Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Thursday, 18 September 2025

ভারতের লক্ষ্য: বিশ্বের শীর্ষ ২০ ব্যাঙ্কের মধ্যে স্থান করে নেওয়া

ভারতের লক্ষ্য: বিশ্বের শীর্ষ ২০ ব্যাঙ্কের মধ্যে স্থান করে নেওয়া

ভারতের লক্ষ্য: বিশ্বের শীর্ষ ২০ ব্যাঙ্কের মধ্যে স্থান করে নেওয়া

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৪:০৯

ভারতীয় ব্যাঙ্কের লক্ষ্য

ভারত সরকার চাইছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২০ ব্যাঙ্কের মধ্যে অন্তত দুটি ভারতীয় ব্যাঙ্কের স্থান নিশ্চিত হোক।

বিশ্বের শীর্ষ ব্যাঙ্কের তালিকায় প্রথম ২০টি ব্যাঙ্কের মধ্যে ভারতীয় ব্যাঙ্কের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ব্যাঙ্কগুলির তালিকার ১০০টি ব্যাঙ্কের মধ্যে ইতিমধ্যেই দুটি ভারতীয় ব্যাঙ্ক রয়েছে। একটির নাম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) এবং অপরটি বেসরকারি ব্যাঙ্ক এইচডিএফসি (HDFC)।

ভারতীয় ব্যাঙ্কের অবস্থান

বিশ্বের শীর্ষ ৫০টি ব্যাঙ্কের মধ্যে একমাত্র ভারতীয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক হল এসবিআই। বৈশ্বিক র‌্যাঙ্ক অনুসারে সম্পদের দিক থেকে এটি ৪৭তম স্থানে রয়েছে। আর HDFC ব্যাঙ্কের সম্পদ তালিকার নীচের দিকে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশীয় ব্যাঙ্কগুলির পুঁজিবৃদ্ধি অপরিহার্য। আর্থিক স্বাস্থ্য ঠিক না থাকলে আমেরিকা, চিন বা ইউরোপের ব্যাঙ্কগুলির সঙ্গে পাল্লা দেওয়া কঠিন হবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির সংযুক্তিকরণ

সম্প্রতি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির সংযুক্তিকরণের ফলে তাদের আর্থিক স্বাস্থ্য আগের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল হয়েছে। আর্থিক পরিষেবা দফতের সচিব এম নাগরাজু মনে করছেন, দেশের আর্থিক বৃদ্ধিতে গতি আনা, উদ্ভাবনে জোর দেওয়া এবং সামগ্রিকভাবে আর্থিক পরিষেবায় নেতৃত্ব প্রদানের সময় এসেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির সংযুক্তিকরণের ফলে তাদের আর্থিক স্বাস্থ্য অনেক স্থিতিশীল হয়েছে।

'পিএসবি মন্থন' অনুষ্ঠান

দফতর আয়োজিত দু’দিনের ‘পিএসবি মন্থন’ অনুষ্ঠানে ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের আর্থিক বৃদ্ধিতে গতি আনা, উদ্ভাবনে জোর দেওয়া এবং সামগ্রিকভাবে আর্থিক পরিষেবায় জোর দেওয়ার মতো পদক্ষেপের কথা উঠে এসেছে। গ্রাহক পরিষেবা, ব্যাঙ্ক পরিচালনা, উদ্ভাবনী ধারণা, ঋণ বৃদ্ধি, ঝুঁকি সামলানো এবং উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের অংশ।

২০৪৭ সালের লক্ষ্য

কেন্দ্র ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২০টি ব্যাঙ্কের মধ্যে অন্তত একটি ভারতীয় ব্যাঙ্কের স্থান নিশ্চিত করতে চায়। এজন্য দেশে কমপক্ষে দুটি বিশ্বমানের ব্যাঙ্ক থাকা আবশ্যক। প্রধান আর্থিক কর্মকর্তারা মনে করছেন, দেশীয় ব্যাঙ্কগুলিকে আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলতে পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।

সংযুক্তিকরণের ইতিহাস

২০১৯ সালে সরকার কমপক্ষে ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ককে একত্রিত করে চারটি বৃহৎ ব্যাঙ্ক তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়। উদাহরণস্বরূপ, পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (PNB) ও ওরিয়েন্টাল ব্যাঙ্ক অফ কমার্স (OBC) এবং ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (UBI) সংযুক্ত হয়ে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাঙ্ক তৈরি হয়।

কানাড়া ব্যাঙ্ক ও সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক মিলে দেশের চতুর্থ বৃহত্তম ঋণদাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়। ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, অন্ধ্র ব্যাঙ্ক এবং কর্পোরেশন ব্যাঙ্ক জোট বাঁধার পর ভারতের পঞ্চম বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক সৃষ্টি হয়। এছাড়া ইলাহাবাদ ব্যাঙ্ককে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের সঙ্গে সংযুক্ত করে তা সপ্তম বৃহত্তম ব্যাঙ্কে পরিণত হয়।

ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের দ্বিতীয় ধাপ

২০১৭ সালে ভারতে ২৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ছিল। প্রথম ধাপের সংযুক্তিকরণের পরে দেশীয় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের সংখ্যা সাতটি বড় ও পাঁচটি ছোট ব্যাঙ্কে সীমিত হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপের সংযুক্তিকরণের মাধ্যমে ভারতের ব্যাঙ্কগুলিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতার যোগ্য করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও লক্ষ্য

২০৩৯ সালের মধ্যে ব্যাঙ্কগুলিকে অভ্যন্তরীণ পরিষেবার বদলে আন্তর্জাতিক পরিষেবা প্রদানে গুরুত্ব দিতে হবে। ২০৪০ সালের মধ্যে দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য প্রায় ৪.৫ লক্ষ কোটি ডলারের প্রয়োজন হবে। স্বাধীনতার ১০০ বছরে ‘বিকশিত ভারতের’ স্বপ্ন পূরণের জন্য দুটি বৃহৎ বিশ্বমানের ব্যাঙ্ক অপরিহার্য।

২০২৭ সালের মধ্যে লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভারতকে প্রতি বছর SBI-কে ৩.১–৩.৬% হারে ব্যবসা বৃদ্ধি করতে হবে। আন্তর্জাতিক ব্যাঙ্কের ব্যবসা বৃদ্ধির তুলনায় ভারতীয় ব্যাঙ্কগুলির লক্ষ্য বাড়ানো হয়েছে। SBI-র মোট সম্পদ ৮৭ হাজার কোটি ডলার, যা বিশ্বের ৪৩তম স্থানে। HDFC ব্যাঙ্কের মোট সম্পদ SBI-র অর্ধেকের কিছু বেশি।

চ্যালেঞ্জ ও পরামর্শ

বিশ্বমানের ব্যাঙ্ক গড়ে তোলার জন্য পরিচালনামূলক স্বায়ত্তশাসনের প্রয়োজন রয়েছে। তবে অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকায় পরিচালন বোর্ডের তদারকি জোরদার করতে হবে। স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং আন্তর্জাতিক মান অনুসারে নির্দেশিকা তৈরি করা অপরিহার্য। ব্যাঙ্কগুলিকে নিজস্ব পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও পুঁজিবৃদ্ধিতে নজর দিতে হবে। ঋণের ক্ষেত্রে বৈচিত্র আনাও গুরুত্বপূর্ণ।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

পুরুলিয়ায় ভুয়ো নিয়োগ প্রতারণা চক্র, সরকারি মেল আইডি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি

পুরুলিয়ায় ভুয়ো নিয়োগ প্রতারণা চক্র, সরকারি মেল আইডি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি

পুরুলিয়ায় ভুয়ো নিয়োগ প্রতারণা চক্র, সরকারি মেল আইডি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পুরুলিয়ায় ভুয়ো নিয়োগ প্রতারণা

শুশুনিয়া একলব্য মডেল রেসিডেনসিয়াল স্কুলে ভুয়ো সরকারি মেল আইডি ব্যবহার করে নিয়োগ প্রতারণার চক্রান্ত ধরা পড়েছে।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: পুরুলিয়ার শুশুনিয়া একলব্য মডেল রেসিডেনসিয়াল স্কুলে সম্প্রতি একটি চাঞ্চল্যকর প্রতারণার ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে। সরকারি দফতরের ভুয়ো মেল আইডি ব্যবহার করে একটি প্রতারণা চক্র স্কুল কর্তৃপক্ষ ও এক মহিলাকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ।

প্রথম ঘটনার বিবরণ

ঘটনাটি ঘটেছে ২৬ অগাস্ট। ঐশ্বর্য চন্দ্র নামে এক মহিলা নিয়োগপত্র হাতে নিয়ে স্কুলে হাজির হন। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে পূর্বে কোনও নির্দেশ না থাকায় তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তী দিন ২৮ অগাস্ট বিকেলে স্কুলের অফিসিয়াল মেল আইডি থেকে ওই মহিলার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি চিঠি আসে।

ভুয়ো মেল আইডি ও বিভ্রান্তি

ঘটনার কয়েক ঘন্টার মধ্যে উপজাতি উন্নয়ন দফতের নামে একটি ভুয়ো মেল আইডি তৈরি করা হয় এবং রাজ্যের প্রধান সচিবের নাম ব্যবহার করে ওই মহিলার নামে নিয়োগের নির্দেশ পাঠানো হয়। এটি বুঝতে পেরে স্কুল কর্তৃপক্ষ তৎক্ষণাৎ ঊর্ধ্বতন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে তারা নিশ্চিত হন, এটি সম্পূর্ণ ভুয়ো চিঠি।

স্কুল অফিস

স্কুলের অফিসিয়াল মেলে ভুয়ো চিঠি পাওয়ার পর কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেন।

পুলিশ তদন্ত

স্কুলের অধ্যক্ষ অজয় তিওয়ারি বোরো থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ইতিমধ্যেই বোরো থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এই প্রতারণা চক্রের হদিশ মেলাতে শিক্ষাবিদ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

শিক্ষক মহলে প্রভাব

নিয়োগ সংক্রান্ত এই প্রতারণার ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজ্যের শিক্ষক মহলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। ভুয়ো মেল আইডি ব্যবহার করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার চেষ্টা শিক্ষকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। শিক্ষকরা নিরাপদ ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বিগ্ন।

সারসংক্ষেপ

  • ভুয়ো সরকারি মেল আইডি ব্যবহার করে প্রতারণা চক্র স্কুল ও একজন মহিলাকে বিভ্রান্ত করেছে।
  • ২৬ ও ২৮ অগাস্টে দুটি ভুয়ো চিঠি পাঠানো হয়েছে।
  • স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঊর্ধ্বতন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ ও পুলিশের দ্বারস্থ হয়।
  • বোরো থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
  • শিক্ষক মহলে নিরাপদ ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

গৌতম আদানি গোষ্ঠীকে সেবি ক্লিনচিট, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত

গৌতম আদানি গোষ্ঠীকে সেবি ক্লিনচিট, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত

গৌতম আদানি গোষ্ঠীকে সেবি ক্লিনচিট, হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত

আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গৌতম আদানি

সেবি তদন্ত শেষে গৌতম আদানি ও তার গোষ্ঠীকে সব অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছে।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ভারতের বাজারে দুই বছর ধরে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ধনকুবের গৌতম আদানির সংস্থা, অবশেষে সব অভিযোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে। মার্কিন শেয়ার বিশ্লেষক সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ যে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছিল, তা ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়েছে। ভারতের বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি (Securities and Exchange Board of India) বিস্তারিত তদন্তের পর ক্লিনচিট দিয়েছে আদানি গোষ্ঠীকে।

হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ ও বাজারে প্রভাব

২০২৩ সালের ২৫ জানুয়ারি হিন্ডেনবার্গ একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এতে দাবি করা হয়, আদানি সংস্থা দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কারচুপি করে নিজেদের নথিভুক্ত সংস্থাগুলির শেয়ার দর বৃদ্ধি করেছে। পাশাপাশি, সেবির বিধি এড়িয়ে ভুঁইফোঁড় বিদেশি সংস্থার মাধ্যমে শেয়ার কিনে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

এই রিপোর্ট প্রকাশের পর দেশের অভ্যন্তরে তো বটেই, আন্তর্জাতিক বাজারেও তীব্র প্রভাব পড়ে। আদানি সংস্থার শেয়ার হু হু করে পড়তে থাকে, এবং বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তির তালিকায় তার অবস্থানও হঠাৎ কমে যায়। প্রাথমিকভাবে প্রায় ১৩ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয় সংস্থার।

সেবি তদন্ত ও ক্লিনচিট

আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পর সেবি তদন্ত শুরু করে। আড়াই বছরের অনুসন্ধানের পর বৃহস্পতিবার, সেবি পৃথকভাবে দুটি অংশে বিশদ বিবৃতি প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়েছে যে, আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগ ছিল—অভ্যন্তরীণ লেনদেন, বাজারে কারসাজি বা শেয়ারবাজারের নিয়ম লঙ্ঘন—সেগুলি সব ভিত্তিহীন।

হিন্ডেনবার্গের দাবি ছিল, আদানিরা অর্থ পাচারের জন্য কয়েকটি প্রাইভেট সংস্থা ব্যবহার করেছে। তবে সেবি জানায়, যে সময়ে ওই লেনদেন হয়েছিল, তখন সেই সময়ের আইন লঙ্ঘিত হয়নি। আইন পরে সংশোধিত হয়েছে। সেবি আরও নিশ্চিত করেছে যে, আদানি গোষ্ঠী সমস্ত ঋণ পরিশোধ করেছেন, বরাদ্দ অর্থ সঠিক কাজে ব্যবহার করেছেন এবং কোনো অনিয়ম হয়নি।

SEBI অফিস

সেবি অফিসে আড়াই বছরের তদন্ত শেষে প্রকাশিত ক্লিনচিট।

বিশেষজ্ঞ প্যানেলের অনুসন্ধান

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলও গঠন করা হয়েছিল। তাদের অনুসন্ধানও সেবির মতো ফলাফলের দিকে নির্দেশ করেছিল। তারা আদানির বিরুদ্ধে কোনও অনিয়মের প্রমাণ খুঁজে পায়নি।

গৌতম আদানির প্রতিক্রিয়া

সেবি ক্লিনচিট দেওয়ার পর গৌতম আদানি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘আমরা সবসময় বলে আসছি, হিন্ডেনবার্গের দাবি ভিত্তিহীন। এত দিনের তদন্তের পর সেবি-ও সেটাই বলল। স্বচ্ছতা এবং সততাই আদানি গোষ্ঠীর সম্পদ। এই ভুয়ো রিপোর্টটির জন্য যাঁদের ক্ষতি হয়েছে, যাঁরা টাকা হারিয়েছেন, আমরা তাঁদের জন্য গভীর ভাবে দুঃখিত। যাঁরা এভাবে ভুয়ো খবর ছড়ান, তাদের দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। ভারতের জনগণের প্রতি আমরা সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’

আর্থিক ও বাজারের প্রভাব

হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট প্রকাশের পর আদানি গোষ্ঠী প্রায় ১৩ লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল। সংস্থার শেয়ার বাজারে মান হ্রাস পেয়েছিল। তবে সেবির ক্লিনচিট ও বিশেষজ্ঞ প্যানেলের ফলাফলের পর, বাজারে আস্থা ফেরার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।

সারসংক্ষেপ

  • হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রমাণিত।
  • সেবি আড়াই বছরের তদন্ত শেষে ক্লিনচিট দিয়েছে।
  • বিশেষজ্ঞ প্যানেলও আদানির বিরুদ্ধে কোনও অনিয়মের প্রমাণ খুঁজে পায়নি।
  • আর্থিক ক্ষতি ও শেয়ার দর পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায়।
  • গৌতম আদানি স্বচ্ছতা ও সততার প্রমাণ দিয়েছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইকে সাফাই দিতে হল খাজুরাহো মামলায় মন্তব্যের বিতর্কে

প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইকে সাফাই দিতে হল খাজুরাহো মামলায় মন্তব্যের বিতর্কে

প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাইকে সাফাই দিতে হল খাজুরাহো মামলায় মন্তব্যের বিতর্কে

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই

প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই বিতর্কিত মন্তব্যের পর সাফাই দিতে হল

ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের খাজুরাহো জাভেরি মন্দিরে ৭ ফুট উঁচু বিষ্ণুমূর্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার মামলায় প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই যে মন্তব্য করেছিলেন, তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক ও ধর্মীয় মহলে অভিযোগ উঠেছে, বিচারপতির বক্তব্যে হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। তীব্র সমালোচনার মুখে প্রধান বিচারপতিকে সাফাই দিতে হয়েছে এবং বলেছেন, তিনি প্রত্যেক ধর্মকে সমানভাবে সম্মান করেন।

মামলার প্রেক্ষাপট

খাজুরাহো মন্দিরের জাভেরি অংশে ক্ষতিগ্রস্ত বিষ্ণুমূর্তিটি মুগল আমলে দানবতী ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য রাকেশ দেশাই নামের একজন ব্যক্তি আদালতে আবেদন জানান। তিনি জানান, মন্দির কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসন বারবার সমস্যার সমাধান চাইলেও কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বিষয়টি Archaeological Survey of India-এর নজরে আনা হয়।

মামলার যুক্তি শুধু প্রত্নতাত্ত্বিক নয়, বরং বহু মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগের সঙ্গে জড়িত। তাই মামলাকারী আশা করেছিলেন, শীর্ষ আদালত যেন হস্তক্ষেপ করে মূর্তির পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে।

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য এবং প্রতিক্রিয়া

প্রধান বিচারপতি মামলাটিকে তেমন গুরুত্ব না দিয়ে বলেন, এটি প্রচারের উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, “এটা স্পষ্টই প্রচারের লোভে করা মামলা। বিষয়টি ASI-এর অধীনে পড়ে। তাছাড়া আপনি তো বিষ্ণুর একনিষ্ঠ ভক্ত। যান গিয়ে বিষ্ণুকেই বলুন, যদি তিনি কিছু করতে পারেন। যান প্রার্থনা করুন।”

এই মন্তব্যে আইনজীবী ও ধর্মীয় মহলের একাংশ আপত্তি জানান। তাঁদের যুক্তি, মন্তব্যটি হিন্দু ধর্মের দেবতাদের অপমান করেছে এবং সনাতন ধর্মের ভাবাবেগের পরিপন্থী। সামাজিক মিডিয়ায়ও ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়, যেখানে অনেকেই প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের সমালোচনা করেন।

আইনজীবীদের চিঠি ও সোশ্যাল মিডিয়ার চাপ

কয়েকজন প্রবীণ আইনজীবী প্রধান বিচারপতির কাছে চিঠি লিখে দাবি করেন, মন্তব্যটি প্রত্যাহার করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলনও শুরু হয়, যেখানে প্রধান বিচারপতির ইমপিচমেন্টের দাবিও উঠেছে। এ অবস্থায় বিচারপতি খানিকটা নতিস্বীকারের সুরে বলেন, “আমি যা বলেছি সেটা নির্দিষ্ট একভাবে ঘুরিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরা হচ্ছে। আমি সব ধর্মকেই সম্মান করি।”

কেন্দ্রের সমর্থন

এই বিতর্কে প্রধান বিচারপতির পাশে দাঁড়িয়েছেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাঁরা জানিয়েছেন, প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং সব ধর্মকে সম্মান করার বিষয়টি তিনি স্পষ্ট করেছেন। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে বিচারপতির সমর্থন আইন এবং শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সমাজ ও ধর্মের প্রভাব

খাজুরাহো মন্দির বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ। এর মতো প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন শুধু পর্যটন নয়, বরং বহু মানুষের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুভূতির কেন্দ্রবিন্দু। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক মূলত ধর্ম ও আইনের সংমিশ্রণে তৈরি। সমাজের একাংশ মনে করে, উচ্চ আদালতের নেতাদের মন্তব্য ধর্মীয় ভাবাবেগকে প্রাধান্য দিতে হবে। অন্যদিকে আইনজীবী ও বিচারপতির সমর্থকরা মন্তব্যটি প্রসঙ্গ অনুযায়ী উপস্থাপন করেছেন বলে মনে করেন।

আইনি বিশ্লেষণ

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী সব ধর্ম সমানভাবে সম্মানিত। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিচারাধীন মামলার প্রেক্ষাপটে, তাই এটি ব্যক্তিগত বা ধর্মীয় আক্রমণ হিসেবে নেওয়া উচিত নয়। তবে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় বিতর্ক তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের ভিত্তি প্রকৃতপক্ষে মামলা প্রত্যাখ্যান ও বিষয়টি ASI-এর অধীনে রাখার জন্য।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধান বিচারপতির মন্তব্য দ্রুত ভাইরাল হয়। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে বিচারপতির বক্তব্যকে বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়। আইনজীবী ও বিশ্লেষকরা সতর্ক করেন, সামাজিক মিডিয়া প্রভাবিত হলে সমাজে অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। প্রধান বিচারপতির স্পষ্টীকরণ এই উত্তেজনা কিছুটা কমিয়েছে।

উপসংহার

সব মিলিয়ে, খাজুরাহো বিষ্ণুমূর্তি মামলায় প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে ঘিরে প্রচার ও সামাজিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে তিনি সাফাই দিয়েছেন। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, তিনি সব ধর্মকে সম্মান করেন এবং মন্তব্যকে অযথা ঘুরিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উপস্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সলিসিটর জেনারেল ও প্রবীণ আইনজীবীর সমর্থন তাঁর পাশে রয়েছে। এই বিতর্ক বিচারালয়, ধর্ম ও সমাজের সংমিশ্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিধান ভবন ভাঙচুর মামলায় জামিন পেলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং

বিধান ভবন ভাঙচুর মামলায় জামিন পেলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং

বিধান ভবন ভাঙচুর মামলায় জামিন পেলেন বিজেপি নেতা রাকেশ সিং

🗓 আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিজেপি নেতা রাকেশ সিং

বিধান ভবন ভাঙচুর মামলায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা রাকেশ সিং

কলকাতার বিধান ভবন ভাঙচুর মামলা ঘিরে রাজ্য রাজনীতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার শিয়ালদহ আদালতে শুনানিতে বিজেপি নেতা রাকেশ সিং-এর জামিন মঞ্জুর হলেও, আপাতত তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। কারণ, তাঁর নামে আরও একাধিক মামলা রয়েছে, যার কারণে তাঁকে এখনই জেল হেফাজতে থাকতে হবে।

ঘটনার সূচনা

এই মামলার সূত্রপাত হয় বিহারে আয়োজিত কংগ্রেসের এক জনসভা থেকে। অভিযোগ অনুযায়ী, সভা চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করা হয়। সেই বক্তব্য ঘিরে বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। অভিযোগ, এর জেরেই কলকাতায় বিধান ভবনে হামলা চালানো হয়।

সেই সময়কার একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিও ফুটেজে রাকেশ সিংকেও দেখা গিয়েছে বলে দাবি পুলিশের। আর এখান থেকেই তাঁকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

পুলিশি তদন্ত ও গ্রেফতার

ঘটনার পর থেকেই রাকেশ সিং পলাতক ছিলেন। তাঁকে না পেয়ে প্রথমে পুলিশ গ্রেফতার করে তাঁর ছেলে শিবম সিং-কে। পুলিশের দাবি, শিবমকেও এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে আটক করা হয় এবং পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

এরপর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ধীরে ধীরে উঠে আসে আরও তথ্য। তদন্তে জানা যায়, হামলার পরিকল্পনা এবং সংগঠনের ক্ষেত্রে রাকেশ সিংয়ের সরাসরি ভূমিকা ছিল। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অবশেষে তাঁকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় কলকাতা পুলিশ।

এই ঘটনায় মোট আটজনকে গ্রেফতার করা হয়, যাদের মধ্যে শিবম সিং ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন। কিন্তু রাকেশ সিংয়ের ক্ষেত্রে আইনি লড়াই আরও জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আদালতের অবস্থান

বৃহস্পতিবার শিয়ালদহ আদালতে শুনানি চলাকালীন রাকেশ সিংয়ের জামিন মঞ্জুর করা হয়। তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তাঁর বিরুদ্ধে আরও মামলা থাকায় আপাতত তিনি জেল হেফাজতেই থাকবেন। এর অর্থ, রাকেশের আইনজীবীরা সাময়িক স্বস্তি পেলেও তাঁর মুক্তির সম্ভাবনা এখনই নেই।

বিচারকের মন্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রতিটি মামলার ভিত্তিতে আলাদা শুনানি হবে। ফলে একটিতে জামিন পেলেও অন্য মামলার কারণে তাঁকে জেলে থাকতে হবে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনা ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, এটি একটি “রাজনৈতিক প্রতিহিংসা”। তাঁদের বক্তব্য, কংগ্রেস ও তৃণমূলের সঙ্গে যোগসাজশ করে রাজ্যের প্রশাসন বিজেপি নেতাদের হয়রানি করছে।

অন্যদিকে, কংগ্রেস ও তৃণমূলের দাবি, আইন অনুযায়ীই পদক্ষেপ করা হয়েছে। কারও বিরুদ্ধে প্রমাণ থাকলে আইন তার বিচার করবে। রাজনৈতিক লাভ বা ক্ষতির জায়গা থেকে প্রশাসন কাজ করছে না।

সামাজিক প্রভাব ও জনমত

বিধান ভবনের মতো একটি ঐতিহাসিক ভবনে হামলার ঘটনা সাধারণ মানুষের মনেও গভীর প্রভাব ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষ এবং অপশব্দ প্রয়োগের সংস্কৃতি থেকে এই ধরনের সহিংসতার জন্ম হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মামলাকে ঘিরে চলছে ব্যাপক আলোচনা। কেউ বলছেন, আইনের শাসন বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। আবার কেউ মনে করছেন, প্রশাসন রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে কাজ করছে।

আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী ধাপ

রাকেশ সিং এবং তাঁর আইনজীবীরা এখন সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে আইনি প্রক্রিয়া দীর্ঘ হতে পারে। কারণ, প্রতিটি মামলার আলাদা শুনানি এবং প্রমাণ উপস্থাপনের প্রয়োজন রয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই মামলার রায় রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে, আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির ভাবমূর্তিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।

উপসংহার

সব মিলিয়ে, বিধান ভবন ভাঙচুর মামলায় রাকেশ সিংয়ের জামিন মঞ্জুর হলেও তাঁর মুক্তি আপাতত সম্ভব হচ্ছে না। আরও একাধিক মামলা ঝুলে থাকায় তাঁর জেল হেফাজত অব্যাহত থাকবে। আদালতের কড়া অবস্থান এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া মিলিয়ে স্পষ্ট—এই মামলার প্রভাব আগামী দিনে রাজ্য রাজনীতিকে আরও উত্তপ্ত করবে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

সামশেরগঞ্জ ঘটনা: ক্ষতিগ্রস্তেরা এখনও পুনর্বাসন পাননি, হাইকোর্টের কড়া অভিযোগ

সামশেরগঞ্জ ঘটনা: ক্ষতিগ্রস্তেরা এখনও পুনর্বাসন পাননি, হাইকোর্টের কড়া অভিযোগ

ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে সামশেরগঞ্জ অশান্তি: ক্ষতিগ্রস্তরা এখনও ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসন পাননি — হাইকোর্টের তীব্র অভিযোগ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | কলকাতা হাই কোর্ট রিপোর্ট
সামশেরগঞ্জে অশান্তি ও ক্ষতিগ্রস্তদের পরিস্থিতি
সামশেরগঞ্জ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন না হওয়া প্রসঙ্গে কলকাতা হাইকোর্টের কড়া মন্তব্য।

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে (Shamserganj Case) যে অশান্তি হয়েছিল, তার পরও ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ বা পুনর্বাসন পাননি—এমনই একটি বিস্ফোরক অভিযোগকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বিচারপতি সৌমেন সেন রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA—উভয়ের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

হাইকোর্টের সরাসরি প্রশ্ন: কোথায় পুনর্বাসন?

বিচারপতির কথায়, “দুর্গাপুজোর আগেও কি এদের পুনর্বাসন দেওয়া হল না?” আদালত স্পষ্টভাবে ভেবেছে যে — দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ক্ষতিগ্রস্তরা কবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন, সেটি নিয়েই সন্দেহ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা এখনও ঘরবাড়িহীন বেড়াচ্ছেন, অথচ প্রশাসন থেকে চোখে পড়ে এমন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

আদালত বলল:
  • ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ প্রদান সুদক্ষ এবং সময়োপযোগীভাবে হতে হবে।
  • যদি প্রয়োজন হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এগিয়ে এসে তদন্তভার নেবে—তার মধ্যেও কোনও বাধা থাকা উচিত নয়।
  • কেউই প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে কুলকিনারা করতে পারবে না—আইনি জবাবদিহি প্রযোজ্য থাকবে।

NIA কি — কেন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে টেনে আনা হচ্ছে?

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, রাজ্যের তদন্তে ত্রুটি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে; আবার কেন্দ্রীয় সংস্থাও স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে তদন্তে নামেনি। বিচারপতি উল্লেখ করেছেন, “NIA চাইলে আগেই তদন্তভার গ্রহণ করতে পারত, কোনও বাধা ছিল না। রাজ্যের তদন্তে ত্রুটি থাকার অভিযোগ উঠলে কেন্দ্রীয় সংস্থার সহায়তা গ্রহণ প্রাসঙ্গিক।”

ক্ষতিগ্রস্তদের অবস্থা — কিছুই মেলেনি

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বহু পরিবার এখনও অস্থায়ী শেল্টারে রয়েছেন। তাদের বাড়ি-ঘর নষ্ট হয়েছে, জীবিকা ব্যাহত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা বা পুনর্বাসন মিলেনি বলে তারা জানান। আদালত এই বাস্তব পরিস্থিতির প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সংক্ষিপ্ত টাইমলাইন (মূল পয়েন্ট):
  • ওয়াকফ আইন নিয়ে প্রতিবাদের সময় সামশেরগঞ্জে অশান্তি ঘটে।
  • পুলিশ ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ হয়; বেশ কিছু মামলা এবং তদন্ত শুরু হয়।
  • ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন/ক্ষতিপূরণও প্রক্রিয়ায় বলে জানানো হয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে তা অসম্পূর্ণ থাকায় মামলাকারীরা হাইকোর্টে অভিযোগ করেন।
  • হাইকোর্ট মঙ্গলবার/বৃহস্পতিবার (সাম্প্রতিক শুনানি) রাজ্য ও NIA-র ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছে।
  • পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে — ২০ নভেম্বর।

রাজ্য প্রশাসন ও NIA— দুইপক্ষেরও ভূমিকা প্রশ্নের মুখে

আদালতের বক্তব্য অনুযায়ী, যদি রাজ্যের তদন্তে কোনো ঘাটতি থেকে থাকে, তাহলে কেন্দ্রীয় সংস্থার সহায়তা নেয়া যেতে পারত। অপরদিকে যদি NIA-র স্বতঃপ্রণোদিত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা বা ইচ্ছে থাকে, তারা আগেভাগেই তদন্তভার নিতে পারত। আদালত এই দুই ধারা—রাজ্য ও কেন্দ্র—কেউই দায়িত্ব এড়াতে পারবে না বলে প্রতিপাদ্য করেছেন।

আইনি প্রভাব ও ভবিষ্যত নির্দেশ

আদালত রাজ্য সরকারের কাছে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তী শুনানিতে আদালত রিপোর্ট মূল্যায়ন করে কঠোর নির্দেশনার নির্দেশ দিয়েছে—যেমন দ্রুতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা। বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, প্রশাসনিক দায়িত্বজ্ঞানহীনতার জন্য কোনও ছাড় প্রদান করা হবে না।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও সমর্থন

স্থানীয় নেতারা ও সমাজকর্মীরা বলছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের ব্যাপারে তৎপরতা না থাকলে আইনগত পথ ছাড়াও গণতান্ত্রিক চাপ প্রয়োগ করা হবে। সামাজিক সংগঠনগুলিও পুনর্বাসন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

কী চাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা?
  • দ্রুত ও স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা
  • ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্গঠন অনুদান
  • পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনকালে রেশন-সহায়তা
  • আইনি ও মানসিক সহায়তা—দূর্বল পরিবারগুলো যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে

পরবর্তী শুনানি — কী প্রত্যাশা?

২০ নভেম্বরের শুনানিতে আদালত রাজ্য সরকারের রিপোর্ট যাচাই করবে এবং প্রয়োজনে NIA-র তৎপরতা কেন গ্রহণ করা হয়নি তা নিয়ে কেন্দ্রেরও ব্যাখ্যা চাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আদালত যদি সিদ্ধান্ত নেন—তবে দ্রুত পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের নির্দেশ জারি করা যেতে পারে, বা কেন্দ্রীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া যেতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর — সবকিছু এক ক্লিকে পেতে আমাদের ফলো করুন

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

🔎 নোট: এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত তথ্য ও আদালতে উঠা পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। তদন্ত ও আদালতের পরবর্তী রায়ে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে—যদি আপনি চান, আমরা পরবর্তী আপডেট রিপোর্ট করে দেব।

নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন সংশোধনের সুযোগ, অনলাইনে যাচাইয়ের নতুন ব্যবস্থা

নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন সংশোধনের সুযোগ, অনলাইনে যাচাইয়ের নতুন ব্যবস্থা

নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন সংশোধনের সুযোগ, অনলাইনে যাচাইয়ের নতুন ব্যবস্থা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য নতুন ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। এবার থেকে পড়ুয়ারা নিজেরাই অনলাইনে তাঁদের রেজিস্ট্রেশন তথ্য যাচাই করে নিতে পারবে। কোনও ভুল থাকলে তা সংশোধনেরও সুযোগ থাকছে।

WBBSE Registration Verification Portal
📸 নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশন তথ্য যাচাইয়ের জন্য নতুন অনলাইন পোর্টাল চালু করল পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ

কোথায় ও কিভাবে তথ্য যাচাই করবেন?

পড়ুয়ারা https://students.wbbsedata.com ওয়েবসাইটে লগ ইন করে তাঁদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট খুলে দেখতে পারবেন। এতে নাম, মা-বাবার নাম, জন্মতারিখ ও বিষয় নির্বাচনের তথ্য মিলিয়ে দেখা যাবে।

সংশোধনের সময়সীমা

এই অনলাইন পরিষেবা ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খোলা থাকবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশোধন না করলে পরবর্তীতে আর কোনও সুযোগ দেওয়া হবে না বলে পর্ষদ জানিয়েছে।

কোন তথ্য সংশোধন করা যাবে?

  • পড়ুয়ার নাম
  • মা, বাবা বা অভিভাবকের নাম
  • জন্মতারিখ
  • বিষয় নির্বাচন

কেন এই উদ্যোগ?

পর্ষদের এক কর্তা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এ বছর থেকেই এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে। এর ফলে স্কুলের রেকর্ডে কোনও ভুল থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করা সম্ভব হবে।

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্নীতিতে জড়িত নই'— সওয়াল ব্যর্থ, ফের জেল হেফাজতে জীবনকৃষ্ণ সাহা

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার জামিন আবেদন খারিজ

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার জামিন আবেদন খারিজ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | মুর্শিদাবাদ/কলকাতা রিপোর্ট
জীবনকৃষ্ণ সাহা বিধায়ক আদালত
কলকাতার বিচারভবনে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা সংক্রান্ত শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন জীবনের আইনজীবী ও ইডির পক্ষে তর্ক উপস্থাপকরা।

সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার তৃণমূল কংগ্রেসের মুর্শিদাবাদের বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jibankrishna Saha) জামিনের আবেদনকে আদালত খারিজ করেছে। কলকাতার বিচারভবনে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত দেন। ইডি-র যুক্তি অনুযায়ী জীবন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সরাসরি প্রমাণ মিলেছে এবং তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। জামিন মঞ্জুর করলে প্রভাব খাটিয়ে প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা রয়েছে—এই সম্ভাবনা নিয়েই বিচারক জামিন অগ্রাহ্য করেন।

শুনানির মূল পয়েন্টগুলো

বৃহস্পতিবার কলকাতার বিচারভবনে অনুষ্ঠিত শুনানিতে জীবনের আইনজীবী তাঁর হাসপাতালের নিরাপত্তা, জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব ও পূর্বে একই অভিযোগে সিবিআই গ্রেফতারের পর সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া জামিনের কথা উল্লেখ করে মুক্তির দাবি করেন। আইনজীবী দাবি করেন, “এমন পুনরাবৃত্ত গ্রেফতারে মৌলিক ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”

বিপরীতে ইডির আইনজীবীরা জানান যে, তদন্তে জীবনের স্ত্রীর ও শ্বশুড়ের নামেও আর্থিক লেনদেন পাওয়া যাচ্ছে এবং বহু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সন্দেহভাজন ট্রান্সফারের তথ্য মেলে। ইডি জানায়, তারা ‘সুপার-হিউম্যান’ নন—তাই তদন্তে সময় লাগবে এবং এই পর্যায়ে জামিন দিলে প্রমাণ লোপাটের আশঙ্কা রয়েছে।

আদালতের মন্তব্য ও সিদ্ধান্ত

বিচারক শুনানি শেষে বলেন, “আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে কোনও বাধা থাকা উচিত নয়।” বিচারক ইডির উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন, এই পর্যায়ে জামিন মঞ্জুর করা যাবে না। ফলে জীবনকৃষ্ণ সাহা জেলহেফাজতে থাকবেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর পরিস্থিতি পুনর্বিবেচিত হবে।

ইডি-র যুক্তি সংক্ষেপে:
  • জীবন ও তাঁর পরিবারের মধ্যে সন্দেহভাজন আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ আছে।
  • একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ট্রান্সফারের কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
  • জামিন দিলে তদন্তে প্রভাব বিস্তার করে প্রমাণ নষ্ট বা লোপাট করার আশঙ্কা রয়েছে।
  • জানা গেছে, জীবনের একাধিকবার সমন আসলেও তিনি হাজিরা দেননি—সেজন্য গ্রেফতারের প্রয়োজন অনুভূত হয়েছে।

জীবনের আইনজীবীর প্রতিক্রিয়া

জীবনের আইনজীবী আদালতকে জানিয়েছেন, “একই অভিযোগে সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। তখন সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে জামিন দিয়েছিল। ইডি কেন একই মামলায় আবার গ্রেফতার করল—এটি প্রশ্নবোধক।” আইনজীবী এর সাথে যুক্তি দিলেন যে একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে জীবনের দায়িত্ব রয়েছে এবং তিনি মক্কেলের ন্যায্য আচরণ নিশ্চিত করবেন।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তৃণমূলের স্থানীয় শাখা ও মুর্শিদাবাদের সমর্থকরা যাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলে অভিহিত করেছেন, তারা দাবি করেন—“আইনি প্রক্রিয়ার নামে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।” অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন, রাজনীতিবিদদের ওপরও আইনের শাসন সমানভাবে প্রযোজ্য এবং দুর্নীতির অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক তদন্তকে গুরুত্ব দিতে হবে।

মানিক ভট্টাচার্যের প্রসঙ্গ কেন তোলা হলো?

শুনানিতে ইডি মানিক ভট্টাচার্যের নাম টানেন; বলেন, সিবিআই মামলায় মানিক সুরক্ষা পেতে পারেন, কিন্তু ইডি-র মামলায় তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ইডি-র বক্তব্য অনুযায়ী, সেক্ষেত্রে জীবনকৃষ্ণ সাহাকেও জিজ্ঞাসাবাদের স্বার্থে হেফাজতে রাখা প্রয়োজন। আদালত এই প্রেক্ষাপটও নোট করেন এবং একই মানদণ্ড অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

তদন্তের পরবর্তী ধাপ কি হতে পারে?

আইনি বিশেষজ্ঞদের মতে, তদন্তের পরবর্তী ধাপে ইডি ব্যাঙ্ক লেনদেন, আর্থিক ট্রানজেকশন এবং সংশ্লিষ্ট নথি বিশ্লেষণ করবে। প্রয়োজন হলে তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক ফরেনসিক অডিট, জিজ্ঞাসাবাদি এবং প্রয়োজনে আরও গ্রেফতারেরও সুপারিশ হতে পারে। মামলার অগ্রগতির উপর নির্ভর করে আদালত পরবর্তীতে জামিন বা অন্যান্য আইনগত নির্দেশ দিতে পারেন।

জনমত ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

স্থানীয় জনমত বিভক্ত। একাংশ নাগরিক মনে করেন—দুর্নীতি যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে রাজনীতিবিদদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যদিকে অনেক সমর্থক মনে করছেন, রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা বা ফাঁসানো ইস্যু হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার প্রচুর আলোচনা চলছে যেখানে অনেকেই নিরপেক্ষ, আরেক অংশে রাজনৈতিকভিত্তিক সমর্থন বা সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।

সম্পর্কিত তথ্য-তথ্যাবলী (সংক্ষেপে)

  • অভিযোগ: নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়ম ও লেনদেন।
  • গ্রেফতার: জীবনকৃষ্ণ সাহা—ইডি কর্তৃক গ্রেফতার।
  • আদালত: কলকাতার বিচারভবন, জামিন আবেদন খারিজ।
  • পরবর্তী: বিস্তারিত ব্যাঙ্ক অডিট ও জিজ্ঞাসাবাদ, তদন্ত চলছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

গরবা অনুষ্ঠানে অ-হিন্দুদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক, ভোপালের বিজেপি সাংসদের হুঁশিয়ারি

গরবা অনুষ্ঠানে অ-হিন্দুদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক, ভোপালের বিজেপি সাংসদের হুঁশিয়ারি

গরবা অনুষ্ঠানে অ-হিন্দুদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্ক, ভোপালের বিজেপি সাংসদের হুঁশিয়ারি

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
গরবা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা
গরবা উৎসবকে ঘিরে ভোপালে তীব্র বিতর্ক

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: নবরাত্রির সময়ে গুজরাতি লোকনৃত্য গরবা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে পালিত হয়। কিন্তু এ বছর ভোপালে গরবা মঞ্চকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বড়সড় রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপি সাংসদ অলোক শর্মা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন, “যাঁরা হিন্দু নন, তাঁদের গরবা মঞ্চে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।”

অলোক শর্মার বিতর্কিত মন্তব্য

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অলোক শর্মা বলেন, “গরবা হলো এক পবিত্র সনাতন ঐতিহ্য। এখানে প্রতারণা করে যারা প্রবেশ করবে, যেমন গেরুয়া উত্তরীয়, তিলক বা হার পরে নিজেদের হিন্দু পরিচয় দিতে চাইবে, তাঁদের রেহাই দেওয়া হবে না।” এমনকি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “এই ধরনের লোক ধরা পড়লে তাঁদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়া হবে।”

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

বিজেপি সাংসদের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিরোধী দল কংগ্রেসের দাবি, এটি সংবিধানের মৌলিক অধিকারবিরোধী এবং ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা। অন্যদিকে বিজেপির একাংশ সাংসদের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছে, গরবা আসলেই হিন্দু ধর্মীয় উৎসব, সেখানে অন্য ধর্মের লোকদের প্রবেশে সতর্কতা প্রয়োজন।

আয়োজকদের অবস্থান

ভোপালের বিভিন্ন গরবা আয়োজকরা বিষয়টি নিয়ে বিভক্ত। কেউ কেউ জানিয়েছেন, তাঁরা আয়োজনে সবার প্রবেশকে স্বাগত জানাতে চান, আবার কেউ কেউ সাংসদের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন। ফলে উৎসবের আগে প্রশাসনের উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে।

ধর্মীয় সম্প্রীতি বনাম সাংস্কৃতিক সীমারেখা

ভারত বহুধর্মী একটি দেশ। সেখানে গরবা শুধু হিন্দুদের নয়, বরং একাধিক সম্প্রদায়ের মানুষ মিলেমিশে এই উৎসব উপভোগ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, গরবা যদি কেবল একটি ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয়, তবে তা ভারতীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে সংকীর্ণ করে তুলবে।

জনমতের প্রতিক্রিয়া

সমাজমাধ্যমে এই মন্তব্য ঘিরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন—“উৎসব কি ধর্মের বেড়া-দেওয়ালে বাঁধা যাবে?” আবার কেউ কেউ সাংসদের বক্তব্যকে সমর্থন করে বলছেন, “পবিত্র ধর্মীয় আচার মানলে সীমারেখা থাকা জরুরি।”

আইন ও সংবিধানের দিক

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কারও ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে তাঁকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রবেশে বাধা দেওয়া সংবিধানের সমান অধিকারের নীতি-র পরিপন্থী। তবে যদি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হিসেবে গরবাকে দেখা হয়, তবে আয়োজকদের নিজের নিয়ম ঠিক করার স্বাধীনতাও রয়েছে।

আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ

নবরাত্রি শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। এই অবস্থায় ভোপালে প্রশাসন ও আয়োজক কমিটিগুলিকে দ্বিধায় ফেলেছে সাংসদের বক্তব্য। এখন দেখার বিষয়, উৎসব কি আবারও বিভাজনের রাজনীতির শিকার হয়, নাকি মিলেমিশে সবাই গরবার তালে মেতে ওঠে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

চট্টগ্রামে মার্কিন সেনা উপস্থিতি, ভারতের কূটনৈতিক অঙ্কে চাপ বাড়ছে

চট্টগ্রামে মার্কিন সেনা উপস্থিতি, ভারতের কূটনৈতিক অঙ্কে চাপ বাড়ছে

চট্টগ্রামে মার্কিন সেনা উপস্থিতি, ভারতের কূটনৈতিক অঙ্কে চাপ বাড়ছে

🗓️ আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রামে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি
চট্টগ্রামে মার্কিন সেনাদের রহস্যময় আগমন ঘিরে কূটনৈতিক মহলে আলোড়ন

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনার পতনের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ ইউনুস ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমেরিকার সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক দ্রুত উষ্ণ হয়েছে। এর মধ্যেই চট্টগ্রামে মার্কিন সেনাদের একটি দল পৌঁছনো নিয়ে তীব্র কূটনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছে।

চট্টগ্রামে মার্কিন সেনাদের আগমন

১০ সেপ্টেম্বর ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে ঢাকায় নেমে চট্টগ্রামে যান মার্কিন স্থলবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রায় ১২০ জন সদস্য। তাঁদের থাকার ব্যবস্থা হয় রেডিসন ব্লু হোটেলে, যেখানে মোট ৮৫টি কক্ষ বুক করা হয়েছিল। তবে কৌতূহলের বিষয়, হোটেলের অফিসিয়াল রেজিস্টারে তাঁদের নাম নথিভুক্ত হয়নি বলে জানা যাচ্ছে। কেন এমন গোপনীয়তা?

রুটিন মহড়া না কৌশলগত পদক্ষেপ?

সরকারি সূত্র বলছে, এটি একটি যৌথ সামরিক মহড়ার অংশ এবং ২০ সেপ্টেম্বর সেনারা ফিরে যাবেন। কিন্তু দিল্লির নিরাপত্তা মহল এত সহজভাবে বিষয়টিকে দেখছে না। বিশেষ করে হাসিনার অভিযোগ যে, আমেরিকা সেন্ট মার্টিন দ্বীপে সামরিক ঘাঁটি চাইছিল, তার প্রেক্ষিতে এই সেনা উপস্থিতি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব

বাংলাদেশ উপকূলের কাছে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ দীর্ঘদিন ধরেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে মার্কিন সেনাদের ওই দ্বীপের দিকে অগ্রসর হতে দেখা গেছে। তাহলে কি সত্যিই সেখানে ঘাঁটি নির্মাণ শুরু হচ্ছে? যদিও এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার মুখ খুলতে নারাজ।

চিনের ভূমিকা এবং মায়ানমারের সমীকরণ

একই সময়ে মায়ানমারের জুন্টা সরকারের সঙ্গে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছে চিন। এমনকি বাংলাদেশের সাথেও সীমান্তবর্তী চিকেন নেক অঞ্চলে ঘাঁটি গড়ার বিষয়ে বেজিং সক্রিয়। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত মানচিত্রে আমেরিকা ও চিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন মাত্রা পাচ্ছে।

ভারতের উদ্বেগ কেন বাড়ছে?

ভারতের উত্তর-পূর্বের নিরাপত্তা ও বঙ্গোপসাগরে কৌশলগত ভারসাম্যের জন্য বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইউনুস সরকারের সঙ্গে আমেরিকার সখ্যতা এবং চিনের সমান্তরাল কার্যকলাপ দিল্লিকে চাপে ফেলেছে। বিদেশ মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে সতর্কভাবে নজর রাখছে বলে জানা গেছে।

আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ

দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ভারসাম্য কোন দিকে যাবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করছে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলির প্রভাব বিস্তারের উপর। ভারতকে এখন কূটনৈতিক ও সামরিক কৌশলে আরও সক্রিয় হতে হবে, নচেত আমেরিকা-চিন প্রতিযোগিতার মাঝে কৌশলগতভাবে পিছিয়ে পড়তে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক রিপোর্ট : সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন শঙ্করাচার্য অভিমুক্তেশ্বরানন্দ। তাঁর দাবি, প্রশাসনে...

Search This Blog