেষ্টাও করেন। সেই সময় আমার ছেলে শুধু ওকে ঘর থেকে বার করে দিয়েছে। মারধরের কোনও ঘটনা ঘটেনি।”

তিনি আরও দাবি করেন, ওই নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে আগেও অসহযোগিতার অভিযোগ তিনি পুলিশের কাছে জানিয়েছিলেন। “আমি আগেই বহরমপুরের আইসি-কে বলেছিলাম নিরাপত্তারক্ষী বদলানোর কথা। কিন্তু তাতে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি,” বলেন হুমায়ুন কবীর।

হুমায়ুন কবীরের দাবি অনুযায়ী, গোটা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। তিনি বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ আছে। তদন্ত হলে সব দেখিয়ে দেব। পুলিশ তদন্ত করুক, আমার কোনও আপত্তি নেই।”

এছাড়াও বিনা নোটিসে পুলিশ তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি জানিয়েছেন, “বিনা নোটিসে কেন পুলিশ আমার বাড়িতে গেল, তার জবাব চাইব। আমি বৃহস্পতিবার ফিরে সব প্রশ্নের উত্তর দেব।”

এই ঘটনার প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের এসপি অফিস ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। ফলে এই ইস্যুতে আগামী দিনে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

বর্তমানে পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ ও পালটা অভিযোগের ভিত্তিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।

এসআইআর শুনানিতে নথির জট, কান্নায় ভেঙে পড়লেন রানাঘাটের যুবতী

এসআইআর শুনানিতে নথির জট, কান্নায় ভেঙে পড়লেন রানাঘাটের যুবতী

এসআইআর শুনানিতে নথির জট, কান্নায় ভেঙে পড়লেন রানাঘাটের যুবতী

ডিজিটাল ডেস্ক | শনিবার

শনিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত শুনানি। সেই শুনানিতেই ডাক পান নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা ২৮ বছরের মানু মিত্র। নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির হয়ে শুনানিতে অংশ নিলেও, একটি নথি ঘিরে চরম সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে।

শুনানির সময় মানুর কাছে তাঁর জন্মদাতা বাবার ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিতে বলা হয়। এই কথা শুনেই ভেঙে পড়েন তিনি। মানুর দাবি, জন্মদাতা বাবার সঙ্গে তাঁর মায়ের বিচ্ছেদ বহু বছর আগেই হয়ে গিয়েছিল এবং সেই বাবার কোনও নথিপত্র তাঁর কাছে নেই। এমনকি সেই মৃত্যুর শংসাপত্র কোথা থেকে সংগ্রহ করবেন, সেটিও তাঁর অজানা।

জানা গিয়েছে, মানু মিত্রের জন্ম ১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাসে। সেই সময় তাঁর জন্ম সার্টিফিকেট ও স্কুলে ভর্তির নথিতে বাবা হিসেবে প্রবীর দাসের নাম ছিল। পরে তাঁর মা ও জন্মদাতা বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

পরবর্তীতে মানুর মা দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন রানাঘাট দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা তিমির ঘোষকে। সেই সময় থেকেই তিমির ঘোষের পরিচয় অনুযায়ী মানুর ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড তৈরি হয়।

সমস্যার মূল কারণ ২০০২ সালের ভোটার তালিকা। ওই তালিকায় মানুর মায়ের নাম না থাকায়, এসআইআর শুনানিতে মানুর জন্ম সংক্রান্ত নথি নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।

বর্তমানে মানু বিবাহিত। তাঁর দ্বিতীয় বাবার নাম অনুযায়ী সমস্ত পরিচয়পত্র ও ঠিকানা সংশোধন করা হলেও, জন্ম সার্টিফিকেটে এখনও আগের বাবার নাম রয়ে গিয়েছে। এই কারণেই তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা।

শনিবার রানাঘাটের এসডিও অফিসে শুনানি শেষে বাইরে বেরিয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন মানু। তাঁর আশঙ্কা, জন্মদাতা বাবার ডেথ সার্টিফিকেট জমা দিতে না পারলে তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে।

এসআইআর সংক্রান্ত এই যাচাই প্রক্রিয়ায় এমন জটিলতা বহু সাধারণ মানুষকেই মানসিক চাপে ফেলছে বলে মত স্থানীয়দের।

Saturday, 27 December 2025

বছর শেষের মুখে ‘পাওয়ার প্লে’ খেলছে শীত, কলকাতায় পারদ ১২.৯—আরও কয়েক দিন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা

বছর শেষের মুখে ‘পাওয়ার প্লে’ খেলছে শীত, কলকাতায় পারদ ১২.৯—আরও কয়েক দিন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা<\P> কলকাতা:

বছর শেষের আগে ঝড়ো ইনিংস খেলছে শীত। একেবারে পাওয়ার প্লে ব্যাটিং—এমনটাই বলছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তার জেরেই কলকাতা সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই হু হু করে নামছে তাপমাত্রা।

শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা এই মরসুমে শহরের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন। আর এই হাড় কাঁপানো শীত আরও কিছুদিন থাকবে বলেই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।

❄️ কেন এত ঠান্ডা? এই মুহূর্তে রাজ্যজুড়ে রয়েছে শুষ্ক আবহাওয়া। ফলে উত্তুরে হাওয়া বাধাহীনভাবে ঢুকছে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায়। উত্তর থেকে দক্ষিণ—সব জায়গাতেই এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে তাপমাত্রায়। সাধারণত শীতের এই দাপটের মাঝে কোনও না কোনও নিম্নচাপ বা ঝঞ্ঝা এসে তাল কাটে। কিন্তু এখন তেমন কোনও সিস্টেম সক্রিয় নেই। সেই কারণেই উত্তুরে হাওয়ার এমন দাপট চলছে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন থাকবে। ফলে শুধু রাত নয়, আগামী দিনে দিনের তাপমাত্রাও আরও কমতে পারে। 🌡️ আজ কেমন থাকবে আবহাওয়া? ২৭ ডিসেম্বর, শনিবারও 🔹 উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গ—দু’জায়গাতেই তাপমাত্রা কমার ধারা বজায় থাকবে 🔹 শীতের আমেজ থাকবে বেশ ভালোই তবে রবিবার থেকে আবহাওয়ার চরিত্রে সামান্য বদল আসতে পারে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। যদিও শীত একেবারে কমবে না, তবে যেভাবে তাপমাত্রা নামছিল, সেই ধারায় কিছুটা ছেদ পড়তে পারে। তবে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনাও নেই। 🥶 মরসুমের শীতলতম দিন শুক্রবার শুক্রবারই এই শীতের সবচেয়ে ঠান্ডা দিন উপভোগ করেছে কলকাতা। এ দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস—যা এই বছরের রেকর্ড। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বরও কলকাতার তাপমাত্রা নেমেছিল ঠিক ১২.৯ ডিগ্রিতে। এবার সেই পুরনো রেকর্ডে আবার হাত দিল শহর। 🏔️ রাজ্যে সবচেয়ে ঠান্ডা কোথায়? শুক্রবার রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে দার্জিলিংয়ে। সেখানে পারদ নেমেছিল ৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এই হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় অবশ্য বেশ খুশিই পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকরা।

হাদির হত্যার বিচার চেয়ে উত্তাল ঢাকা

হাদির হত্যার বিচার চেয়ে উত্তাল ঢাকা

হাদির হত্যার বিচার চেয়ে উত্তাল ঢাকা

ডিজিটাল নিউজ ডেস্ক | ঢাকা

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের বিচার ও হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে রাজধানী ঢাকায় তীব্র আন্দোলন শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতভর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য ও সমর্থকেরা। শনিবারও সারাদিন এই অবস্থান কর্মসূচি চলবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি, দাবি পূরণ না হলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সরকারি বাসভবন ‘যমুনা’ ঘেরাও করা হবে। পাশাপাশি সরকারের উপদেষ্টাদের শাহবাগে এসে আন্দোলনকারীদের সামনে উপস্থিত হওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় সরকারি উদ্যোগে তাঁকে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই বাংলাদেশে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বিক্ষোভের সময় সংগঠিত গণরোষের জেরে একাধিক সরকারি ও সাংস্কৃতিক ভবন, সংবাদপত্রের দফতরেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।

মূল অভিযুক্ত এখনও অধরা

হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বাংলাদেশ পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলেও মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম ও তাঁর সহযোগী আলমগীর শেখ এখনও অধরা। ইনকিলাব মঞ্চের অভিযোগ, তারা ভারতে পালিয়ে গিয়েছে।

“রাজপথ ছাড়ব না”

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, “যতক্ষণ না হাদির হত্যাকারী, হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সকলকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা রাজপথ ছাড়ব না। সারা বাংলাদেশ থেকে মানুষ আসছে। অবস্থান চলবে।”
হাদির ভাই ওমর বলেন, “বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরব না। প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হব। আমাদের বাধ্য করবেন না ক্যান্টনমেন্ট বা যমুনা ঘেরাও করতে।”

রাজনৈতিক উপস্থিতি বাড়ছে

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো জানিয়েছে, গভীর রাত পর্যন্ত শাহবাগে অবস্থান চলেছে। নারী ও শিশুরাও হত্যার বিচারের দাবিতে স্লোগানে অংশ নেন। শনিবার হাদির সমাধিস্থলে যাওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এই কর্মসূচিতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

© ডিজিটাল নিউজ ডেস্ক | তথ্যসূত্র: স্থানীয় সংবাদমাধ্যম

বঙ্গে শুরু SIR প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় ধাপ, আজ থেকে ভোটারদের ‘হিয়ারিং’—কোন নথি লাগবে জানুন

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়ে গেল আজ, শনিবার থেকে। এই ধাপে নির্বাচন কমিশন যাদের ‘ম্যাপিং’-এ পাওয়া যায়নি, তাদের একে একে ডেকে পাঠানো শুরু করেছে। কমিশনের ভাষায় এই প্রক্রিয়াকে বলা হচ্ছে ‘হিয়ারিং’। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন— 👉 হিয়ারিংয়ের পর ভোটার তালিকায় নাম রাখতে হলে কী কী নথি লাগবে? 👉 কারা প্রথম দফায় ডাক পাচ্ছেন? এই সব প্রশ্নের উত্তরই রইল এই প্রতিবেদনে। 📌 কারা ডাক পাচ্ছেন প্রথম দফায়? নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২০০২ সালে শেষবার হওয়া SIR প্রক্রিয়ায় যাদের নিজের বা পরিবারের কোনও সদস্যের নাম পাওয়া যায়নি, তাদেরই প্রথম দফায় সন্দেহজনক তালিকায় রাখা হয়েছে। এই ভোটারদের কাছে ভারতের নাগরিকত্বের প্রমাণ চাওয়া হবে। প্রয়োজনে তাঁদের কিছু প্রশ্নও করা হতে পারে। এই যাচাইয়ের পরেই ঠিক হবে ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম থাকবে কি না। 📊 কত জনকে ডাকা হচ্ছে? কমিশন সূত্রে খবর, 🔹 প্রথম দফায় মোট ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৪ জন ভোটারকে হিয়ারিংয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। 🔹 তাঁদের ইতিমধ্যেই নোটিস পাঠানো হয়েছে। 🔹 রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই এই শুনানি হবে। প্রতিটি শুনানিতে উপস্থিত থাকবেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। 🚫 শুনানিতে কারা থাকতে পারবেন না? 🔸 শুনানির সময় বাইরের কোনও ব্যক্তি থাকতে পারবেন না। 🔸 শুধু সংশ্লিষ্ট ভোটার এবং কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরাই উপস্থিত থাকবেন। 🔸 ভোটারের নথি খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রশ্নও করা হতে পারে। একটি টেবিলে দিনে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ জন ভোটারের শুনানি হতে পারে। শুনানির সময় প্রত্যেক ভোটারের ছবি তোলা হবে বলেও জানা গিয়েছে। 📄 কোন কোন নথি লাগবে? নির্বাচন কমিশন শুরুতেই মোট ১৩টি নথির তালিকা প্রকাশ করেছিল। এই নথিগুলির মধ্যে আধার কার্ড বাদ দিয়ে যে কোনও একটি নথি দেখাতে পারলেই হবে। তবে প্রয়োজনে কমিশন একাধিক নথি চাইতে পারে। ✅ গ্রহণযোগ্য নথিগুলি হল— ১৯৮৭ সালের আগের ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস বা LIC-এর নথি সরকারি চাকরির আইডি কার্ড জন্ম শংসাপত্র (Birth Certificate) পাসপোর্ট মাধ্যমিক বা তার ঊর্ধ্বে শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট SC / ST / OBC সার্টিফিকেট স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া বাসস্থানের সার্টিফিকেট NRC সার্টিফিকেট পারিবারিক রেজিস্টার জমি বা বাড়ির দলিল আধার কার্ড 🗳️ ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নির্বাচন কমিশনের বার্তা স্পষ্ট— 👉 এখন থেকেই প্রয়োজনীয় নথি জোগাড় করে রাখুন। 👉 নির্ধারিত দিনে হিয়ারিংয়ে হাজির হন। সব ঠিকঠাক থাকলে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকা নিশ্চিত করা যাবে।

Friday, 26 December 2025

রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক! বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন পার্ণো মিত্র

রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক! বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন পার্ণো মিত্র

রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক! বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র

রাজ্য রাজনীতিতে শুক্রবার সকালেই বড় চমকের ইঙ্গিত মিলেছিল টলিমহলসূত্রে। আচমকাই জানা যায়, গত বিধানসভা ভোটে বিজেপি প্রার্থী হওয়া এক অভিনেত্রী এবার তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন। গুঞ্জন সত্যি করে বেলা বাড়তেই তৃণমূল ভবনের পথে রওনা দেন অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র।

খবর অনুযায়ী, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের হাত ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন পার্ণো। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বরানগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তিনি। সে সময় তৃণমূল প্রার্থী তাপস রায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করলেও জয়ের মুখ দেখেননি অভিনেত্রী।

উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন একঝাঁক টলিউড তারকা। সেই তালিকায় পার্ণো মিত্রও ছিলেন। তবে একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছিল। এমনকী ঘনিষ্ঠ মহলের কাছে গেরুয়া শিবিরের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বলেও কানাঘুষো শোনা যায়।

আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পার্ণোর তৃণমূলে যোগদানকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। কারণ, প্রতিটি নির্বাচনের আগে টলিপাড়ার কোন কোন পরিচিত মুখ রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সামনে আসবেন, তা নিয়ে কৌতূহল থাকেই।

পার্ণো মিত্রের দলবদল সেই জল্পনাকেই আরও উসকে দিয়েছে। তাহলে কি ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে? নাকি আপাতত তিনি সংগঠনিক ভূমিকাতেই থাকবেন? এই প্রশ্নের উত্তর দেবে সময়ই।

তবে একথা নিশ্চিত, পার্ণো মিত্রের তৃণমূলে যোগদান ছাব্বিশের ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনা ও সমীকরণের জন্ম দিল।

বিভাজন নয়, ঐক্যের বার্তা— মঞ্চেই শুভেন্দুকে থামালেন শমীক

বিভাজন নয়, ঐক্যের বার্তা— মঞ্চেই শুভেন্দুকে থামালেন শমীক

বিভাজন নয়, ঐক্যের বার্তা— মঞ্চেই শুভেন্দুকে থামালেন শমীক

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | কলকাতা

দলের পুরনো কর্মীদের ফের সক্রিয় করার লক্ষ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ কর্মসূচি। কিন্তু সেই সভামঞ্চেই প্রকাশ্যে উঠে এল বিজেপির অন্দরের সূক্ষ্ম টানাপড়েন। বৃহস্পতিবার জাতীয় গ্রন্থাগারের প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথা মাঝপথে থামিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য— ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের বক্তব্য আর না বলা হয়।

সভায় শুভেন্দু বিজেপির অন্দরে বিভিন্ন ‘গোত্র’-এর প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, কেউ অন্য দলে কিছু না পেয়ে বিজেপিতে এসেছেন, আবার কেউ স্বেচ্ছায় সব ছেড়ে এই দলে যোগ দিয়েছেন। নিজেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে রেখে শুভেন্দু বলেন, একাধিক মন্ত্রিত্ব ও গুরুত্বপূর্ণ পদ ছেড়ে তিনি বিজেপিতে এসেছিলেন এবং সেই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আমন্ত্রণই ছিল মূল কারণ।

এই বক্তব্যের পরেই মঞ্চে উঠে কোনও ভূমিকা না বেঁধে সরাসরি শুভেন্দুর উদ্দেশে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে ‘আগে’ ও ‘পরে’র বিভাজন টানা অনুচিত। দলে সবাই সমান— শান্ত সুরে হলেও বার্তাটি ছিল স্পষ্ট।

শমীকের এই হস্তক্ষেপে সভাস্থলে করতালি পড়ে। পরে তিনি আর বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও দলের অন্দরে শুরু হয় নানা ব্যাখ্যা। শমীক-ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, রাজ্য সভাপতি বোঝাতে চেয়েছেন— শুভেন্দু এখন দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তাঁকে বারবার নিজের ত্যাগ বা অতীত পরিচয় আলাদা করে তুলে ধরতে হবে না।

তবে দলের একাংশ এই ব্যাখ্যায় একমত নন। তাঁদের মতে, শুভেন্দু আগেও একাধিকবার নিজেকে অন্য দল থেকে আসা নেতাদের থেকে আলাদা করে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। বৃহস্পতিবারের বক্তব্যেও সেই প্রবণতারই পুনরাবৃত্তি হয়েছিল। আর ঠিক সেখানেই ‘গোত্র’-বিভাজনের সম্ভাবনা দেখেই অঙ্কুরে হস্তক্ষেপ করেন শমীক।

বিধানসভা ভোটের আগে দলীয় ঐক্যে কোনও ফাটল দেখতে চান না রাজ্য বিজেপি সভাপতি— এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। তাই ‘অনুরোধ’-এর ভাষায় হলেও তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের বক্তব্য তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

একই সঙ্গে পুরনো ও নতুন— দুই পক্ষের প্রতিই সমান বার্তা দেন শমীক ভট্টাচার্য। ভাষণের শেষ দিকে তিনি বলেন, নতুনদের বাদ দিয়ে দলের বিস্তার সম্ভব নয়। সমাজ থেকেই মানুষ আসবে, কোনও অলৌকিক জায়গা থেকে নয়। বিজেপিতে আদি-নব্য ভেদ নেই— সবাই একটাই পরিচয় বহন করে, বিজেপি।

অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে মূলত আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল সেই সব নেতাদের, যাঁরা অতীতে রাজ্য বা জেলা স্তরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন, কিন্তু বর্তমানে সক্রিয় নন। উদ্দেশ্য ছিল তাঁদের ফের সাংগঠনিক কাজে যুক্ত করা এবং বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের শক্তি বাড়ানো।

সভায় শমীক ভট্টাচার্য ও শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির দুই প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। শেষ পর্যন্ত, কর্মসূচির মূল বার্তা ছিল একটাই— বিভাজন নয়, ঐক্যই বিজেপির পথ।

© Y বাংলা ডিজিটাল | এই প্রতিবেদনটি তথ্যভিত্তিক সংবাদ রূপে প্রস্তুত

ওড়িশায় পরিযায়ী বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে খুন

ওড়িশায় পরিযায়ী বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে খুন

ওড়িশায় পরিযায়ী বাঙালি শ্রমিককে পিটিয়ে খুন, বিড়ি নিয়ে বচসার জের: পুলিশ

Y বাংলা নিউজ ডিজিটাল ডেস্ক | সম্বলপুর, ওড়িশা

ওড়িশার সম্বলপুরে কর্মরত পশ্চিমবঙ্গের এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুয়েল শেখ বুধবার রাতে মারধরের শিকার হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে, বাংলা বলার কারণেই তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। যদিও ওড়িশা পুলিশ এই দাবি খারিজ করে জানিয়েছে, ভাষা বা বাংলাদেশি সন্দেহ নয়, বিড়ি নিয়ে বচসার জেরেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জুয়েল শেখ সম্বলপুরের শান্তিনগর এলাকায় একটি নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের আরও কয়েক জন শ্রমিক ওই প্রকল্পে কাজ করতেন। বুধবার রাতে কাজ সেরে ফেরার পথে ছ'জনের একটি দলের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়।

ওই দলের এক ব্যক্তি একটি বিড়ি চাইলে তা নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। বচসা হাতাহাতিতে পরিণত হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। সেই সময় জুয়েল শেখকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে সম্বলপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসা চলাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশি পদক্ষেপ:
ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছ'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওড়িশা পুলিশের নর্দান রেঞ্জের আইজি হিমাংশুকুমার লাল সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, “এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত সকল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।”

এই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সরব হয়েছে। দলটি সমাজমাধ্যমে অভিযোগ করেছে, বিজেপির কথিত বাংলাবিরোধী প্রচারের ফলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।

তবে এই অভিযোগ প্রসঙ্গে ওড়িশা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, নিহত ব্যক্তি বাঙালি না বাংলাদেশি—এই পরিচয়ের সঙ্গে হত্যার কোনও সম্পর্ক নেই। প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, বিড়ি নিয়ে ঝামেলা থেকেই এই মারধরের ঘটনা ঘটে।

এদিকে নিহত শ্রমিকের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে মুর্শিদাবাদের তাঁর বাড়িতে যান সুতির তৃণমূল বিধায়ক ইমানী বিশ্বাস। তিনি পরিবারকে সমবেদনা জানান এবং প্রশাসনিক সহায়তার আশ্বাস দেন।

পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং ভিনরাজ্যে কর্মরত বাংলাভাষীদের সুরক্ষা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog