Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Wednesday, 22 October 2025

উত্তরবঙ্গের বন্যা-ধস: কেন্দ্রের সাহায্য না পেয়ে তৃণমূলের তীব্র অভিযোগ

উত্তরবঙ্গের বন্যা-ধস: কেন্দ্রের সাহায্য না পেয়ে তৃণমূলের তীব্র অভিযোগ
সামাজিক-রাজনীতি · উত্তরবঙ্গ দুর্যোগ

প্রবল বর্ষণ ও ভুটান থেকে ধেয়ে আসা জলে উত্তরবঙ্গ বিপর্যস্ত — কেন্দ্রের সহায়তা না পেয়ে তৃণমূলের তীব্র অভিযোগ

প্রকাশিত: · রিপোর্টার: Your Reporter Name · আপডেট:
উত্তরবঙ্গের বন্যা ও ভূমিধস
উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা — ছবি: স্থানীয় সূত্র।

প্রবল বর্ষণ ও ভুটান থেকে ধেয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশ বন্যা ও ভূমিধসের কবলে পড়ে। সড়ক-সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বহু গ্রামতলা প্লাবিত এবং বাড়িঘর, ফসল ও জীবিকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং স্থানীয় মানুষদের তৎপরতার ফলে উদ্ধার ও পুনর্বাসন শুরু হলেও তৎপর কেন্দ্রীয় তহবিলের অভাবে রাজ্যের দাবি অনূত্তর থেকে যাচ্ছে বলে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্রভাবে অভিযোগ করেছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি (সংক্ষেপে):
  • উত্তরবঙ্গের জন্য কেন্দ্র থেকে একটাও টাকা বরাদ্দ করা হয়নি।
  • মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকে দ্রুত ১,৯৫০.৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও বাংলার নাম তালিকায় নেই।
  • ২০২১ সালের ঘটনাবলীর প্রতিশোধমূলক মনোভাব থেকে বাংলার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অবহেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
১,৯৫০.৮০ কোটি
মোট কেন্দ্রীয় বরাদ্দ (মাহ/কর্ণ)
১,৫৬৬.৪০ কোটি
মহারাষ্ট্রকে বরাদ্দ
৩৮৪.৪০ কোটি
কর্নাটককে বরাদ্দ

তৃণমূলের শাসকদল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ট্যাগ করে অভিযোগ তুলেছে যে, 'ভয়ঙ্কর বন্যা এবং ভূমিধসের কবলে উত্তরবঙ্গ — জীবন, ঘরবাড়ি এবং জীবিকা সম্পূর্ণ ধূলিস্যাৎ; সেই সময়ও কেন্দ্র একেবারে নীরব। এক টাকাও রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করা হয়নি।' তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকে দ্রুত তহবিল দেওয়া হলেও বাংলাকে চুকানো হয়েছে তালিকা থেকে।

শাসকদলের দাবি অনুযায়ী, কেন্দ্র এসডিআরএফ (SDRF) ও এনডিআরএফ (NDRF) থেকে বিভিন্ন রাজ্যে লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে — ১৩,৬০৩.২০ কোটি SDRF-ভিত্তিক বরাদ্দ ও ২,১৮৯.২৮ কোটি এনডিআরএফ-ভিত্তিক বরাদ্দ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন রাজ্যের জন্য — কিন্তু বাংলার নাম উল্লেখ করা হয়নি বলে তৃণমূল বলছে।

শাসকদল আরও দাবি করেছে যে, এটি একটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রকাশ — বিশেষত ২০২১ সালকে কেন্দ্র করে পূর্ববর্তী রাজনৈতিক বিবাদকে কেন্দ্র করে বাংলা লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তৃণমূলের ট্যুইট ও পোস্টে কেন্দ্রকে 'বাংলা বঞ্চক' আখ্যা দেন এবং মন্তব্য করা হয়েছে যে, 'বাংলার মানুষ আগামী ভোটে ভোট বাক্সের মাধ্যমে এর প্রতিক্রিয়া দেখাবে।'

কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া ও সরকারি বিবৃতি

কেন্দ্রীয় সরকার থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্র সরকার বন্যা, ভূমিধস ও মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত রাজ্যগুলিকে সর্বাত্মক সাহায্য করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে যে নির্দিষ্ট বরাদ্দের ক্ষেত্রে রাজ্য প্রতিনিধিদের প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তাব এবং ক্ষতির প্রকৃত মূল্যায়ন বিবেচনায় নেওয়া হয়। (নোট: সঠিক আলোকপাতের জন্য সে বিষয়ে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি বা রিলিজ দেখুন — এখানে অনুলিপি করা হয়নি)।

স্থানীয় পর্যায়ে কাজ চলছিলেও পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দুর্বল পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কৃষকদের ফসলের ক্ষতি, পথ-সংযোগ বিচ্ছিন্নতার ফলে বাজার অপ্রাপ্যতা—এসব পরিস্থিতি দ্রুত সমাধান না হলে এলাকায় মানবিক চাহিদা বেড়ে যাবে বলে স্থানীয় বিবেচনা।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী দাবি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিপূর্বে এই বিষয়ে সরব হয়েছেন এবং রাজ্য প্রশাসনকে দ্রুত উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। তৃণমূলের তরফ থেকে কেন্দ্রকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করা হয়েছে এবং পুনরায় দাবি করা হয়েছে — কেন্দ্রকে সরাসরি বরাদ্দ কার্যকর করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জরুরি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ অন্বেষণ ও যাচাইয়ের সুপারিশ: এই অভিযোগের প্রকৃততা ও বরাদ্দের বিশদ যাচাই করতে সরকারি নথি/নোটিশ, কেন্দ্রীয় RELIEF-রিলিজ, এবং রাজ্য প্রশাসনের দাবির কাগজপত্র দেখাসাপেক্ষ। পাঠকরা স্থানীয় প্রশাসন বা কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের ওয়েবসাইট থেকে অফিসিয়াল নোটিশ দেখে নিশ্চিত হোন।

আপডেটিং নোট: নিবন্ধটি প্রাথমিক সোর্স হিসেবে তৃণমূলের সামাজিক মিডিয়া পোস্ট ও স্থানীয় সংবাদ বোঝায় রচিত। অফিসিয়াল বরাদ্দ তালিকা ও কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি আসলে আমরা আপডেট দেব।

ট্যাগ: উত্তরবঙ্গ, বন্যা, তৃণমূল, কেন্দ্র

দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টারকে ঘিরে দুর্যোগ এড়ালো — প্রামাদমে হেলিপ্যাডের অংশ বসে যাওয়ার ঘটনা

দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টারকে ঘিরে দুর্যোগ এড়ালো — প্রামাদমে হেলিপ্যাডের অংশ বসে যাওয়ার ঘটনা

দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টার: প্রামাদমে হেলিপ্যাডের অংশ বসে গেলে কপ্টারের চাকাও আটকে গেল

পাঠানো: ২২ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩০ AMসাউথ বেঞ্চ, কেরল
প্রামাদমে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীর হেলিকপ্টার - হেলিপ্যাডে আটকে থাকা দৃশ্য
ছবি সূত্র: সংবাদ agencias / স্থানীয় ভিডিও স্ক্রীনগ্র্যাব (উৎস দেখুন)।

সংক্ষিপ্ত সারমর্ম: কেরলের প্রামাদমে রাজীব গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামের পাশে তৈরি অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণের সময় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হেলিকপ্টারের চাকাগুলো হেলিপ্যাডের নতুন কংক্রিট টার্ম্যাকের একটি নরম অংশে ধস খেয়ে আটকে যায়; পুলিশ, দমকল ও সেনা ককেটে কাজ করে কপ্টারটি সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছেন।

ঘটনার সময় ও স্থান (কী জানা গেছে)

রবিবার সকালে (নির্দিষ্ট ল্যান্ডিং সময়টি পরিবর্তিত হতে পারে) প্রামাদমে রাজীব গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামের পাশের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে রাষ্ট্রপতির কপ্টার নামার পরেই টার্ম্যাকের একটি অংশ বসে যায় এবং কপ্টারের চাকা সেখানে আটকে পড়ে। পরে ঘটনাস্থলে মোতায়েন নিরাপত্তা ও জরুরি পরিষেবাগুলি দ্রুত ব্যবস্থা নেন।

প্রাথমিকভাবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে হেলিপ্যাডটি শেষ মুহূর্তে তৈরি করা হয়েছিলো এবং কংক্রিট ঠিকরূপে সেট হয়ে ওঠেনি—ভিতর থেকে টার্ম্যাক নরম থাকায় ওই অংশে ধস হওয়াটাই দুর্ঘটনার কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই কারণেই হেলিকপ্টারের চাকাগুলো মাটির মধ্যে ঢুকে পড়ে।

ঘটনার পর নিরাপত্তা কর্মী, স্থানীয় পুলিশ ও দমকলকর্মীরা মিলে কপ্টারটিকে ঠেলে ও টেনে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে আনতে সক্ষম হন। ঘটনার ভিডিও-ভিউতে দেখা গেছে ককটের দল কপ্টারের পিছনে দাঁড়িয়ে হাতে ঠেলে কপ্টারটি সরাচ্ছে—পরবর্তী যে কোনো ঝুঁকি এড়ানোর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হয়। রাষ্ট্রপতি নিজে ঘটনাস্থলে নেমে যাননি; সেটি সুরক্ষিতভাবে গাড়ি যোগে মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

প্রেস রিলিজ এবং পিটিআই/এজেন্সি প্রতিবেদন অনুযায়ী কপ্টারের বা রাষ্ট্রপতির কোনো শারীরিক ক্ষতি বা আহত হওয়ার খবর নেই; নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিভিন্ন এজেন্সি পরিস্থিতি দ্রুত সামলান। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত বা পরবর্তী বিটিএফ (ব্যবস্থাপনা-টেকনিক্যাল) পর্যালোচনা সম্ভবত হবে।

কি নির্দেশনা/পাঠ?

  • উচ্চ পর্যায়ের সফরের জন্য হেলিপ্যাড নির্মাণ হলে কংক্রিট সেটিং/লোড টেস্ট আগে করে নেয়া প্রয়োজন।
  • অল্প সময়ে তৈরি অস্থায়ী অবকাঠামোর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নিরাপত্তা/ইনস্পেকশন বাধ্যতামূলক হওয়া দরকার।
  • ঘটনার ভিডিও সংরক্ষণ ও সঠিক টেকনিক্যাল অডিট রিপোর্ট দ্রুত প্রকাশ করা উচিত যাতে ভবিষ্যতে অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেয়া যায়।
সম্পাদকীয় নোট:

এই প্রতিবেদনটি সংবাদ সংস্থার ভিডিও এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিলিজ ভিত্তিক—ঘটনা, স্থান ও সময় সম্পর্কে প্রতিবেদনগুলো এসেছে সরাসরি সংবাদসূত্র থেকে। মূল প্রতিবেদনগুলো দেখুন।

রিপোর্ট: স্থানীয় সংবাদদাতা • সম্পাদক: নিউজরুম
উৎস (মুখ্য):
  • India Today — ভিডিও রিপোর্ট ও বিবরণ।
  • NDTV — সাইটে সংযুক্ত ভিডিও ও নিরাপত্তা বিবরণ।
  • Business Standard — জেলা প্রশাসনের কংক্রিট-বিষয়ক বিবরণ।
  • LiveMint — ঘটনাচিত্র ও পর্যালোচনা। 14
  • Gulf News / আন্তর্জাতিক সারাংশ।

বিশ্বের সর্বাধিক দূষিত শহরের শীর্ষে দিল্লি — IQAir রিপোর্ট ২০২৫

বিশ্বের সর্বাধিক দূষিত শহরের শীর্ষে দিল্লি — IQAir রিপোর্ট ২০২৫

বিশ্বের দূষিত শহরের শীর্ষে দিল্লি

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৫ | সূত্র: IQAir রিপোর্ট
দিল্লির দূষণে ঢেকে থাকা আকাশ
দিল্লির সকালে ধোঁয়া ও কুয়াশার চাদর (ফটো: প্রতীকী)

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক এয়ার কোয়ালিটি ফার্ম IQAir-এর প্রকাশিত সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে, বিশ্বের সর্বাধিক দূষিত শহর হিসাবে শীর্ষে উঠে এসেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির বায়ুতে PM2.5 কণার মাত্রা এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-র নির্ধারিত নিরাপদ সীমার ২০ গুণেরও বেশি। এ তালিকায় ভারতের আরও দুই শহর— মুম্বইকলকাতা— রয়েছে যথাক্রমে পঞ্চম ও অষ্টম স্থানে।

IQAir রিপোর্টের মূল তথ্য
  • বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় দিল্লি ১ নম্বরে।
  • মুম্বই পঞ্চম এবং কলকাতা অষ্টম স্থানে।
  • দিল্লির PM2.5 মাত্রা WHO গাইডলাইন থেকে ২০ গুণ বেশি।
  • বায়ুদূষণজনিত কারণে প্রতিবছর ভারতে ১৫ লক্ষাধিক মানুষের মৃত্যু হয় (গবেষণা অনুসারে)।

দিল্লির বায়ু এত দূষিত কেন?

দিল্লির বায়ুদূষণের কারণ একাধিক। শহরটি ঘিরে থাকা পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় ফসল কাটার পরে ব্যাপক হারে স্টাবল বার্নিং বা খড় পোড়ানো হয়। এতে বায়ুমণ্ডলে বিশাল পরিমাণ ধোঁয়া ও ক্ষুদ্র কণা ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি দিল্লির নিজস্ব যানবাহনের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে— প্রতিদিন প্রায় এক কোটি যান শহরের রাস্তায় চলে। যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলিকণা, কারখানার ধোঁয়া এবং শীতকালে তাপমাত্রা কমে বাতাসের গতি হ্রাস— সব মিলিয়ে বায়ুতে ক্ষতিকর কণার ঘনত্ব বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীত আসলেই দিল্লির উপরে এক ধরনের "ধোঁয়াচ্ছন্ন ছাদ" তৈরি হয় যা দূষণকে আটকে রাখে। ফলে শহরের আকাশ কালচে ধূসর রঙে ঢেকে যায় এবং নাগরিকদের শ্বাস-প্রশ্বাসে মারাত্মক সমস্যা তৈরি করে।

মুম্বই ও কলকাতার অবস্থাও উদ্বেগজনক

মুম্বই— ভারতের অর্থনৈতিক রাজধানী—ও এখন বায়ু দূষণের বড় শিকার। গাড়ির ধোঁয়া, নির্মাণকাজ ও সমুদ্রতীরবর্তী শিল্পাঞ্চল থেকে নির্গত ধোঁয়া সেখানে দূষণের বড় উৎস। একইভাবে কলকাতায় শীতকালে PM2.5 এবং নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। ট্র্যাফিক, পুরনো ডিজেলচালিত যানবাহন, ইটভাটা ও শিল্প এলাকা থেকে নির্গমন শহরের বায়ুমান নষ্ট করছে।

স্বাস্থ্যের ওপর বিপর্যয়কর প্রভাব

চিকিৎসকদের মতে, বায়ু দূষণ বর্তমানে ভারতের অন্যতম প্রধান ‘নীরব ঘাতক’। দীর্ঘমেয়াদে দূষিত বায়ু শ্বাসযন্ত্রের মারাত্মক রোগ যেমন— ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস, অ্যাজমা, COPD— বাড়ায়। শিশুদের ফুসফুসের বিকাশ ব্যাহত হয়, গর্ভবতী নারীদের গর্ভস্থ শিশুর উপরও এর প্রভাব পড়ে। এছাড়া হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও ক্যানসারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

বিশ্বব্যাপী গবেষণা অনুসারে, প্রতি বছর শুধুমাত্র ভারতেই বায়ুদূষণজনিত কারণে ১৫ লক্ষাধিক মানুষ অকালে প্রাণ হারান। এর মধ্যে দিল্লির অবদান সবচেয়ে বেশি। অনেক পরিবারই শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা, মাথাব্যথা ও চর্মরোগে ভুগছেন।

সরকারি পদক্ষেপ ও তার সীমাবদ্ধতা

দূষণ রোধে দিল্লি সরকার ও কেন্দ্র যৌথভাবে GRAP (Graded Response Action Plan) চালু করেছে। এর আওতায় স্কুল বন্ধ, নির্মাণকাজে নিষেধাজ্ঞা, ডিজেল গাড়ি চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ও শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন কমানোর মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি নাগরিকদের public transport ব্যবহার ও গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পদক্ষেপ অনেক সময় "অস্থায়ী" সমাধান হিসেবে দেখা হয়। মূল সমস্যাগুলির মধ্যে— ফসল পোড়ানো, পুরনো গাড়ির চলাচল ও দূষণ নিরীক্ষার দুর্বলতা— এখনো রয়ে গেছে। শীত শেষে এই প্রচেষ্টা প্রায়ই ঢিলে হয়ে যায়।

জনসচেতনতা ও নাগরিক করণীয়

  • বায়ু মান সূচক (AQI) প্রতিদিন দেখে বাইরে বেরোন।
  • বাইরে কাজের সময় N95 বা FFP2 মাস্ক ব্যবহার করুন।
  • ঘরে HEPA ফিল্টারযুক্ত এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন।
  • গাছ লাগান ও অপ্রয়োজনে গাড়ি ব্যবহার কমান।
  • ধূমপান বর্জন করুন, কারণ তা ঘরের ভিতরের বায়ুকেও দূষিত করে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ দিক

পরিবেশবিদরা বলছেন, ভারতের এই পরিস্থিতি কেবল দেশীয় নয়, বৈশ্বিক উদ্বেগের কারণ। কারণ ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জনসংখ্যার দেশ। এখানে বায়ুদূষণ বাড়লে তা দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক আবহাওয়া ও জলবায়ুকেও প্রভাবিত করতে পারে। ইউএন ও বিশ্বব্যাঙ্ক ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে যে, বায়ুদূষণ যদি এই হারে বাড়তে থাকে, তবে ভারতের অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা আগামী দশকে ৯% পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

পরিবেশবিদরা আরও পরামর্শ দিচ্ছেন যে, শহর পরিকল্পনা, সবুজ এলাকা বৃদ্ধি, পরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের দিকেই মনোযোগ দিতে হবে। সেই সঙ্গে আন্তঃরাজ্য পর্যায়ে কৃষিক্ষেত্রে বিকল্প ফসল অবশিষ্ট ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে পোড়ানোর দরকার না পড়ে।

উপসংহার

বিশ্বের সর্বাধিক দূষিত শহরের তালিকায় দিল্লির শীর্ষে অবস্থান কেবল এক শহরের নয়, বরং গোটা দক্ষিণ এশিয়ার পরিবেশ সংকটের প্রতীক। মুম্বই ও কলকাতার অবস্থানও দেখিয়ে দিচ্ছে যে ভারতের শহরগুলো এখন বায়ু দূষণের এক জটিল বাস্তবতার মুখে দাঁড়িয়ে।

দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার, নাগরিক, শিল্প ও কৃষি— সকলেরই যৌথ দায়িত্ব রয়েছে। এখনই যদি দৃঢ় পদক্ষেপ না নেওয়া যায়, তবে আগামী প্রজন্মের জন্য শ্বাস নেওয়াই হয়ে উঠবে বিলাসিতা।

সূত্র: IQAir রিপোর্ট ২০২৫, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), ভারতের পরিবেশ মন্ত্রক।

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৫

Sunday, 19 October 2025

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারা অনুপ্রাণিত শোভন চট্টোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বীকৃতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারা অনুপ্রাণিত শোভন চট্টোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বীকৃতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারা অনুপ্রাণিত শোভন চট্টোপাধ্যায়, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বীকৃতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও শোভন চট্টোপাধ্যায় সাক্ষাৎ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন জল্পনা শুরু করেছেন প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়ে এনকেডিএ (NKDA) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার পর এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানালেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিন্তাধারাই তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমি দু’দিন আগেও দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছি। সেখানে এসব প্রসঙ্গ আসেনি।” তারপরই অভিষেকের সঙ্গে নিজের সাক্ষাৎ প্রসঙ্গ টেনে আনেন শোভন। তাঁর কথায়, “অভিষেকের সঙ্গে পুজোর আগে যখন ২৫ তারিখে বসেছিলাম, যে দৃষ্টিভঙ্গি আমি অভিষেকের দেখেছিলাম, যে পরিণত অভিষেককে আমি দেখেছিলাম, এটা শেখার জিনিস। আমি বয়সে বড় মানে, আমি সবটাই জানি, তা নয়। একজন যুবক যে বাস্তবিক দৃষ্টি ও জ্ঞানবোধ নিয়ে চলে, সেটা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে।”

তথ্যবক্স:
🔹 পদ: এনকেডিএ চেয়ারম্যান
🔹 প্রেরণার উৎস: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
🔹 রাজনৈতিক অবস্থান: তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ, তবে ‘ফ্ল্যাগহীন’ রাজনীতি
🔹 মন্তব্য: “বিজেপিতে যাওয়া ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।”
🔹 সাক্ষাৎ: দার্জিলিঙে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠক

প্রসঙ্গত, শোভন পুজোর আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। অভিষেকও সেই বৈঠকে সম্মতি দেন। তবে ঘটনাচক্রে, শোভন-অভিষেকের বৈঠকের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে কলকাতা জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল রেকর্ড বৃষ্টিতে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন একাধিক মানুষ। তখন মেয়রের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল বিরোধীরা।

এই সময়েই শোভন-অভিষেক বৈঠক রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই বৈঠক ছিল রাজনৈতিকভাবে ‘ইঙ্গিতবাহী’। এতে মেয়রের ওপর চাপও বেড়েছিল বলে দাবি করেন অনেকে।

২০২৩ সালের একুশে জুলাইয়ের তৃণমূলের সভায় মঞ্চে শোভনের উপস্থিতি নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছিল। এরপর ২০২৪ সালের একুশের মঞ্চেও দেখা মেলে তাঁর। এমনকি ভাইফোঁটার সময় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতেও হাজির হন তিনি। তৃণমূল মহলে তখন থেকেই প্রশ্ন ওঠে— তাহলে কি শোভনের কামব্যাক ঘনিয়ে আসছে?

সম্প্রতি দার্জিলিঙে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ বৈঠক এবং এনকেডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে পদপ্রাপ্তি ফের সেই জল্পনাকে উস্কে দিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে তাঁকে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে শোভন বলেন, “আমার হাতে এখন কোনও ফ্ল্যাগ নেই। রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও আমাকে সক্রিয়ভাবে দেখেননি কেউ। তাই সক্রিয়-নিষ্ক্রিয় প্রসঙ্গ তোলা হচ্ছে। কিন্তু আমি জানি, রাজনীতিতে আমি কতটা সক্রিয় ছিলাম। বিজেপিতে যাওয়া ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ব্লান্ডার।”

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, শোভনের প্রশাসনিক পদে প্রত্যাবর্তন আসলে তাঁর রাজনৈতিক পুনর্বাসনের সূচনা মাত্র। দলীয় সূত্র বলছে, শোভন যদি ভবিষ্যতে ফের সক্রিয় রাজনীতিতে নামেন, তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

📅 সর্বশেষ আপডেট: ১৯ অক্টোবর ২০২৫

Saturday, 18 October 2025

যুদ্ধ! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অ্যাকশনআফগানিস্তান–পাকিস্তান সীমান্তে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের কঠোর পদক্ষেপে। যুদ্ধবিরতির পরও পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আফগান কর্মকর্তাদের দাবি, এই হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজন ক্লাব ক্রিকেটার রয়েছেন। এছাড়া ৭ জন ক্রিকেটারের অবস্থা গুরুতর এবং তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।আফগানিস্তানের প্রতিক্রিয়াআফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে সংযুক্ত আফগান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে আর কখনও ক্রিকেট ম্যাচ খেলবে না। সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা টি-২০ ত্রিদেশীয় সিরিজেও আফগান দল অংশ নেবে না। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, "আমাদের খেলোয়াড় ও দেশের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে। পাকিস্তানের সঙ্গে খেলাটা এখন অসম্ভব।"আফগান ক্রিকেটার ও কোচদের পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন। অনেকেই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় জানিয়েছেন, হামলার পর খেলোয়াড়রা মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, তারা নিরাপদ স্থানে খেলোয়াড়দের সরিয়ে নিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।পাকিস্তানের পাল্টা দাবিপাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হাফিজ গুল বাহাদুর জানিয়েছে, আফগান হামলায় পাকিস্তানের ৭০ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, "আমরা সীমান্তে নিরাপত্তা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিচ্ছি। হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের সাথে পরবর্তী সব খেলাধুলা কার্যক্রম বাতিল করা আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।"পাকিস্তান–আফগান সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা বিদ্যমান। দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত ও সীমান্ত নিয়ে সমস্যা নতুন নয়। তবে এবার ক্রিকেটের মতো ক্রীড়াক্ষেত্রও রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার শিকার হলো। আফগানিস্তান–পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক বিমান হামলার ঘটনা এই সম্পর্ককে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াআন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) এবং বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ড এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা উভয় পক্ষকে সংযম এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আফগানিস্তান–পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ স্থগিত হলে ক্রিকেট বিশ্বকে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে, বিশেষ করে টি-২০ সিরিজ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে।আফগানিস্তান সরকার বলেছে, "আমরা দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও আপস করব না। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক এখন স্থগিত।" তাদের এই কঠোর পদক্ষেপ পাকিস্তান ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রদায়ের কাছে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে।শেষ কথাএবারের সংঘাত কেবল সামরিক বা রাজনৈতিক নয়, ক্রীড়াক্ষেত্রেও তা প্রভাব ফেলেছে। আফগান ক্রিকেট বোর্ডের পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত এই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় খুলছে। বিশ্ব ক্রিকেট সম্প্রদায় এখন অপেক্ষা করছে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কবে শান্ত হবে এবং ক্রিকেট কবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

যুদ্ধ! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অ্যাকশন

আফগানিস্তান–পাকিস্তান সীমান্তে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের কঠোর পদক্ষেপে। যুদ্ধবিরতির পরও পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভেতরে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। আফগান কর্মকর্তাদের দাবি, এই হামলায় অন্তত ৮ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজন ক্লাব ক্রিকেটার রয়েছেন। এছাড়া ৭ জন ক্রিকেটারের অবস্থা গুরুতর এবং তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রতিক্রিয়া

আফগানিস্তান সরকারের সঙ্গে সংযুক্ত আফগান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে আর কখনও ক্রিকেট ম্যাচ খেলবে না। সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা টি-২০ ত্রিদেশীয় সিরিজেও আফগান দল অংশ নেবে না। ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, "আমাদের খেলোয়াড় ও দেশের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ প্রাধান্য পাবে। পাকিস্তানের সঙ্গে খেলাটা এখন অসম্ভব।"

আফগান ক্রিকেটার ও কোচদের পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন। অনেকেই আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় জানিয়েছেন, হামলার পর খেলোয়াড়রা মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, তারা নিরাপদ স্থানে খেলোয়াড়দের সরিয়ে নিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

পাকিস্তানের পাল্টা দাবি

পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে পাল্টা দাবি করা হয়েছে। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হাফিজ গুল বাহাদুর জানিয়েছে, আফগান হামলায় পাকিস্তানের ৭০ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, "আমরা সীমান্তে নিরাপত্তা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিচ্ছি। হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের সাথে পরবর্তী সব খেলাধুলা কার্যক্রম বাতিল করা আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত।"

পাকিস্তান–আফগান সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা বিদ্যমান। দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত ও সীমান্ত নিয়ে সমস্যা নতুন নয়। তবে এবার ক্রিকেটের মতো ক্রীড়াক্ষেত্রও রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার শিকার হলো। আফগানিস্তান–পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেছে, কিন্তু সাম্প্রতিক বিমান হামলার ঘটনা এই সম্পর্ককে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) এবং বিভিন্ন দেশের ক্রিকেট বোর্ড এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা উভয় পক্ষকে সংযম এবং আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আফগানিস্তান–পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ স্থগিত হলে ক্রিকেট বিশ্বকে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে, বিশেষ করে টি-২০ সিরিজ ও আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে।

আফগানিস্তান সরকার বলেছে, "আমরা দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে কোনও আপস করব না। পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক এখন স্থগিত।" তাদের এই কঠোর পদক্ষেপ পাকিস্তান ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্প্রদায়ের কাছে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

এবারের সংঘাত কেবল সামরিক বা রাজনৈতিক নয়, ক্রীড়াক্ষেত্রেও তা প্রভাব ফেলেছে। আফগান ক্রিকেট বোর্ডের পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত এই সম্পর্কের নতুন অধ্যায় খুলছে। বিশ্ব ক্রিকেট সম্প্রদায় এখন অপেক্ষা করছে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কবে শান্ত হবে এবং ক্রিকেট কবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে।

বাংলাদেশে অপ্রতিরোধ্য জামাত

বাংলাদেশে অপ্রতিরোধ্য জামাত: বিশ্ববিদ্যালয়ে জয় | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

বাংলাদেশে অপ্রতিরোধ্য জামাত: বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি ও ইসলামি ছাত্রশিবির

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করেছে জামাতের ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্রশিবির।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দৃশ্যপটে জামায়াতে ইসলামি বা জামাতকে দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় অপ্রতিরোধ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। শেখ হাসিনার জমানায় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার কারণে এই দলটি সরকারি স্বীকৃতি হারিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনা ও ছাত্র রাজনীতির প্রেক্ষাপটে জামাত ধীরে ধীরে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে শুরু করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্রশিবির জয়লাভ করেছে। এটি দেখাচ্ছে যে, দলটি এখন এক ধাপ এগিয়ে, এবং বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে ইসলামী মূল্যবোধ ও নীতি অনুসরণ করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সমর্থন বাড়াচ্ছে। জামাতের ছাত্র সংগঠন তাদের ঐক্যবদ্ধ কার্যক্রম এবং নির্বাচনী কৌশলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে শক্ত প্রভাব তৈরি করতে পেরেছে।

📌 তথ্যবক্স:
🏛️ বিশ্ববিদ্যালয়: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
🎓 ছাত্রসংগঠন: ইসলামি ছাত্রশিবির
🗳️ ফলাফল: কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়
⚖️ পূর্ব ইতিহাস: মুক্তিযুদ্ধ বিরোধিতার কারণে স্বীকৃতি হারানো দল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে জয়ী হওয়া ইসলামি ছাত্রশিবিরকে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ছাত্ররাজনীতিতে এ ধরনের জয় ভবিষ্যতে দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে পারে।

অন্যদিকে, সরকারের সমালোচকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, জামাতের ছাত্র সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক মনোভাব প্রভাবিত করতে পারে। তবে এই ধরনের ছাত্ররাজনীতিতে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের জন্য অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র হিসেবেও দেখা হয়।

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে ইসলামী মূল্যবোধের গুরুত্ব এবং রাজনৈতিক দলগুলোর প্রভাব নতুন করে সংজ্ঞায়িত হচ্ছে। জামাত এবং ইসলামি ছাত্রশিবিরের এই জয় দেশের বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিতে তাদের অবস্থান আরও দৃঢ় করছে।

📅 সর্বশেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৫

চ্যাপলিনের ভক্ত জিৎ: জীবনের অনুপ্রেরণায় হাসির শক্তি

চ্যাপলিনের ভক্ত জিৎ: জীবনের অনুপ্রেরণায় হাসির শক্তি | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

চ্যাপলিনের ভক্ত জিৎ: জীবনের অনুপ্রেরণায় হাসির শক্তি

অভিনেতা জিৎ ও চার্লি চ্যাপলিনের ছবি

অভিনেতা জিৎ তাঁর অফিসে চার্লি চ্যাপলিনের ছবি ও উক্তিতে সাজিয়েছেন দেওয়াল।

বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক জিৎ জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও হাল ছাড়েন না। তাঁর কাছে চার্লি চ্যাপলিন শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং একজন জীবনদর্শনজ্ঞ ও অনুপ্রেরণার প্রতীক। জিৎ জানিয়েছেন, চার্লি চ্যাপলিনের সিনেমা এবং দর্শন তাঁকে শিখিয়েছে কীভাবে জীবনের কঠিন মুহূর্তে হাল ছাড়া উচিত নয়।

জিৎ বলেন, "চ্যাপলিনের সিনেমা শুধু বিনোদন নয়, জীবনের গভীর পাঠ শেখায়। হাসি মানুষের জীবনে এক অনন্য শক্তি যা শোক, দুঃখ ও হতাশা দূর করতে পারে।"

অভিনেতা জিৎ তাঁর অফিসে চ্যাপলিনের উক্তি এবং ছবির মাধ্যমে একটি আলাদা পরিবেশ তৈরি করেছেন। অফিসের দেওয়ালগুলোতে চ্যাপলিনের নানা উক্তি, সিনেমার দৃশ্য এবং তাঁর হাসি সংরক্ষিত ছবি রয়েছে। এগুলো দেখলে যে কেউ অনুপ্রাণিত হতে বাধ্য। জিৎ বিশ্বাস করেন, এই ধরনের ভিজ্যুয়াল প্রেরণা শুধু শিল্পী জীবন নয়, সাধারণ মানুষের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

জিৎ জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ যেমন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সফল হওয়া, পরিবারের দায়িত্ব পালন এবং সামাজিক কাজের সঙ্গে জড়িত, তার মধ্যে চ্যাপলিনের দর্শনই তাঁকে মানসিক শক্তি দিয়েছে। তিনি বলেন, "যখন জীবন কঠিন মনে হয়, তখন চ্যাপলিনের হাসি মনে করিয়ে দেয় যে, সবকিছুই অতিক্রমযোগ্য।"

📽️ তথ্যবক্স:
🎬 নাম: জিৎ (অভিনেতা ও প্রযোজক)
🕊️ প্রেরণা: চার্লি চ্যাপলিন
💬 মন্তব্য: “হাসিই জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি।”
🏢 অফিস: চ্যাপলিনের ছবি ও উক্তিতে সাজানো দেওয়াল
📅 আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৫

জিৎ শুধু নিজের জন্য নয়, তাঁর কাছের মানুষদেরও প্রেরণা দিতে চান। তিনি নিয়মিত বন্ধু এবং সহকর্মীদের উৎসাহ দেন চ্যাপলিনের দর্শন থেকে শেখার জন্য। তাঁর মতে, মানুষ যদি জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তে হাসি রাখতে শিখে, তবে বড় বিপদও সহজে মোকাবিলা করা সম্ভব।

চ্যাপলিনের দর্শনের মধ্যে আছে মানবিকতা, সমবেদনা, আত্মবিশ্বাস এবং সংকটকালীন সময়ে ধৈর্যধারণের গুরুত্ব। জিৎ এই গুণাবলিকে নিজের জীবনে প্রয়োগ করেছেন। তিনি বলেন, "একজন শিল্পী হোক বা সাধারণ মানুষ হোক, জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য ধৈর্য, হাসি এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি অপরিহার্য।"

জিতের ফ্যানরা জানিয়েছেন যে, তিনি তার অফিসে চ্যাপলিনের ছবির সামনে বসে অনেক সময়ই আত্মসমালোচনা ও মানসিক প্রশান্তি পেয়ে থাকেন। শুধু তাই নয়, তিনি অভিনেতা জীবনেও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চ্যাপলিনের দর্শন অনুসরণ করেন।

চ্যাপলিনের মতো শিল্পীর জীবন দর্শন মানুষকে শুধু অনুপ্রাণিত করে না, বরং শেখায় যে হাসি এবং ধৈর্য জীবনের কঠিন সময়েও শক্তি যোগায়। জিৎ এই দর্শনকে জনপ্রিয় করার পাশাপাশি সমাজেও ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, "আমরা যত বেশি হাসি ও ইতিবাচকতা ছড়াই, সমাজ তত বেশি আনন্দময় হবে।"

জিৎ-এর এই উদ্যোগ কেবল টলিউডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কার্যক্রমেও প্রতিফলিত হয়। তিনি বিভিন্ন শিশু, যুবক ও শিক্ষার্থীকে মানসিক দৃঢ়তা এবং ধৈর্যের শিক্ষা দিতে এই দর্শন ব্যবহার করেন।

এভাবে, জিৎ চ্যাপলিনের দর্শনের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্ব, সামাজিক দায়িত্ব এবং পেশাগত জীবনকে একত্রিত করে চলেছেন। তাঁর জীবনের এই গল্প নতুন প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস।

📅 সর্বশেষ আপডেট: ১৮ অক্টোবর ২০২৫

টোটো রেজিস্ট্রেশনে লাগবে কোন কোন নথি? জেনে নিন বিস্তারিত

টোটো রেজিস্ট্রেশনে লাগবে কোন কোন নথি? জেনে নিন বিস্তারিত

টোটো রেজিস্ট্রেশনে লাগবে কোন কোন নথি?

আপডেট: | প্রতিবেদক: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
ইলেকট্রিক টোটো
ছবি: রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় টোটো চলাচল (প্রতীকী ছবি)

কলকাতা: রাজ্যের সমস্ত টোটো মালিকদের জন্য বড় ঘোষণা। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সমস্ত টোটো রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে রাজ্য পরিবহন দপ্তর। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন না করলে টোটোর বৈধতা বাতিল হবে বলে জানানো হয়েছে।

পরিবহন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের প্রায় ২ লক্ষ টোটো এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয়নি। এই কারণে সড়ক নিরাপত্তা, যাত্রী বিমা ও আইন প্রয়োগে নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। তাই এবার কঠোর পদক্ষেপে নামছে প্রশাসন।

🧾 মালিকের নথি যা লাগবে:

  • আধার কার্ড
  • প্যান কার্ড
  • ঠিকানার প্রমাণপত্র (ভোটার কার্ড / রেশন কার্ড / বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি)
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি

🚗 গাড়ির নথি যা লাগবে:

  • গাড়ি কেনার চালান (Invoice)
  • ইঞ্জিন নম্বর ও চেসিস নম্বর
  • গাড়ির স্পষ্ট ছবি

📱 অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য:

  • একটি বৈধ মোবাইল নম্বর (যেখানে OTP আসবে)
  • একটি সক্রিয় ইমেল আইডি (ঐচ্ছিক, তবে সুপারিশকৃত)

রাজ্য পরিবহন দপ্তর জানিয়েছে, প্রতিটি জেলার নির্দিষ্ট RTO অফিস ও অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। টোটোর বৈধ নম্বরপ্লেট, লাইসেন্স ও বিমা না থাকলে ১ ডিসেম্বরের পর থেকে রাস্তায় চলাচল করলে জরিমানা বা গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।

পরিবহন সচিব বলেন, “রাজ্যে টোটো এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহন। তাই প্রতিটি টোটোকে বৈধভাবে নিবন্ধিত করা হচ্ছে যাতে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।”

সরকারের এই উদ্যোগে প্রশাসন আশা করছে, রাজ্যের প্রতিটি টোটো আগামী এক মাসের মধ্যে বৈধ পরিচয়পত্র পাবে, যা ভবিষ্যতে টোটো মালিক ও যাত্রী—উভয়ের জন্যই উপকারী হবে।

হ্যাশট্যাগ:
#TotoRegistration #WestBengalTransport #TotoOwners #ElectricToto #VehicleDocuments #YBanglaDigital #পরিবহনদপ্তর #টোটোরেজিস্ট্রেশন #পশ্চিমবঙ্গ #যানবাহননিবন্ধন

© ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো — এই প্রতিবেদনটি কপি রাইট মুক্ত। প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারেন।

পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল আফগানিস্তান

পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল আফগানিস্তান — খাজা আসিফের দাবি ঘিরে কূটনৈতিক ঝড়

পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল আফগানিস্তান

আপডেট: | প্রতিবেদক: Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো
আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা

ইসলামাবাদ, ১৮ অক্টোবর: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ দাবি করেছেন, আফগানিস্তানের তালিবান বর্তমানে ভারতের হয়ে 'প্রক্সি যুদ্ধ' (Proxy War) লড়ছে। তাঁর এই মন্তব্যের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আফগানিস্তান ও ভারতের পক্ষ থেকে এই দাবি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা হয়েছে।

খাজা আসিফ সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে বলেন, “আফগানিস্তানের ভেতরে ভারতের প্রভাব বাড়ছে। তালিবান ভারতের হয়ে কাজ করছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।” তাঁর এই বক্তব্য পাকিস্তানের অভ্যন্তরেও ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্যে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে।

তবে আফগানিস্তানের প্রাক্তন সাংসদ ও মানবাধিকারকর্মী মরিয়ম সোলাইমানখিল খাজা আসিফের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “যথেষ্ট নাটক হয়েছে। পাকিস্তান কখনও আফগানদের বন্ধু ছিল না। বরং পাকিস্তানই বছরের পর বছর ধরে আফগানদের ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লাভ করেছে। আশ্রয় দেওয়ার নামে আফগান শরণার্থীদের কাছ থেকে সস্তা শ্রম, আন্তর্জাতিক তহবিল ও কূটনৈতিক সুবিধা আদায় করেছে পাকিস্তান।”

মূল পয়েন্টসমূহ:
  • পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের দাবি—তালিবান ভারতের হয়ে কাজ করছে।
  • আফগান প্রাক্তন সাংসদ মরিয়ম সোলাইমানখিলের পাল্টা মন্তব্য—পাকিস্তানই আফগানদের শোষণ করেছে।
  • ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আসিফের দাবিকে “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন” বলে জানিয়েছে।
  • বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে দেশটির বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, পাকিস্তান নিজস্ব ব্যর্থতা ঢাকতে সবসময়ই ভারতকে দোষারোপ করে। “আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে পাকিস্তানের মন্তব্য সম্পূর্ণ অযৌক্তিক,” বলেন তিনি।

বিশ্ব বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিবৃতিগুলি দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতাকে আরও জটিল করে তুলছে। ইতিমধ্যেই আফগান-পাক সীমান্তে গুলিবিনিময় ও বাণিজ্যিক অচলাবস্থার কারণে উত্তেজনা বাড়ছে। দুই দেশের নাগরিকরাও একে অপরের প্রতি অবিশ্বাস প্রকাশ করছেন।

আফগান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তালিবান সরকারের মুখপাত্রও পাকিস্তানের মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেন, “আফগানিস্তান কোনও দেশের প্রক্সি নয়। আমরা স্বাধীন দেশ এবং আমাদের নিজস্ব নীতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিই।”

সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোড়ন ফেলেছে এই বিতর্ক। আন্তর্জাতিক কূটনীতিকরা সতর্ক করে বলেছেন, ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে সম্পর্ক যতদিন বিশ্বাসের ঘাটতিতে থাকবে, ততদিন সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হবে।

এই প্রতিবেদনটি কপি রাইট মুক্ত এবং Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো-এর

© ২০২৫ | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

Friday, 17 October 2025

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাকরির ঘোষণা: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাকরির ঘোষণা: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের নিয়োগ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীপুজো চাকরির ঘোষণা: ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন আশার আলো

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীপুজো উদ্বোধনী মঞ্চে
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কালীপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চে। ছবি: সংবাদ সংস্থা

কালীপুজোর উদ্বোধনী মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক বিশেষ ঘোষণা করেন, যা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নতুন আশার আলো হয়ে উঠেছে। কলকাতায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত ও দার্জিলিংয়ে ধস-বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৪টি পরিবারের একজন করে সদস্যকে 'হোমগার্ড ভলান্টিয়ার' পদে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই পদে নিয়োগ শুধু কর্মসংস্থান নিশ্চিত করছে না, বরং পরিবারগুলিকে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় নিয়ে আসছে।

নিয়োগ প্রক্রিয়া ও বিস্তারিত

শুক্রবার কলকাতায় সরাসরি ১১ জনকে নিয়োগপত্র হাতে তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দার্জিলিংয়ের তিনজনকে ভার্চুয়ালি নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়েছে। এই পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা বিভিন্ন হোমগার্ড সংক্রান্ত দায়িত্বে কাজ করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করবেন।

নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য:
  • নিয়োগের পদ: হোমগার্ড ভলান্টিয়ার
  • ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সংখ্যা: ১৪
  • কলকাতায় সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত: ১১ জন
  • দার্জিলিংয়ে ভার্চুয়ালি নিয়োগপ্রাপ্ত: ৩ জন
  • প্রদত্ত আর্থিক সাহায্য: ২ লক্ষ টাকা প্রতি পরিবার

প্রতিবাদ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পরিস্থিতি

কলকাতা এবং দার্জিলিংয়ে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার ফলে বহু পরিবার ভেঙে পড়েছিল। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ও ধস-বন্যার ঘটনায় নিহতদের পরিবারগুলো প্রাথমিকভাবে মানসিক ও আর্থিক চাপে পড়েছিল। রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য প্রদান করেছিল। এছাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও নিশ্চিত করা হয়েছিল।

রাজ্য সরকারের উদ্যোগ ও লক্ষ্য

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এই পদে নিয়োগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি তারা সরকারি কর্মক্ষেত্রে যোগদানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে পারবে। রাজ্য সরকার আশা করছে, হোমগার্ড ভলান্টিয়াররা স্থানীয় জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

পরিবারের প্রতিক্রিয়া

নিয়োগপ্রাপ্তদের পরিবাররা এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। অনেকেই জানিয়েছেন যে এটি শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং তাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য বড় একটি সুযোগ। একজন পরিবার প্রধান বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উদ্যোগ আমাদের জীবনে নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে।"

ভবিষ্যৎ প্রভাব

এই পদক্ষেপ রাজ্যের অন্যান্য দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের জন্যও এক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। হোমগার্ড ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আরও সুসংহত হবে। এছাড়া, এটি রাজ্যের সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামোকে শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যতে অনুরূপ দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি বাড়াবে।

আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৫ | রিপোর্টার: বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog