Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Saturday, 20 September 2025

1B ভিসা আবেদনের ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ

H-1B ভিসা আবেদনের ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ

মার্কিন H-1B ভিসার ফি ১০০,০০০ ডলার: ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ বৃদ্ধি

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

H-1B ভিসা এবং ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ

ছবি ক্যাপশন: H-1B ভিসার ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন ভারতীয় প্রযুক্তিবিদরা।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি H-1B ভিসার আবেদনের বার্ষিক ফি ১,০০০–৫,০০০ মার্কিন ডলার থেকে একলাফে ১০০,০০০ মার্কিন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই পদক্ষেপের ফলে আমেরিকায় কর্মরত ভারতীয় প্রযুক্তিবিদ ও তাঁদের পরিবারের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।

ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের উদ্বেগ

এইচ-১বি ভিসা ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ভিসার মাধ্যমে তাঁরা আমেরিকায় গিয়ে ভারতীয় সংস্থা বা মার্কিন কোম্পানিতে কাজ করতে পারেন। ন্যাসকমের ভাইস-প্রেসিডেন্ট শিবেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, প্রতি বছরে যে সংখ্যক এইচ-১বি ভিসা প্রদান করা হয়, তার ৭০ শতাংশের বেশি ভারতীয়রা পান।

ফি বৃদ্ধির ফলে ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের জন্য ভিসা আবেদন কঠিন হয়ে যাবে। এতে তাঁদের পরিবার এবং পেশাগত জীবনের ওপর চাপ পড়বে।

আমেরিকান সংস্থাগুলোর প্রভাব

এই পদক্ষেপের ফলে শুধুমাত্র ভারতীয়দের নয়, আমেরিকান সংস্থাগুলোরও চাপ বৃদ্ধি পাবে। মার্কিন সংস্থাগুলি দক্ষ ভারতীয় কর্মী খুঁজে তাদের নিয়োগ করে, যাদের কর্মদক্ষতা ও গুণগত মানের কারণে নিয়োগ করা হয়।

এইচ-১বি ভিসার শীর্ষে রয়েছে অ্যামাজন, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (টিসিএস), মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপেল, কগনিজ্যান্ট, জেপি মর্গ্যান চেজের মতো কোম্পানি। এরা ভারতীয় ট্যালেন্টের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ফি বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পড়বে।

ভারতের প্রতিক্রিয়া

ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারত ও আমেরিকার উভয় দেশের শিল্পের উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতায় আগ্রহ রয়েছে। দক্ষ কর্মীদের আদান-প্রদানের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে প্রযুক্তি উন্নয়ন, উদ্ভাবন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রতিযোগিতা ও সম্পদ সৃষ্টিতে বড় অবদান রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে নীতিনির্ধারকরা পদক্ষেপের মূল্যায়ন পারস্পরিক সুবিধাগুলো বিবেচনা করে করবেন, যাতে দুই দেশের মধ্যে দৃঢ় নাগরিক সম্পর্ক বজায় থাকে।

ন্যাসকমের মতামত

ন্যাসকমের মতে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে ভারতীয় প্রযুক্তি পরিষেবা সেক্টরের পাশাপাশি আমেরিকান অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতের উপরও বড় প্রভাব পড়বে। সংস্থা ও কর্মী উভয় পক্ষের জন্যই নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।

উপসংহার

সাম্প্রতিক এই পদক্ষেপ ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের জন্য উদ্বেগের কারণ হলেও, দু’দেশের মধ্যে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ বের করা সম্ভব। দক্ষ মানবসম্পদ বিনিময় বজায় রেখে উদ্ভাবন, সৃজনশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখা দুই দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

📊 H-1B ভিসা ফি বৃদ্ধির অর্থনৈতিক প্রভাব ও ভারতীয় কোম্পানির পদক্ষেপ

  • ভারতের প্রযুক্তি খাত: ফি বৃদ্ধি ভারতীয় প্রযুক্তিবিদদের আমেরিকায় অবস্থানকে প্রভাবিত করবে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি IT সংস্থাগুলো যা H-1B কর্মী নিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
  • আমেরিকান সংস্থা: অ্যামাজন, মাইক্রোসফট, মেটা, অ্যাপেল, জেপি মর্গ্যান চেজের মতো কোম্পানিগুলোর জন্য দক্ষ ভারতীয় কর্মী খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে। ফলে প্রকল্প সময়মতো শেষ করা ও খরচ বৃদ্ধি হতে পারে।
  • পরিবারিক প্রভাব: H-1B ভিসা প্রাপ্তদের পরিবারের জন্যও চাপ বাড়বে। সন্তানদের শিক্ষা, পরিবারের পুনর্মিলন ও আবাসন পরিকল্পনা প্রভাবিত হতে পারে।
  • ভারতীয় কোম্পানির পদক্ষেপ: টিসিএস, ইনফোসিস, HCL, Wipro-এর মতো বড় সংস্থা এখন বিকল্প কর্মী পরিকল্পনা ও স্থানীয় মার্কিন বাজারে নিয়োগ বাড়ানোর পথ খুঁজতে পারে।
  • অর্থনৈতিক প্রভাব: দক্ষ ভারতীয় কর্মীর অভাবের কারণে আমেরিকান কোম্পানির প্রকল্প ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে, ভারতীয় IT রপ্তানি ও প্রফেশনাল সার্ভিসেও প্রভাব পড়তে পারে।
  • দীর্ঘমেয়াদি সমাধান: দুই দেশের সরকার ও শিল্পপতি পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে H-1B ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সমঝোতার পথ বের করতে পারেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আলিপুরদুয়ারে লরির ধাক্কায় প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু

আলিপুরদুয়ারে লরির ধাক্কায় প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু

আলিপুরদুয়ারে লরির ধাক্কায় প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: শনিবার আলিপুরদুয়ারে এক প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ানের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বীরপাড়ার কাছে ৪৮ নম্বর এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের গ্যারগেন্দা সেতু সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রদীপরঞ্জন ঘোষের মৃত্যুর ঘটনা

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত ব্যক্তির নাম প্রদীপরঞ্জন ঘোষ (৬১)। তাঁর বাড়ি আলিপুরদুয়ার রেল জংশনের কালীবাড়ি কলোনীতে। শনিবার বেলা ২টা নাগাদ মেয়ের স্কুটি চালিয়ে প্রদীপরঞ্জনবাবু তাঁর পুরনো কর্মস্থল বীরপাড়ার দলগাঁও স্টেশনে যাচ্ছিলেন। গ্যারগেন্দা সেতুর কাছে পিছন থেকে একটি লরি তার স্কুটিতে ধাক্কা দেয় এবং চালক পালিয়ে যায়। স্কুটি সহ তিনি ছিটকে পড়ে যান রাস্তায় এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

আলিপুরদুয়ার দুর্ঘটনা
বীরপাড়ার গ্যারগেন্দা সেতু সংলগ্ন দুর্ঘটনার স্থল। (ফাইল ছবি)

পুলিশ ও তদন্ত

বীরপাড়া থানার ওসি নয়ন দাস জানান, “ময়নাতদন্তের জন্য প্রদীপরঞ্জনবাবুর দেহ রবিবার হাসপাতালে পাঠানো হবে। ঘাতক লরির খোঁজে তল্লাশি চলছে।” পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে এবং পরিচিতি শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

প্রদীপরঞ্জন ঘোষের জীবন ও পরিবার

প্রদীপরঞ্জন ঘোষ একজন প্রাক্তন আরপিএফ জওয়ান ছিলেন। তিনি দীর্ঘকাল রেল সিকিউরিটি ডিউটিতে ছিলেন। মৃত ব্যক্তির পরিবার জানিয়েছে যে, এদিন তিনি মেয়ের স্কুটি চালিয়ে বিয়ে বাড়ির জন্য যাত্রা করছিলেন। পরিবার এবং পরিচিতরা এই অকালমৃত্যুতে শোকাহত। স্থানীয় সমাজও এই দুর্ঘটনার ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে।

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া

দুর্ঘটনা ঘটে মাত্র কয়েক ঘন্টার মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন। তারা আহত ব্যক্তি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অনেকে ঘাতক লরির দ্রুত গ্রেপ্তার করার দাবী করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি দ্রুত ভাইরাল হয়েছে এবং মানুষ শোক প্রকাশ করেছে।

দুর্ঘটনার প্রভাব

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার অভাব এই ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্কুটি ও বাইকের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন।

পরবর্তী পদক্ষেপ

ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পুলিশের তল্লাশী অভিযান অব্যাহত আছে। তদন্তের মাধ্যমে দোষী চালককে আইনের আওতায় আনা হবে। স্থানীয় প্রশাসনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
হ্যাশট্যাগ:
#আলিপুরদুয়ার #প্রদীপরঞ্জন_ঘোষ #আরপিএফ #দুর্ঘটনা #লরি_ধাক্কা #বীরপাড়া #গ্যারগেন্দা_সেতু

জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যু: স্কুবা ডাইভিং নয়, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ

জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যু: স্কুবা ডাইভিং নয়, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ

জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যু: স্কুবা ডাইভিং নয়, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ

সিঙ্গাপুর, ২০ সেপ্টেম্বর (Y বাংলা ব্যুরো): সিঙ্গাপুরের নর্থইস্ট ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার কথা ছিল জুবিন গর্গের। কিন্তু শেষকৃত্য পর্যন্ত পৌঁছেছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। শুক্রবার দুপুরে জুবিন শখের বশে স্কুবা ডাইভিং করার জন্য সমুদ্রে নেমেছিলেন। এক পর্যায়ে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা শুরু হলে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা ব্যর্থ হন এবং আইসিইউতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তবে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জুবিনের মৃত্যু স্কুবা ডাইভিংয়ের জন্য হয়নি। বরং সমুদ্রে সাঁতার কাটার সময় ঘটেছে। ভিডিও ফুটেজের সূত্রে দেখা যায়, তিনি প্রথমে লাইফ জ্যাকেট পরে তরী থেকে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন, সাঁতার কেটে ফিরে আসেন। এরপর লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই দ্বিতীয়বার সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। হিমন্তের মতে, দ্বিতীয়বার ঝাঁপ দেওয়ার সময়ই তিনি আর ফেরেননি।

লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ঝাঁপের পর মর্মান্তিক অবস্থা

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, "ভিডিওতে দেখা যায় জুবিন প্রথমে তরী থেকে লাইফ জ্যাকেট পরে সমুদ্রে ঝাঁপ দেন। তারপর ফের লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই সমুদ্রে প্রবেশ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন, লাইফ জ্যাকেট পরে সাঁতার কাটতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই তা খুলে রেখেছিলেন।" এই ঘটনার পর সমুদ্রেই তিনি অবচেতন অবস্থায় ভাসতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি।

অসমে শেষকৃত্য, সিআইডির তদন্ত

অসমের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জুবিনের শেষকৃত্য অসমেই সম্পন্ন হবে। সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ অসমে আনা হবে। জুবিনের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তাঁর অনুরাগীরা। সেই কারণে গুয়াহাটিতে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছে, যাতে নাম রয়েছে জুবিনের ম্যানেজার ও সিঙ্গাপুরের অনুষ্ঠান আয়োজকের। অসম পুলিশ এই এফআইআর সিআইডির কাছে স্থানান্তর করেছে। এখন জুবিনের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত করবে সিআইডি।

অনুরাগীর প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক প্রভাব

জুবিনের অকাল মৃত্যু সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তাঁর অনুরাগীরা শোকাহত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে তাঁকে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, আন্তর্জাতিক পারফর্ম্যান্সের সময় এমন দুর্ঘটনা কোনো শিল্পী বা পারফর্মারের জন্য বড় ধাক্কা। সিঙ্গাপুরের স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন অনুরাগীরা।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া

সিঙ্গাপুরের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমও জুবিনের মৃত্যুকে গুরুত্ব সহকারে সম্প্রচার করেছে। অসমের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহল এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, লাইফ জ্যাকেট ছাড়া সমুদ্রে ঝাঁপ দেওয়া বিপজ্জনক এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারফর্মারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মকানুন আরও কঠোর করা উচিত।

জুবিন গর্গ স্কুবা ডাইভিং
জুবিন গর্গ স্কুবা ডাইভিং করার আগে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। (ফাইল ছবি)

পরবর্তী পদক্ষেপ

অসম পুলিশের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের প্রশাসন সমন্বয় করে তদন্ত চালাচ্ছে। মরদেহ ফিরিয়ে আনার পর জুবিনের পরিবার এবং স্থানীয় প্রশাসন চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করবেন। এছাড়া এফআইআর-এর ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু শিল্পী এবং অনুরাগীদের জন্য এক স্মরণীয় এবং মর্মস্পর্শী ঘটনা। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পারফর্ম্যান্স ও শখের কার্যক্রমের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে
হ্যাশট্যাগ:
#জুবিন_গর্গ #মৃত্যু #সিঙ্গাপুর #লাইফ_জ্যাকেট #স্কুবা_ডাইভিং #হিমন্ত_বিশ্বশর্মা #অসম_পুলিশ #সিআইডি

হাওড়া গ্রামীণ জেলা TMC চেয়ারম্যান সমীর পাঁজার পদত্যাগ, নতুন জেলা কমিটিকে নিয়েই আপত্তি

হাওড়া গ্রামীণ জেলা TMC চেয়ারম্যান সমীর পাঁজার পদত্যাগ, নতুন জেলা কমিটিকে নিয়েই আপত্তি হাওড়া গ্রামীণ জেলা TMC চেয়ারম্যান পদত্যাগ

হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান পদ থেকে সমীর পাঁজার পদত্যাগ, নতুন জেলা কমিটিকে নিয়েই আপত্তি

হাওড়া (Y বাংলা ব্যুরো), ২০ সেপ্টেম্বর: হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছল। জেলা চেয়ারম্যান পদে থাকা উদয়নারায়ণপুরের বিধায়ক সমীর পাঁজা শনিবার তার পদত্যাগ ঘোষণা করেছেন। জানা গেছে, তিনি ইতিমধ্যেই তার পদত্যাগপত্র তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বক্সী-কে পাঠিয়েছেন।

পদত্যাগের মূল কারণ হিসেবে সমীর পাঁজা নতুন জেলা কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া-র সঙ্গে তার অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। সূত্রের খবর, তিনি মনে করছেন যে নতুন কমিটির আকার ও সদস্য বাছাই তৃণমূলের মূল নীতিমালা ও স্থানীয় স্তরের কার্যকারিতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সমীর পাঁজা দীর্ঘদিন ধরে হাওড়া গ্রামীণ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে ছিলেন এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার পদত্যাগ এলাকার রাজনৈতিক ভারসাম্যকে প্রভাবিত করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

পদত্যাগের পর দলের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্বের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব আশা করছে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে এবং স্থানীয় সংগঠন শক্তিশালী রাখা সম্ভব হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সমীর পাঁজার পদত্যাগ জেলা স্তরের রাজনীতিতে শূন্যতা সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে আগামী স্থানীয় ও সংসদীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে। স্থানীয় নেতারা ইতিমধ্যেই দলের কার্যক্রম ও কর্মীসংগঠনের পুনর্বিন্যাসে মনোনিবেশ করেছেন।

তথ্যসূত্র: দলীয় সূত্র ও স্থানীয় রাজনৈতিক সংবাদ।

হ্যাশট্যাগ:
#হাওড়া_গ্রামীণ #তৃণমূল_কংগ্রেস #সমীর_পাঁজা #পদত্যাগ #রাজনীতি #জেলা_কমিটি

পুজোর আগেই তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল, নতুন কমিটি ঘোষণা

পুজোর আগেই তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল, নতুন কমিটি ঘোষণা

পুজোর আগেই তৃণমূলে বড় সাংগঠনিক রদবদল, নতুন কমিটি ঘোষণা

Y বাংলা ব্যুরো: পুজোর আগেই তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে বড় ধরনের সাংগঠনিক রদবদল ঘোষণা করেছে। শনিবার হাওড়া গ্রামীণ, হুগলির শ্রীরামপুর, আরামবাগ, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুর এবং বহরমপুরে যুব, মহিলা, শ্রমিক ও মূল সংগঠনগুলিতে ব্লক ও টাউন স্তরে নতুন প্রেসিডেন্টদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই রদবদল সম্পন্ন হয়েছে।

সাংগঠনিক জেলায় বড় রদবদল

হাওড়া গ্রামীণ এলাকায় মোট ৮টি টাউন ও ব্লক স্তরে রদবদল হয়েছে। সেই সঙ্গে অন্যান্য জেলাগুলোতেও নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই রদবদলের লক্ষ্য একটাই, ২০২৬-এর নির্বাচনের আগে দলের পারফরম্যান্স বাড়ানো এবং একুশের চেয়ে আরও বেশি আসনে জয় অর্জন করা।

নতুন কমিটির লক্ষ্য ও গুরুত্ব

পুজোর আগে নতুন কমিটি ঘোষণা করার মাধ্যমে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব দলের ভিতরে এক ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। এতে করে নির্বাচন এবং পরে দলের কার্যক্রম পরিচালনায় সুবিধা হবে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুন নেতাদের নির্বাচন করা হবে পারফরম্যান্স ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে। কাজের লোককে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, এবং দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

নেতাদের প্রতিক্রিয়া ও দলীয় বার্তা

নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের পোস্টে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিদায়ী নেতাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, পুজোর আগেই রদবদল সম্পন্ন করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনের পূর্বে দলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করা।

শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলায় একাধিক বৈঠক করেছেন এবং পারফরম্যান্স, গ্রহণযোগ্যতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা অনুযায়ী নতুন কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। দলের তরুণ ও আগ্রহী নেতা-নেত্রীদের এই নতুন দায়িত্বে আনা হয়েছে। দলের মূল লক্ষ্য একটাই — একাধিক আসনে জয় নিশ্চিত করা।

পুজো ও নির্বাচনের প্রস্তুতি

পুজোর আগে রদবদল করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে উৎসবকালে দলের কাজ চলতে কোনো বিলম্ব হবে না। পুজোর পরে নতুন কমিটি নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে। তৃণমূলের এই প্রস্তুতি নির্বাচনী ময়দানে দলকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছে দেবে।

সংগঠনের অভ্যন্তরীণ নীতি

দলের অভ্যন্তরীণ নীতি অনুযায়ী, পারফরম্যান্স ও গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে নেতা-নেত্রীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়। নতুন কমিটির কাজের লক্ষ্য পরিষ্কার — দলকে নির্বাচন জয়ে এগিয়ে নেওয়া। প্রত্যেককে দলের নির্দেশ মেনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

নতুন কমিটির ভবিষ্যত পরিকল্পনা

নতুন কমিটি পুজোর পরে তৃণমূলকে নির্বাচনী ময়দানে প্রস্তুত করবে। প্রতিটি ব্লক ও টাউন স্তরের নেতা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। দলের লক্ষ্য, একুশের চেয়ে বেশি আসনে জয় নিশ্চিত করা এবং রাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলে সমর্থন বৃদ্ধি করা।

তৃণমূলের নতুন কমিটির বৈঠক

তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কমিটির বৈঠক।

এই রদবদলের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস আগামী নির্বাচনে সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। নেতাদের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে এবং দলের মূল লক্ষ্য অর্জনের জন্য তারা সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন, মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনে রাখলেন সময়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন, মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনে রাখলেন সময়

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করলেন, মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনে রাখলেন সময়

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন

ছবি: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করছেন

কলকাতার হাতিবাগান সর্বজনীন, টালা প্রত্যয় ও শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্গাপুজোর মণ্ডপ শনিবার উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে উদ্বোধনের সময় তিনি মণ্ডপের ভেতরে প্রবেশ করেননি। তাঁর বক্তব্য ছিল, “আমি পুজোমণ্ডপ উদ্বোধন করতে এসেছি, মাতৃপ্রতিমার নয়। মহালয়ার দিন থেকে মাতৃপ্রতিমার উদ্বোধন করব।”

সকাল বৃষ্টিভেজা আকাশের মধ্যে হাতিবাগান সর্বজনীন মণ্ডপে পৌঁছে ফিতে কেটে উদ্বোধন করেন মমতা। বারবার তিনি মঞ্চ থেকে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মণ্ডপে যাওয়া নয়, শুধু উদ্বোধন করাই আজকের উদ্দেশ্য। “আমি কিন্তু কেবল মণ্ডপের উদ্বোধন করছি,” বলেন তিনি। এছাড়াও তিনি জানান, মহালয়ার দিন তর্পণ ও চণ্ডীপাঠের পরই মাতৃপ্রতিমার উদ্বোধন করবেন।

হাতিবাগান সর্বজনীন মণ্ডপের পর তিনি টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবেও একই কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। প্রত্যেক স্থানে মুখ্যমন্ত্রী বারবার জানিয়ে দেন, মাতৃপ্রতিমার উদ্বোধন করার দিন আলাদা। এই ঘোষণার মাধ্যমে অনেকের মনে হয়েছে, তিনি নাম না করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ‘হিন্দুবিরোধী’ মন্তব্যের জবাব দিচ্ছেন।

মমতার এই কার্যক্রমে মূলত লক্ষ্য ছিল মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনকে মহালয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করা। তিনি বলেন, “দেবীপক্ষে মাতৃদেবীর উদ্বোধন করব। পুজোর মূল উৎসবের প্রস্তুতি এবং দেবীকে সন্মান প্রদানের জন্যই আমরা মহালয়ার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করব।”

বাংলা ও বাঙালিদের অধিকার নিয়েও সরব মুখ্যমন্ত্রী

উদ্বোধনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলা ভাষা ও বাঙালিদের উপর যে ধরনের হেনস্থার অভিযোগ উঠছে, সেটিকেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই হল মূল কথা। সকলেই নিজের মাতৃভাষাকে সম্মান করুক। কিন্তু বাংলা ভাষায় কথা বললে অত্যাচার করা হচ্ছে—এটি কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের লক্ষ্য সকলকে সমবেত করা এবং একে অপরের সংস্কৃতি ও ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।”

উল্লেখ্য, এই তিনটি মণ্ডপ কলকাতার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী পুজোমণ্ডপগুলোর মধ্যে পড়ে। হাতিবাগান সর্বজনীন মণ্ডপটি বরাবরের মতো এবারও মানুষের ভিড়ে মুখরিত থাকে। টালা প্রত্যয় এবং শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব মণ্ডপও বহু বছর ধরে কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পুজোর আনন্দকে বহন করে আসছে।

মণ্ডপ উদ্বোধনের ধারাবাহিকতা

মুখ্যমন্ত্রী শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনটি মণ্ডপে পা রাখেন। প্রতিটি মণ্ডপে তিনি ফিতে কেটে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তবে ভেতরে প্রবেশ না করায় তা শুধুই আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মমতার এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক কারণে হলেও তা পুজোর মৌলিক উৎসবকে শ্রদ্ধা জানানোর এক পদক্ষেপ।

উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় প্রশাসন এবং মণ্ডপ কমিটির সদস্যরা। এছাড়াও সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ দর্শক ও ভক্তরা, যারা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ফিতে কাটা এবং উদ্বোধনের মুহূর্ত সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

মুখ্যমন্ত্রীর এই পুজোমণ্ডপ উদ্বোধনকে অনেকেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মমতার বার্তাকে প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, “মমতা শুধুমাত্র ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নিজের অবস্থান দৃঢ় করেছেন।”

শহরের বিভিন্ন মিডিয়া হাউস এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোও মুখ্যমন্ত্রীর পুজোমণ্ডপ উদ্বোধনের খবর লাইভ কভারেজ দিয়েছে। বিশেষ করে মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধনের তারিখ এবং মাতৃপ্রতিমাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপন করার বার্তাটি নিউজ হেডলাইনে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উধমপুর সেনা অভিযান: জওয়ান গুলিবিদ্ধ, তিন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে

উধমপুর সেনা অভিযান: জওয়ান গুলিবিদ্ধ, তিন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে

উধমপুর সেনা অভিযান: জওয়ান গুলিবিদ্ধ, তিন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে

Y বাংলা ব্যুরো: জম্মু-কাশ্মীরের উধমপুরে সেনা অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক জওয়ান। শুক্রবার রাত থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান এখনও চলছে। আহত জওয়ানকে দ্রুত জেলার কম্যান্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেনার আশঙ্কা, সেওজ ধার এলাকায় দুই থেকে তিনজন জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তাদের পাকড়াও বা এনকাউন্টার করার পরিকল্পনা করেছে সেনা।

ঘটনার বিবরণ

শুক্রবার গভীর রাতে হোয়াইট নাইট কর্পস জানায়, দোদা-উধমপুর সীমান্তে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলি বিনিময় শুরু হয়েছে। এর আগে, রাত আটটা নাগাদ কিস্তওয়ারে একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়েছিল সেনা ও পুলিশ। সেখানে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয়। রাত সাড়ে দশটায় কর্পসের পক্ষ থেকে অভিযানের কথা জানানো হয়।

অস্ত্র উদ্ধার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি

পুঞ্চ সেক্টর থেকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে চিনা হ্যান্ড গ্রেনেড, কার্তুজ এবং ম্যাগাজিন। সেনার সন্দেহ, বড় কোনো হামলার ছক করেই এই অস্ত্র মজুত রাখা হয়েছিল। জম্মু-কাশ্মীরজুড়ে তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে।

গত নিরাপত্তা ঘটনা ও সাফল্য

চলতি মাসের ৮ তারিখ কুলগামে সেনা অভিযানে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন দু’জন জওয়ান। বিগত কয়েক মাসে বড় রকমের সাফল্যও পেয়েছে বাহিনী। অগস্টে উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলায় দুই লস্কর জঙ্গিকে খতম করা হয় এবং প্রচুর অস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়। কুলগামে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে আরও দুই জঙ্গি খতম হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সীমান্তে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশ

জম্মুর আরএস পুরা সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্তে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়েছে। অক্ট্রই আউটপোস্টে অনুপ্রবেশের চেষ্টা লক্ষ্য করেন জওয়ানরা। চ্যালেঞ্জ করার পর কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। পরে সীমান্ত বেড়ার কাছে ধরা পড়ে ধৃত সিরাজ খান, যিনি পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সারগোধা জেলার বাসিন্দা। তার কাছ থেকে পাকিস্তানি মুদ্রা উদ্ধার হয়েছে।

উপসংহার

উধমপুরে চলমান এই অভিযান দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যক্রম ও জঙ্গি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জোরদার সতর্কবার্তা। সেনা ও পুলিশের যৌথ তল্লাশি অভিযান ও সীমানা পাহারায় দেশের নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে।

উধমপুর সেনা অভিযান

ছবি: উধমপুর সেনা অভিযান

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

#উধমপুর #জম্মুকাশ্মীর #IndianArmy #সেনা_অভিযান #জঙ্গি #ThreeTerrorists #PoonchSector #সীমান্তনিরাপত্তা #BreakingNews #বাংলাখবর #Yবাংলা_ডিজিটাল #NationalSecurity #ভারত #Pakistan #ArmsSeizure

রাঁচি SSC ছাত্র ISIS-এর জন্য বোমা তৈরি: ১৩ গ্রেফতার, জঙ্গি চক্র ধ্বংস

রাঁচি SSC ছাত্র ISIS-এর জন্য বোমা তৈরি: ১৩ গ্রেফতার, জঙ্গি চক্র ধ্বংস

রাঁচি SSC ছাত্র ISIS-এর জন্য বোমা তৈরি, ১৩ গ্রেফতার

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাঁচি জঙ্গি গ্রেফতার অভিযান

ছবি: রাঁচির ইসলামনগরে বোমা তৈরির তবরক লজে অভিযান চলাকালীন উদ্ধারকৃত সামগ্রী

অভিযানের প্রেক্ষাপট

রাঁচির ইসলামনগর এলাকার তবরক লজ ছিল একটি নির্জন ও অচেনা স্থান। বাইরে এটি ‘হোটেল’-এর মতো দেখালেও ভেতরে ছিল অন্ধকার, স্যাঁতসেঁতে এবং জরাজীর্ণ। ছোট ছোট ঘর ভাড়া দেওয়া হতো। এই স্থানটি ব্যবহার করে SSC পরীক্ষার্থী আজহার দানিশ ISIS জঙ্গিগোষ্ঠীর জন্য বোমা তৈরি করছিল।

দিল্লি পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, গত সপ্তাহে আফতাব কুরেশিকে গ্রেফতার করে জেরা করা হয়। আফতাবের তথ্যের ভিত্তিতে আজহার দানিশ এবং আরও ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এটি ধ্বংস করেছে একটি বোমা তৈরির জঙ্গি চক্র যা নতুন সদস্যদের দলে টানছিল এবং নির্দিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের টার্গেট করার পরিকল্পনা করছিল।

বোমা তৈরির কৌশল ও সামগ্রী

গ্রেফতার হওয়া চক্রের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে:

  • গান পাউডার
  • পটাশিয়াম নাইট্রেট (সল্টপিটার)
  • দেশি তৈরি অস্ত্র
  • অ্যাসিটোন পারঅক্সাইড
  • PETN (পেন্টাএরিথ্রিটল টেট্রানাইট্রেট)

পটাশিয়াম নাইট্রেট বা সল্টপিটার একটি রাসায়নিক যা সার তৈরিতে ব্যবহার হয় এবং বোমার উপাদান হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। PETN এবং অ্যাসিটোন পারঅক্সাইড দিয়ে ‘মাদার অফ সাটান’ নামের শক্তিশালী বোমা তৈরি করা হত। উদ্ধারকৃত সব সামগ্রী বিশ্লেষণের জন্য পাঠানো হয়েছে।

চক্রের সংগঠন ও অনলাইন প্ররোচনা

আজহার পাকিস্তানি সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলারের মাধ্যমে অন্যান্যদের দলে টানতেন। তিনি ‘সিগন্যাল’ অ্যাপে গ্রুপ তৈরি করতেন, যেমন ‘ইন্টার্ন ইন্টারভিউ’ বা ‘বিজনেস আইডিয়া’, যাতে সন্দেহ না হয়। গ্রুপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা হতো এবং বোমা তৈরির উপকরণ অনলাইনে কেনা হতো।

গ্রেফতার হওয়া অন্যান্য সদস্য

  • সুফিয়ান খান
  • মোহাম্মদ হুজাইফ ইয়ামান
  • কামরান কামরান কুরেশি

তারা ধর্মীয় স্থানে হামলার পরিকল্পনা করছিল। অভিযান শেষে সকলকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

তদন্তে পাওয়া তথ্য

সূত্র জানিয়েছে, আজহার ২০২৪ সাল থেকে তবরক লজে অবস্থান করছিল। তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে নতুনদের দলে টেনে নিতেন। জঙ্গি চক্রের কার্যক্রম ও সরঞ্জামগুলো নিয়মিতভাবে পরীক্ষা করা হতো সুবর্ণরেখা নদীতে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পরবর্তী পদক্ষেপ

পুলিশ এবং সন্ত্রাস দমন শাখা পুরো এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে। বোমা ও রাসায়নিক পদার্থের বিশ্লেষণ চলছে। মূল হোতাদের সনাক্তকরণের জন্য তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সকলকে আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে।

অভিযান থেকে শিক্ষা

এই ঘটনা দেশের সাইবার ও ভূ-নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা প্রদান করেছে। বিশেষ করে অনলাইন প্ররোচনা এবং দূরবর্তী হ্যান্ডলারের মাধ্যমে জঙ্গি দলে নতুন সদস্য টানার কৌশলগুলোতে নজরদারি জোরদার করা হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে ঘেরাও, ভিসি পদত্যাগের দাবি তোলল ছাত্রছাত্রীরা

বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে ঘেরাও, ভিসি পদত্যাগের দাবি তোলল ছাত্রছাত্রীরা

বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যকে ঘেরাও, ভিসি পদত্যাগের দাবি তোলল ছাত্রছাত্রীরা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বেলেঘাটা আইন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রবিক্ষোভ
বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা উপাচার্যকে পদত্যাগের দাবিতে ঘেরাও করছেন।

রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের ছেলের পিএইচডি-র ভর্তিতে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে বেলেঘাটার আইন বিশ্ববিদ্যালয়ে। অভিযোগ তুলে ছাত্রছাত্রীরা উপাচার্যকে পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। এই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। ছাত্রছাত্রীরা তাদের সামনে সরাসরি এই দাবিটি জানান।

সকাল থেকেই উত্তেজনা

শনিবার সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়ায়। জেনারেল কাউন্সেলিং মিটিং চলাকালীন ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। উপস্থিতির সামনেই আন্দোলন শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

ছাত্রছাত্রীর দাবিসমূহ

অভিযোগ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দুর্নীতিগ্রস্ত। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগও রয়েছে, যা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়িয়েছে। এই কারণেই ছাত্রছাত্রীরা একবাক্যে দাবি তুলেছেন যে, অবিলম্বে উপাচার্য পদত্যাগ করবেন। তারা স্লোগান দিতে দিতে উপাচার্যকে ঘেরাও করেছেন। হাতে তারা বিভিন্ন পোস্টারও বহন করছিলেন, যেমন “এই ভিসিকে মানি না, মানব না” এবং মোবাইল স্ক্রিনে বড় অক্ষরে “Remove VC” লিখে তা দেখানো হয়।

মিডিয়ার সামনে চুপচাপ

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কেউ সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি। তবে তাদের অবস্থান স্পষ্ট—ভিসি পদে থাকা একেবারেই মেনে নেবেন না। ছাত্রছাত্রীরা তাদের দাবিতে দৃঢ়। তারা বলেছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখতে এই আন্দোলন অপরিহার্য।

উপাচার্য ও প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। উপাচার্য সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে কোনো ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি।

আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা

ছাত্রছাত্রীরা আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তকে ঘেরাও করেছেন। তবে তারা শান্তিপূর্ণ অবস্থায় বিক্ষোভ চালিয়েছেন। আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য উপাচার্যের পদত্যাগ নিশ্চিত করা। প্রশাসনিক ও বিচারিক উপস্থিতি আন্দোলনকে সংযত রেখেছে।

ভবিষ্যত পদক্ষেপ

ছাত্রছাত্রীরা জানিয়েছেন, যদি উপাচার্য পদত্যাগ না করেন, তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে প্রস্তুত। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বচ্ছতা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। প্রশাসনের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই চাইল্ড প্রোটেকশন এবং বিশ্ববিদ্যালয় নিয়মাবলী অনুযায়ী তদন্ত শুরু হয়েছে।

সমাজে প্রতিক্রিয়া

এই ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয় জগতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা এই ঘটনার ওপর নজর রেখেছেন। সমাজের বিভিন্ন স্তরে এই আন্দোলন নিয়ে বিতর্ক চলছে। অনেকে শিক্ষার্থীদের সাহসিকতাকে সমর্থন করেছেন, আবার অনেকে শিক্ষার্থীদের উপযুক্ত প্রমাণ ছাড়া বিক্ষোভ না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বঙ্গ বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূলকে চাপে ফেলার পরিকল্পনা

বঙ্গ বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূলকে চাপে ফেলার পরিকল্পনা

বঙ্গ বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগের মাধ্যমে তৃণমূলকে চাপে ফেলার পরিকল্পনা

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে পুজো যোগাযোগ
বিজেপি নেতারা প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন Durga Puja-এর আগে।

যে অস্ত্রে তৃণমূল বারবার বিজেপিকে ঘায়েল করার চেষ্টা করছে, সেই একই অস্ত্র এবার বিজেপি শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে যাচ্ছে। ‘বাংলা ভাষার অপমান’ ও ‘বাংলার বাইরে বাঙালিদের হেনস্থা’—এই দুটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল বারবার বিজেপিকে আক্রমণ করেছে। প্রকাশ্য মঞ্চে এই অভিযোগ উড়ানো হলেও, ভিতরে ভিতরে বিজেপি পাল্টা পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে যোগাযোগ

বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের কাজে লাগিয়ে তৃণমূলকে চাপে ফেলতে চাইছে। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতারা বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বাঙালি পুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছেন। এই কর্মসূচিতে রাজ্য বিজেপির দুই হেভিওয়েট নেতা—বর্তমান সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার—অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন। শমীক গুজরাতে এবং সুকান্ত বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় এই সফরে যাচ্ছেন।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও পরিকল্পনা

দুষ্যন্তকুমার গৌতম এবং তরুণ চুঘ—দুটি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক—পুরো কর্মসূচির দেখভাল করছেন। প্রতিটি রাজ্যে স্থানীয় নেতাদের একটি করে দল তৈরি করা হয়েছে, যারা বাংলার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে স্থানীয় পুজো কমিটিগুলির যোগাযোগ স্থাপন করছে। এই কর্মসূচির আওতায় মুম্বই, পুণে, নাসিক, সুরাত, জয়পুর, দিল্লি, দেহরাদূন, হরিদ্বার, লখনউ, বারাণসী, রাঁচি, পটনা, ভুবনেশ্বর, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, তিরুঅনন্তপুরম, কোচি, বেঙ্গালুরু, পঞ্জিম, মারগাঁও সহ একাধিক শহরে সফর করা হবে। চণ্ডীগড় ও আন্দামান নিকোবরকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রাক্তন সভাপতির মন্তব্য

রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিংহ জানান, ‘কোথাও কোনো বাঙালি হেনস্থা নেই। তৃণমূলের সাজানো গল্প কেউ বিশ্বাস করে না। আমাদের কর্মসূচির সঙ্গে এগুলোর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। আমরা যাচ্ছি তাদের কাছে যারা হয়তো সেই রাজ্যের ভোটার নন, কিন্তু আত্মীয়-পরিচিতরা এখানে থাকেন। আমরা দেখাব কতটা উন্নতি হয়েছে এবং কেন এই রাজ্য থেকে তৃণমূলকে সরানো প্রয়োজন।’

রাজনীতিতে প্রভাব

এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিজেপি প্রবাসী বাঙালিদের মাধ্যমে রাজনৈতিক সচেতনতা বাড়াতে চাইছে। তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপি তার কৌশল পরিবর্তন করছে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রবাসী বাঙালিদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নিজস্ব প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog