Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Friday, 19 September 2025

ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু — অভিজিৎ (রামু) পোদ্দার

বারাসত, 19 সেপ্টেম্বর: ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু — অভিজিৎ (রামু) পোদ্দার

বারাসত, 19 সেপ্টেম্বর: ফের ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু — অভিজিৎ (রাজু) পোদ্দার

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | প্রকাশিত: 19 সেপ্টেম্বার | বারাসত

বারাসত, 19 সেপ্টেম্বর: ফের ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু—বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক অভিজিৎ ওরফে রাজু পোদ্দার (৩৪)। খবর পেয়ে বারাসতে নিহতের বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গোপাল রায়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার মৃত ওই পরিযায়ী শ্রমিকের নিথর দেহ কেরল থেকে ট্রেনে করে পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। সম্ভবত রবিবার তাঁর দেহ বারাসতের বাড়িতে পৌঁছাবে। ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে দুর্ঘটনার জেরে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত অভিজিতের বাড়ি বারাসতের নেতাজি পল্লীতে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন বৃদ্ধ বাবা-মা, দাদা, স্ত্রী এবং এক বছরের শিশু সন্তান। বেশি রোজগারের আশায় প্রায় ১৫ দিন আগে তিনি কেরলে নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে গিয়েছিলেন।

কেরলের তুতকুড়ি জেলার ত্রিচন্দুর এলাকায় একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে মন্দির নির্মাণের কাজ চলছিল। সূত্র অনুযায়ী, কাজ করার সময় হঠাৎ পা পিছলে তিন তলা থেকে পড়ে যান তিনি। মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠান। বৃহস্পতিবার সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহতের কাকা প্রকাশ পোদ্দার: "বৃহস্পতিবার বিকেলে ওর এক সহকর্মী ফোন করে দুর্ঘটনার কথা জানায়। তা শুনে স্তম্ভিত হয়ে গেছি। দুর্ঘটনায় ওর এভাবে মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না। ওর স্ত্রী ও এক বছরের সন্তানের কথা ভেবে যদি সরকার পাশে এসে দাঁড়ায়, তাহলে পরিবারটা বেঁচে যাবে।"

স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গোপাল রায় বলেন, "ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরক্ষার অভাব রয়েছে বলে আমরা মনে করি। তা না হলে এই ঘটনা ঘটবে কেন? যে বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে এই নির্মাণ কাজ চলছিল তাদের আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। আমরা নিহতের পরিবারের পাশে সবসময় রয়েছি এবং আর্থিক সহায়তা করব। আমরাও বলছি, পরিযায়ী শ্রমিকরা যেন ফিরে এসে রাজ্যেই কাজ করেন—এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে।"

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে বারাসত জেলা পুলিশের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, "পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্যের জন্য প্রশাসনের তরফ থেকে পোর্টাল খোলা রয়েছে। কোনও অসুবিধা হলে সেখানে তাঁরা আবেদন করতে পারেন; প্রশাসন তখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে। এই মুহূর্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে যে, কোনো আক্ষরিক আবেদন এসেছে কি না।"

সংক্ষিপ্ত তথ্য:
  • নাম: অভিজিৎ (রাজু) পোদ্দার, বয়স: ৩৪
  • ঠিকানা: নেতাজি পল্লী, বারাসত
  • পরিবার: বৃদ্ধ বাবা-মা, দাদা, স্ত্রী, এক বছরের সন্তান
  • স্থানীয়তা: কেরলের তুতকুড়ি জেলার ত্রিচন্দুরে নির্মাণকাজের সময় দুর্ঘটনা

স্থানীয় সমাজ-সংগঠন ও প্রতিবেশীরা নিহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে শুরু করেছেন। দেহ পৌঁছানোর পর স্থানীয়ভাবে শেষকৃত্যের ব্যবস্থা ও পরিবারের আর্থিক সহায়তার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকারের ইঙ্গিত, ইজরায়েলের দুশ্চিন্তা

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকারের ইঙ্গিত, ইজরায়েলের দুশ্চিন্তা

পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তি: পারমাণবিক কর্মসূচিতে প্রবেশাধিকারের ইঙ্গিত, ইজরায়েলের দুশ্চিন্তা

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক লড়াই ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা ঘিরে নতুন পদক্ষেপ নিল পাকিস্তান। সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ইসলামাবাদ। আর সেই চুক্তিকে ঘিরেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড়। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তি শুধুই প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রতীক নয়, বরং ইজরায়েল ও ভারতের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা।

পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট জানান, পাকিস্তান তার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনও গোপনীয়তা রাখবে না যদি সৌদি আরবের প্রয়োজনে তা ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। আসিফ বলেন, “আমাদের হাতে যা শক্তি আছে, তা সৌদি আরবের কাছেও উপলব্ধ হবে।” তাঁর এই বক্তব্য ইঙ্গিত করছে, পাকিস্তান সরাসরি সৌদি আরবকে তার পারমাণবিক ক্ষমতায় অংশীদার করতে প্রস্তুত।

চুক্তির মূল ধারাগুলি

এই প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের কারও উপর কোনও শত্রুপক্ষ হামলা চালালে সেটিকে উভয় দেশের উপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। অর্থাৎ, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে আক্রমণ হলে পাকিস্তানও সরাসরি যুদ্ধে জড়াবে এবং পাকিস্তানের উপর আক্রমণ হলে সৌদি আরবও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দেবে। শুধু তাই নয়, সামরিক সরঞ্জাম, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিনিময়ও হবে এই চুক্তির অংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তি মূলত ‘ইসলামিক ন্যাটো’ গঠনের দিকে এক বড় পদক্ষেপ। গত কয়েক মাসে ইসলামাবাদ একাধিকবার দাবি করেছে, মুসলিম বিশ্বের দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইজরায়েলের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এই চুক্তি সেই লক্ষ্য পূরণেই একটি কৌশলগত পদক্ষেপ।

কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট

এই চুক্তির সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সৌদি প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সলমন। যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, এই চুক্তি দুই দেশের দীর্ঘ আট দশকের পুরনো সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। শুধু ভ্রাতৃত্ব নয়, বরং কৌশলগত স্বার্থ ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে।

কূটনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির লক্ষ্য একটাই—মধ্যপ্রাচ্যে ইজরায়েলের প্রভাব খর্ব করা। বর্তমানে ইজরায়েলের হামলায় প্যালেস্টাইন, ইরান, সিরিয়া, ইয়েমেন এবং লেবানন চাপে রয়েছে। সৌদি আরবও সম্প্রতি একাধিক হুমকি পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তি সৌদি আরবের পাশে দাঁড়ালে ইজরায়েলের জন্য তা নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হবে।

ভারতের উদ্বেগ

পাকিস্তান ভারতের চিরশত্রু, আর সৌদি আরব ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মিত্র। সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের এই প্রতিরক্ষা জোট ভারতের কাছে মোটেই সুখকর নয়। ভারত মধ্যপ্রাচ্যে তেলের উপর নির্ভরশীল। এছাড়া, কৌশলগতভাবে সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক ভারতের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ফলে ইসলামাবাদ-রিয়াধ চুক্তি ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

এই চুক্তি নিয়ে ইতিমধ্যেই আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। ওয়াশিংটন একদিকে সৌদি আরবের মিত্র, অন্যদিকে পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সবসময় সন্দিহান। এই অবস্থায় রিয়াধ যদি ইসলামাবাদের পরমাণু শক্তি ব্যবহার করতে পারে, তবে তা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক হয়ে উঠতে পারে।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ

পাকিস্তান আর সৌদি আরবের এই প্রতিরক্ষা চুক্তি যে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে তা নিশ্চিত। তবে এই চুক্তির বাস্তবায়ন কতদূর সম্ভব হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক দৃঢ় হলেও, আন্তর্জাতিক চাপ এবং আর্থিক সংকট ইসলামাবাদকে চুক্তির প্রতিশ্রুতি পূরণে সমস্যায় ফেলতে পারে।

তবু একথা স্পষ্ট, পাকিস্তান এবার মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বে নিজের ভূমিকা জাহির করতে চায়। আর সৌদি আরবকে পাশে রেখে তারা যে ইজরায়েল ও ভারতের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনে নামছে, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি করবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা প্রস্তাব খারিজ, আমেরিকার দ্বিচারিতা

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা প্রস্তাব খারিজ, আমেরিকার দ্বিচারিতা

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা প্রস্তাব খারিজ, আমেরিকার দ্বিচারিতা

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: স্বাধীনতাকামী বালোচ লিবারেশন আর্মিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মাসখানেক আগে পাকিস্তানের চাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বালোচ লিবারেশন আর্মি এবং তার সহযোগী মাজিদ ব্রিগেডকে বিদেশি জঙ্গির তালিকাভুক্ত করেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে একই প্রস্তাব আমেরিকার বিরোধিতার কারণে খারিজ হয়েছে।

পাকিস্তান ও চীনের প্রস্তাব ছিল, বালোচ লিবারেশন আর্মি এবং তার আত্মঘাতী স্কোয়াড মাজিদ ব্রিগেডকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তানের সহায়তায় বালোচরা সীমান্ত সন্ত্রাস চালানোর জন্য অন্তত ৬০টি ক্যাম্প পরিচালনা করছে। চীনের স্থায়ী সদস্যপদও এই প্রস্তাবকে সমর্থন করেছিল। তবে আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের বিরোধিতার কারণে প্রস্তাবটি খারিজ হয়েছে। তিন দেশের যুক্তি, পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই যে বালোচ আর্মি জঙ্গি তকমা পাওয়ার যোগ্য।

ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্ববর্তী পদক্ষেপ

মাসখানেক আগে ইসলামাবাদের শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে বালোচ লিবারেশন আর্মি এবং তাদের সহযোগী মাজিদ ব্রিগেডকে বিদেশি জঙ্গির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপে ইসলামাবাদের পছন্দ হয়েছিল বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ইসলামাবাদের প্রতি সমর্থন হিসেবে দেখা হয়েছিল। এছাড়াও, পহেলগাঁওয়ে হামলাকারী দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টকেও জঙ্গি তকমা দেওয়া হয়েছিল।

রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত

পাকিস্তান রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আবেদন জানিয়েছিল, বালোচ লিবারেশন আর্মি ও মাজিদ ব্রিগেডকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। চীনও সমর্থন জানিয়েছিল। কিন্তু আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। তাদের যুক্তি, বালোচ আর্মিকে জঙ্গি তকমা দেওয়ার পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে নতুন প্রশ্ন তুলেছে, কেন নিজেরাই জঙ্গি তকমা দেওয়া হলেও রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাবের বিরোধিতা করা হল।

বিশ্লেষকদের মত

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পাকিস্তান-বান্ধব পদক্ষেপের মধ্যে এখন এক ধরনের দ্বিচারিতা দেখা যাচ্ছে। রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাব খারিজ করায় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষত, গত কয়েকদিন ধরে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক এবং ট্রাম্প-মোদি সম্পর্ক উন্নতির দিকে এগোচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, বালোচ আর্মির জঙ্গি তকমা নিয়ে কি ট্রাম্প অবস্থান পরিবর্তন করবেন?

মার্কিন- পাকিস্তান বৈঠকের প্রেক্ষাপট

চলতি মাসের শেষেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করবেন। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ফাঁকেই এই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকে বালোচ আর্মির জঙ্গি তকমা বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উপসংহার

রাষ্ট্রসংঘে বালোচ আর্মিকে জঙ্গি তকমা দেওয়ার প্রস্তাব খারিজ করে আমেরিকা একটি বিতর্কিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। একদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের পূর্ববর্তী পদক্ষেপ ইসলামাবাদকে খুশি করেছিল, অন্যদিকে রাষ্ট্রসংঘে একই প্রস্তাবের বিরোধিতা দ্বিচারিতার ইঙ্গিত দিয়েছে। এই পরিস্থিতি কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের জন্য নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে। আগামী বৈঠক এবং পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মঞ্চে নজর কাড়বে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

শারদোৎসবের সময় বঙ্গ বিজেপির জনসংযোগ কৌশল, ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ

শারদোৎসবের সময় বঙ্গ বিজেপির জনসংযোগ কৌশল, ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ

শারদোৎসবের সময় বঙ্গ বিজেপির ভিনরাজ্য বাঙালিদের সঙ্গে জনসংযোগ কর্মসূচি

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালি অস্মিতা ও সাংস্কৃতিক আবেগকে সামনে রেখে এবার তৃণমূলের পালটা কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বিশেষ করে বাঙালির অন্যতম সেরা উৎসব শারদোৎসবকে (দুর্গাপুজো) জনসংযোগের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে উদ্যত গেরুয়া শিবির। বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের লক্ষ্য ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি করা।

বৃহস্পতিবার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন রাজ্যে পুজো প্রস্তুতির বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতারা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বারাণসী কেন্দ্রে অংশ নেবেন। রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার মোদি-সাথে এই কেন্দ্রীয় সভায় উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য গুজরাটে যাবেন। সেখানে স্থানীয় বাঙালিদের সঙ্গে পুজো নিয়ে আলোচনা ও বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বার্তা পৌঁছানো হবে।

রাজনীতির পটভূমি

শারদোৎসবের মরশুম বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জন্য জনসংযোগের সেরা সময় হিসেবে বিবেচিত। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বঙ্গ বিজেপি এই কৌশল হাতে নিয়েছে। বিগত কয়েকটি নির্বাচনে বাংলার মাটিতে তেমন সুবিধা করতে পারেনি পদ্মশিবির। তবে ছাব্বিশে নির্বাচনে হাল ছাড়তে নারাজ শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারীরা। তারা নতুন করে দল গড়ে ‘টিম’ তৈরি করছেন, যাতে রাজ্য ও ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ বৃদ্ধি পায়।

বঙ্গ বিজেপি শুধু রাজ্যেই নয়, অন্যান্য রাজ্যে বসবাসকারী বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগেও গুরুত্ব দিচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই কর্মসূচির নেপথ্যে রয়েছে। প্রতিটি রাজ্যে স্থানীয় নেতৃত্বের অংশ নিয়ে বিশেষ দল তৈরি হয়েছে, যারা শমীক ভট্টাচার্য ও সুকান্ত মজুমদারকে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলিতে নিয়ে যাবেন।

কর্মসূচির কৌশল

বিজেপি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মিলিতভাবে পুজো কমিটিগুলিতে ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে জনসংযোগ করার পরিকল্পনা করেছে। এই কর্মসূচি বাংলার সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত আবেগকে সামনে রেখে করা হচ্ছে। ভিনরাজ্যে বাঙালির সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে, পুজো কমিটিগুলিতে উপস্থিত থেকে বিজেপি নেতারা স্থানীয় সমস্যার কথা ও কেন্দ্রীয় বার্তা পৌঁছে দেবেন।

উল্লেখযোগ্যভাবে, সম্প্রতি ভিনরাজ্যে বাংলায় কথা বলা ও বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর alleged নির্যাতনের অভিযোগ তৃণমূলের পক্ষ থেকে তুলে ধরেছে। কেন্দ্রীয় বিজেপি এবং রাজ্য নেতৃত্ব এই বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে জনসংযোগের জন্য পরিকল্পনা করছে।

নেতৃত্বের রোডম্যাপ

শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে দলটি ভিনরাজ্যে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলিতে ভ্রমণ করছে। প্রত্যেক রাজ্যের স্থানীয় নেতৃত্বের অংশ নিয়ে বিশেষ দল তৈরি হয়েছে, যারা স্থানীয় বাঙালিদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করবে। এই কর্মসূচি শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।

রাজ্য বিজেপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, শারদোৎসবের সময় এই জনসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের মনে প্রভাব বিস্তার করা হবে। আগামী নির্বাচনের আগে এই কৌশল দলকে রাজনৈতিক সুবিধা দেবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।

উপসংহার

শারদোৎসবের মরশুমে বঙ্গ বিজেপির এই জনসংযোগ কর্মসূচি রাজনৈতিক কৌশলের অংশ। ভিনরাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ, স্থানীয় পুজো কমিটিগুলিতে উপস্থিতি এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের বার্তা পৌঁছানো এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মিলিতভাবে বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই কৌশল দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কলকাতা হাইকোর্টের রোজভ্যালি ফরেন্সিক অডিট নির্দেশ

কলকাতা হাইকোর্টের রোজভ্যালি ফরেন্সিক অডিট নির্দেশ

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে রোজভ্যালি মামলায় সেবিকে ফরেন্সিক অডিট করানোর সিদ্ধান্ত

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার নির্দেশ দিয়েছে যে, রোজভ্যালি প্রজেক্ট সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে সেবিকে ফরেন্সিক অডিট করাতে হবে। বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি শব্বর রশিদির নেতৃত্বে এই বেঞ্চ সেবিকেই দায়িত্ব দিয়েছে ১০টি সম্পত্তি বিক্রয়, আর্থিক হিসাব বৈধতা এবং এডিসি টাকা গ্রহণের বিষয় বিস্তারিত রিপোর্ট করতে।

রোজভ্যালি মামলায় আগে থেকেই সিবিআই ও ইডি তদন্ত চালাচ্ছে। তবে আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই তদন্তে ফরেন্সিক অডিট অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে, সেবিকে বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে ফরেন্সিক অডিট করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অডিটের প্রধান নির্দেশনা

  • রোজভ্যালির ১০টি সম্পত্তি বিক্রয় সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান। বাজারদরের তুলনায় কত বেশি বা কম দাম ধরা হয়েছে এবং প্রকৃত বিক্রয়মূল্য কত, তা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
  • রোজভ্যালির যাবতীয় হিসাব বৈধ কি না, তা নিরীক্ষা করে ফরেন্সিক অডিট রিপোর্ট করা।
  • চকোলেট গ্রুপ থেকে কীভাবে এডিসি টাকা নেন এবং সেটি কতটা বৈধ, সেই বিষয়ে বিশদ হিসাব রিপোর্ট করা।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদিও এডিসি এই ফরেন্সিক অডিটে আপত্তি জানিয়েছে, আদালত চাইলে যে কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে অডিট করানো যেতে পারে। সেবি এই ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হলেও অ্যাকাউন্টসের বিষয়ে তাদের বিশেষজ্ঞ বিভাগ দায়িত্ব নিতে পারে।

বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ

বিচারপতিরা জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের মনে এই ধারণা তৈরি হচ্ছে যে, সিবিআই ও ইডি তদন্ত করছে। কিন্তু ফরেন্সিক অডিট নেই। সেবির বিশেষ উইং রয়েছে, যা অ্যাকাউন্টসের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। তাই এই দায়িত্ব তাদের ওপর দেওয়া হচ্ছে।

মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত হয়েছে। এই শুনানিতে ফরেন্সিক অডিটের অগ্রগতি, রিপোর্ট প্রস্তুতি এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা হবে।

রোজভ্যালি মামলার প্রেক্ষাপট

রোজভ্যালি প্রকল্প একটি বিতর্কিত আর্থিক কেলেঙ্কারি। বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ এসেছে যে, প্রকল্প সংক্রান্ত সম্পত্তি বিক্রি ও আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তবে, ফরেন্সিক অডিটের অভাবে সম্পূর্ণ আর্থিক স্বচ্ছতা দেখা যাচ্ছে না।

আদালতের নির্দেশনার মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি ও আর্থিক হিসাবের সত্যতা যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

সিবিআই, ইডি ও সেবির ভূমিকা

সিবিআই ও ইডি ইতিমধ্যেই রোজভ্যালি মামলায় তদন্ত চালাচ্ছে। কিন্তু ফরেন্সিক অডিট বাদ থাকার কারণে সম্পূর্ণ আর্থিক তথ্যের যাচাই সম্ভব হয়নি। সেবির বিশেষ উইং এবং অ্যাকাউন্টস বিভাগের দক্ষতা এই অডিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যথাযথ বলে আদালত মনে করছে।

এই প্রক্রিয়ায় সেবি শুধু হিসাবের সত্যতা যাচাইই করবে না, বরং সম্পত্তি বিক্রয়ের বাজারদরের সাথে তুলনা, অতিরিক্ত বা কম বিক্রয়মূল্য, এবং এডিসি টাকা গ্রহণের বৈধতা সম্পর্কিত রিপোর্টও জমা দেবে।

সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া

এডিসি এই ফরেন্সিক অডিটে আপত্তি জানিয়ে আদালতে বক্তব্য রেখেছে যে, সেবি অ্যাকাউন্টস বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নয়। কিন্তু আদালতের মতে, যে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা এই রিপোর্ট তৈরি করতে পারে। ফলে সেবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মামলার পরবর্তী hearing-এ সব পক্ষের মন্তব্য এবং রিপোর্টের বিশ্লেষণ হবে। এই hearing-এর ফলাফলের উপর ভবিষ্যতের পদক্ষেপ নির্ভর করবে।

উপসংহার

রোজভ্যালি মামলার আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে ফরেন্সিক অডিট করানো একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। আদালতের নির্দেশনায় সেবিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই অডিটের মাধ্যমে রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি, হিসাব বৈধতা এবং এডিসি টাকা গ্রহণের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে। আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর hearing-এ এই প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সমীর মোদী গ্রেপ্তার: ধর্ষণ অভিযোগে মামলা ও পরিবারে উদ্বেগ

সমীর মোদী গ্রেপ্তার: ধর্ষণ অভিযোগে মামলা ও পরিবারে উদ্বেগ

সমীর মোদী গ্রেপ্তার: ধর্ষণ অভিযোগে মামলা ও পরিবারে উদ্বেগ

নিউ দিল্লি: ভারতের পরিচিত ব্যবসায়ী ললিত মোদীর ছোট ভাই সমীর মোদীকে ধর্ষণ ও শারীরিক হেনস্থার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাঁকে দিল্লির নিউ ফ্রেন্ডস কলোনি থানার পুলিশ দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করে। জানা গেছে, পুরনো একটি ধর্ষণ মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর সমীর মোদীকে আদালতে পেশ করা হয়েছে।

মামলার প্রেক্ষাপট

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সমীর মোদীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এক মহিলা, যাঁর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ২০১৯ সাল থেকে। অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ। ওই মহিলা সমীর মোদীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ আনেন।

সমীর মোদীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। তিনি দাবি করেছেন যে, অভিযোগকারী মহিলা তাঁকে ব্ল্যাকমেল করার উদ্দেশ্যেই এই এফআইআর দায়ের করেছেন। সমীর মোদী উল্লেখ করেছেন, তিনি কখনোই অভিযোগে বর্ণিত কোনো অপরাধে জড়িত ছিলেন না।

আইনজীবীর বক্তব্য

সমীর মোদীর আইনজীবী জানান, ইতিমধ্যেই ৮ ও ১৩ আগস্ট তিনি একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের করে পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে, ওই মহিলা সমীরকে ফাঁদে ফেলে ৫০ কোটি টাকা দাবি করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মাধ্যমে ব্ল্যাকমেলিংয়ের প্রমাণও পুলিশের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

আইনজীবী আরও অভিযোগ করেছেন যে, পুলিশ তাড়াহুড়ো করে গ্রেপ্তার করেছে, অথচ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। তিনি আদালতের কাছে ন্যায়প্রাপ্তি ও পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষার আর্জি জানিয়েছেন। আইনজীবীর দাবি, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে একটি গভীর ষড়যন্ত্র, যা সমীরকে ফাঁসাতে চায়।

সমীর মোদীর প্রতিক্রিয়া

সমীর মোদী নিজের বক্তব্যে বলেছেন, "আমি এই অভিযোগের সাথে সম্পূর্ণ অসঙ্গত। এটি এক ধরনের অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রচেষ্টা। আমি বিশ্বাস করি যে আদালত ন্যায়িক রায় প্রদান করবেন এবং এই মিথ্যা অভিযোগ প্রমাণিত হবে।"

আইনি প্রক্রিয়া

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর সমীর মোদীকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালত মামলা খতিয়ে দেখে উপযুক্ত রিমান্ড বা জামিনের সিদ্ধান্ত নেবে। এই ধরনের উচ্চ-প্রোফাইল মামলা সাধারণত বিস্তারিত তদন্তের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়, যাতে ন্যায় প্রক্রিয়া বজায় থাকে।

সমাজে প্রতিক্রিয়া

মামলার খবর প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই নেটিজেনদের মধ্যে সমীর মোদীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন, আবার কেউ কেউ বলেছেন যে, আইনকে যথাযথভাবে অনুসরণ করে প্রমাণিত হওয়া অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

পরিবারের উদ্বেগ

এই গ্রেপ্তারী ঘটনায় সমীর মোদীর পরিবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। পরিবার আশা করছে, আদালত ন্যায়পালনের পাশাপাশি পরিবারের গোপনীয়তাকে রক্ষা করবেন। বিশেষত এই ধরণের অভিযোগ সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে পরিবারকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

মামলার ভবিষ্যৎ

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলায় চূড়ান্ত রায় আসতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। আদালত বিবেচনা করবেন অভিযোগের প্রমাণ, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট এবং অন্যান্য সাক্ষ্যাদি। এছাড়া তদন্তের পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

অধিকাংশ আইন বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে পুলিশ ও আদালতের তৎপরতা এবং প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সমীর মোদীর পক্ষও তাদের পক্ষের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে পারবে।

উপসংহার

সমীর মোদীর গ্রেপ্তারী ঘটনায় পুরো দেশের নজর এখন দিল্লি আদালতের দিকে। এই মামলা শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ নয়, বরং সামাজিক ন্যায়, আইনের প্রয়োগ এবং প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আদালত যেকোনো সিদ্ধান্ত নিক, তার প্রভাব সমাজের উচ্চ-প্রোফাইল ব্যক্তিদের উপর দীর্ঘ সময়ের জন্য পড়বে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

BJP নেতা গ্রেফতার: বনগাঁয় পুলিশ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

BJP নেতা গ্রেফতার: বনগাঁয় পুলিশ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ | Y বাংলা নিউজ

BJP নেতা গ্রেফতার: বনগাঁয় পুলিশ কর্মীকে মারধরের অভিযোগ

আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
BJP নেতা গ্রেফতার বনগাঁ
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয়ে পুলিশ কর্মীকে মারধরের অভিযোগে BJP নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্য গ্রেফতার

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় বুধবার রাতে এক পুলিশ কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন BJP নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্য। ঘটনা ঘটে বনগাঁ থানার হাসপাতাল কালীবাড়ি এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আক্রান্ত যুবক কলকাতা পুলিশের কর্মী।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে গাইঘাটা এলাকা থেকে গোবিন্দ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে বনগাঁ থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।

এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “গোবিন্দ জমি মাফিয়া। সমাজবিরোধীদের সঙ্গে ওঠাবসা করে। যে যুবককে মারধর করেছে সে একজন পুলিশ কর্মী। বিজেপি একটা উশৃঙ্খল দল।”

অন্যদিকে ধৃত BJP নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, “আমি বিজেপি করি বলেই তৃণমূল আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে।” বনগাঁ উত্তরের BJP বিধায়ক অশোক কির্তনীয়া অভিযোগ করেছেন, “বিজেপি কর্মীরা বাড়িতে বসে থাকলেও পুলিশ কেস দিচ্ছে। এটা তৃণমূলের পূর্ব পরিকল্পনা। কেস হবে, জামিনও হবে। ২০২৬ সালে মমতা ব্যানার্জির বিসর্জন হবে।”

আক্রান্ত যুবক বা তাঁর পরিবার এখনও প্রতিক্রিয়া দেননি। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে সমালোচনা চলছে।

স্থানীয় জনমত অনুযায়ী, এই ঘটনায় বনগাঁ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। প্রশাসন নিশ্চিত করেছে, মামলার তদন্ত সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং প্রয়োজনে আদালতের নির্দেশে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

BJP নেতা গোবিন্দ ভট্টাচার্য বনগাঁ পুলিশ মারধর তৃণমূল কংগ্রেস উত্তর ২৪ পরগনা রাজনীতি

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

SEBI থেকে আদানি ক্লিন চিট, শেয়ার দর বৃদ্ধি | দুর্গাপুজো প্রস্তুতি, SSC মামলার বিচার

SEBI থেকে আদানি ক্লিন চিট, শেয়ার দর বৃদ্ধি | দুর্গাপুজো প্রস্তুতি, SSC মামলার বিচার | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

SEBI থেকে আদানি ক্লিন চিট, শেয়ার বাজারে উল্লম্ফন | দুর্গাপুজো প্রস্তুতি ও SSC মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ

আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আদানি শেয়ার বাজার
SEBI থেকে ক্লিন চিট পাওয়ার পর আদানি গ্রুপের শেয়ারের দাম বৃদ্ধি

মার্কিন শর্ট সেলার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ খারিজ করে SEBI থেকে ক্লিন চিট পাওয়ার পর শুক্রবার আদানি গ্রুপের কোম্পানিগুলির শেয়ারের দাম ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। দুপুর ১২টা নাগাদ, আদানি টোটাল গ্যাস লিমিটেডের শেয়ারের দাম ৭.৬৭% বেড়ে ৬৫৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আদানি পাওয়ারের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, ৭.৮৪% বেড়ে ৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে। আদানি এন্টারপ্রাইজেস ৩.৯৭% বেড়ে ২৪৯৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

আদানি পোর্টসের শেয়ারের দাম ১.২২% বেড়ে ₹১৪৩০ হয়েছে। আদানি গ্রিন এনার্জির শেয়ারের দামও ২.৯৬% বেড়ে ১০০৭.৮৫ হয়েছে।

এই উল্লম্ফন বাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য আশার সিগন্যাল হিসেবে দেখা হচ্ছে, SEBI-এর ক্লিন চিটকে ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে ধরা হচ্ছে।

দুর্গাপুজোর সময় মন্ত্রীদের এবার নিজেদের এলাকায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুজোর আগে নবান্নে শেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও বাড়তিভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি উৎসবের আবহে গরিব মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আলিপুর আদালতে আজ স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) নিয়োগ দুর্নীতির CBI মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু। মামলার মূল অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, SSC-এর প্রাক্তন কর্তা শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সুবীরেশ ভট্টাচার্য এবং নীলাদ্রি ঘোষ। পার্থ চট্টোপাধ্যায় আগের শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছিলেন।

অন্যদিকে, দুর্গাপুজো এলে রাজ্যে বৃষ্টি থামছে না। রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে আজও কম-বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে, কিছু জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলবে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে।

আদানি SEBI শেয়ার বাজার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুজো SSC নিয়োগ দুর্নীতি CBI কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

রামপুরহাট ছাত্রী হত্যা: পুলিশ কর্মকর্তার গাফিলতি, পরিবারের সিবিআই তদন্তের দাবি

রামপুরহাট ছাত্রী হত্যা: পুলিশ কর্মকর্তার গাফিলতি, পরিবারের সিবিআই তদন্তের দাবি | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

রামপুরহাট ছাত্রী হত্যা: পুলিশ কর্মকর্তার গাফিলতি, পরিবারের সিবিআই তদন্তের দাবি

আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
রামপুরহাট ছাত্রী হত্যা
রামপুরহাটে ছাত্রী হত্যার ঘটনায় সাসপেন্ড করা মহিলা পুলিশ অফিসার (ছবি: ফাইল)

বীরভূমের রামপুরহাটে ঘটেছে এক নাবালিকা ছাত্রী হত্যার কাণ্ড। তদন্তে গাফিলতির দায়ে **জুলি সাহা**, রামপুরহাট থানার মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইনস্পেক্টর পদে কর্মরত, **সাসপেন্ড করা হয়েছে।** প্রাথমিক তদন্তে তিনি নিখোঁজ ছাত্রীর দায়িত্বশীল তদন্তকারী ছিলেন।

পরিবারের দাবিতে পুনরায় সিবিআই তদন্তের দাবি উঠেছে। বিশেষ করে নিখোঁজ দেহাংশ উদ্ধার ও ফরেনসিক ময়না তদন্তের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, শিক্ষককে পুলিশ আটক করলে **তৃণমূলের রামপুরহাট ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পান্থ দাস** তাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

এদিন গ্রামে যান কংগ্রেস নেতা **অধীর রঞ্জন চৌধুরী**, রামপুরহাট বিধায়ক ও ডেপুটি স্পিকার **আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়**, রাজ্য মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন **অনন্যা চট্টোপাধ্যায়** এবং **অভয়া মঞ্চ**ের প্রতিনিধিরা। তারা পরিবারের সঙ্গে দেখা করে তদন্তের অগ্রগতি ও সিবিআই তদন্তের দাবি সমর্থন করেছেন।

অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “পরিবার চাইলে আমরা হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্টে সিবিআই তদন্তের ব্যবস্থা করব। তবে স্থানীয় প্রশাসনকে বলব, ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত, তা খুঁজে বের করতে।” তিনি অভিযোগ করেছেন, ছোট্ট এক মেয়েকে হত্যা করার পর পুলিশ এখনও সম্পূর্ণ দেহ উদ্ধার করতে পারেনি। স্কুল কর্তৃপক্ষও পরিবারের পাশে দাঁড়ায়নি।

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তদন্তকারী অফিসার জুলি সাহা বাড়ি থেকে কোন প্রমাণ পাননি। পরে সেই বাড়ি থেকে সেক্সের জিনিপত্র উদ্ধার হয়। বিষয়টি জেলা পুলিশ সুপারকে জানালে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট চলছে, দেহের অবশিষ্ট অংশ খুঁজে আনা হবে।”

পরিবারের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, স্কুলের প্রধান শিক্ষকও অভিযুক্ত শিক্ষকের অশালীন আচরণ জানতেন, কিন্তু কোন ব্যবস্থা নেননি। অনন্যা চট্টোপাধ্যায় জানান, পকসো আইনে তাঁদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষ সরকারি আইনজীবী নিয়ে মামলার দ্রুত কার্যক্রম চলছে।

জেলা পুলিশ সুপার **আমনদীপ** জানিয়েছেন, “মহকুমা পুলিশ আধিকারিককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করছি মাসখানেকের মধ্যে তদন্ত শেষ করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।”

মূল বিষয়াবলি:
  • মহিলা পুলিশ অফিসার সাসপেন্ড
  • পরিবারের সিবিআই তদন্তের দাবি
  • তৃণমূল নেতা পান্থ দাসের হস্তক্ষেপের অভিযোগ
  • ফরেনসিক রিপোর্ট এবং দেহাংশ উদ্ধার প্রক্রিয়া চলছে
  • বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায় খুঁজে দেখা হচ্ছে
রামপুরহাট ছাত্রী হত্যা জুলি সাহা সিবিআই তদন্ত তৃণমূল অধীর রঞ্জন চৌধুরী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় অনন্যা চট্টোপাধ্যায় অভয়া মঞ্চ বীরভূম

৩ দেশে সরকার পতন: ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মোদি প্রশাসনের অভিনব কৌশল

৩ দেশে সরকার পতন: ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মোদি প্রশাসনের অভিনব কৌশল | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

৩ দেশে সরকার পতন: ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে মোদি প্রশাসনের ‘অভিনব কৌশল’

আপডেট: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
ভারত সরকারের নিরাপত্তা ও প্রশাসন
ভারত সরকার গণবিক্ষোভ ঠেকাতে নতুন নিরাপত্তা উদ্যোগ গ্রহণ করছে (ছবি: ফাইল)

নেপাল, বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় জেন জি’র বিক্ষোভের মুখে সরকার পতনের পর নড়েচড়ে বসেছে ভারত সরকার। ভবিষ্যতে ‘স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর গণআন্দোলন’ ঠেকাতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১৯৭৪ সালের পর ভারতের সব আন্দোলনের ইতিহাস, কারণ এবং আর্থিক দিক বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

সমালোচকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার তিন দেশে তরুণদের বিক্ষোভে সরকারের পতনের প্রভাব দেখে ভারত সরকার আগেভাগেই সতর্ক হচ্ছে। শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপালে তরুণ প্রজন্মের গণবিক্ষোভে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় সরকারের।

নির্দেশনা ও বিশেষ টিম

বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্যানুসারে, গণবিক্ষোভ ঠেকাতে অমিত শাহ বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। গত জুলাইয়ে দিল্লিতে গোয়েন্দা সংস্থার নিরাপত্তা কনফারেন্সে তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালের পর দেশে যত বড় আন্দোলন হয়েছে, তার কারণ, অর্থায়ন ও ফলাফল খুঁজে দেখতে হবে।

দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পুলিশের গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যুরো (BPR&D) কে। একটি বিশেষ টিম গঠন করা হচ্ছে, যারা রাজ্য পুলিশের সিআইডি রিপোর্ট ও পুরনো মামলার নথি বিশ্লেষণ করবে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:
  • আন্দোলনের পেছনে কারা ছিল এবং অর্থের উৎস নির্ধারণ।
  • স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর তৈরি।
  • ধর্মীয় সমাবেশে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও পদদলন ঠেকানো।
  • পাঞ্জাবে খালিস্তানি উগ্রবাদ দমনের নতুন কৌশল।
  • কেন্দ্রীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF) এবং NCB মাঠে নামানো।
  • জেল থেকে নেটওয়ার্ক চালানো ব্যক্তিদের অন্য জেলে স্থানান্তর।

বিশ্লেষণ

দক্ষিণ এশিয়ার এই অস্থিরতা ভারতের জন্য সতর্কবার্তা। অভিজ্ঞ প্রশাসকরা বলছেন, এটি একটি প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া, যেখানে সরকার আগে থেকেই বিশ্লেষণ ও পদক্ষেপ নিলে বড় বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব।

অমিত শাহের নির্দেশে সংকলিত তথ্য ও প্রতিবেদন ব্যবহার করে ভবিষ্যতে ‘স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর গণআন্দোলন’ ঠেকাতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।


#ভারত #অমিতশাহ #মোদিপ্রশাসন #নেপাল #বাংলাদেশ #শ্রীলঙ্কা #জেনজি_বিক্ষোভ #সরকারপতন #BPRD #BSF #NCB

        
ভারত অমিত শাহ জেন জি বিক্ষোভ নেপাল শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog