Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Sunday, 21 September 2025

ভোটের মুখে বড় ঘোষণা নীতীশ কুমারের: ‘মহাদলিত উন্নয়ন মিশন’-এর কর্মীদের জন্য ট্যাবলেট ও বাড়তি ভাতা

পাটনাঃ ২১ সেপ্টেম্বর: ভোটের মুখে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার নতুন এক বড় ঘোষণা করেছেন। ‘মহাদলিত উন্নয়ন মিশন’-এর (Mahadalit Vikas Mission) কর্মীদের এককালীন ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে ট্যাবলেট কেনার জন্য। এর পাশাপাশি তাদের যাতায়াত এবং দফতর সামগ্রীর ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপে বিকাশ মিত্ররা (Vikas Mitra) আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে মাঠে উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। ট্যাবলেট বিতরণের উদ্দেশ্য নীতীশ কুমার বলেছেন, বিকাশ মিত্ররা যাতে সহজেই বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই এই ট্যাবলেট বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, “ন্যায়সঙ্গত উন্নয়নের নীতি মেনে সরকার পিছিয়ে পড়া সমাজের উন্নতির জন্য ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছে। বিশেষ করে তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের কাছে সরকারি প্রকল্পগুলি পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন বিকাশ মিত্ররা। তাঁদের হাতে ট্যাবলেট তুলে দিলে কাজের গতি বাড়বে।” মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের ফলে বিকাশ মিত্ররা মাঠে কাজ করতে আরও স্বাধীন ও দক্ষ হবেন। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ, প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং সুবিধাভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। যাতায়াত ও দফতর সামগ্রীর ভাতা বাড়ানো নীতীশ কুমার জানিয়েছেন, বিকাশ মিত্রদের যাতায়াত ভাতা মাসে ১৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫০০ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে দফতর সামগ্রীর ভাতাও ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়েছে। এর ফলে তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করতে আরও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন এবং নথি সংগ্রহে সুবিধা হবে। স্থানীয় প্রশাসনের মতে, এই পদক্ষেপ শুধু বিকাশ মিত্রদের নয়, পুরো মহাদলিত উন্নয়ন কর্মসূচির কার্যকারিতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে। সরকার আশা করছে, সুবিধাভোগীদের সঠিক তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করা গেলে যেকোনও প্রকল্পের অগ্রগতি সহজে যাচাই করা সম্ভব হবে। ‘শিক্ষা সেবক’-দের জন্য বিশেষ সুবিধা নীতীশ কুমার রবিবার আরও ঘোষণা করেছেন, মহাদলিত, দলিত, সংখ্যালঘু এবং অতি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে এবং মহিলাদের সাক্ষরতায় ভূমিকা রাখার জন্য ‘শিক্ষা সেবক’-দের (Shiksha Sevak) জন্য নতুন সুবিধা চালু করা হচ্ছে। ‘আক্ষর আঁচল’ প্রকল্পের অন্তর্গত এই কর্মীদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে স্মার্টফোন কেনার জন্য। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য, ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রমকে সহজতর করা। শিক্ষা সেবকরা যাতে ডিজিটাল মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা, শিক্ষার অগ্রগতি এবং অন্যান্য সংক্রান্ত তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে পারেন, সেই জন্য এই সুবিধা চালু করা হয়েছে। শিক্ষা সেবকদের বরাদ্দ বৃদ্ধি নীতীশ কুমার আরও জানিয়েছেন, শিক্ষা সেবকদের খাতেও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। যেখানে আগে বছরে প্রতিটি কেন্দ্রে ৩৪০৫ টাকা বরাদ্দ থাকত, তা বাড়িয়ে ৬০০০ টাকা করা হয়েছে। এর ফলে তারা শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় আরও দক্ষ ও স্বচ্ছভাবে কাজ করতে পারবেন। সরকারি সূত্রের মতে, এই বরাদ্দ বৃদ্ধি শিক্ষাক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশনকে আরও গতিশীল করবে। স্কুল পর্যায়ে শিশুদের উপস্থিতি, শিখন অগ্রগতি এবং অন্যান্য তথ্য সহজে অনলাইনে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। ভোটের আগে রাজ্যবাসীর জন্য নানা প্রকল্প নীতীশ কুমারের এই পদক্ষেপ শুধু ট্যাবলেট ও ভাতা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। ভোটের আগে তিনি রাজ্যবাসীর জন্য একাধিক প্রকল্পের অধীনে সুবিধা ঘোষণা করেছেন। এতে সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার এবং পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে, শুধুই নীতীশ নয়, তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্ট্যালিনও ভোটের আগে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প চালু করেছেন। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন, মা–বাবা হারানো শিশু অথবা এক অভিভাবক মৃত্যুবরণ করলে আরেকজন অভিভাবক যদি আর্থিক বা শারীরিকভাবে সন্তানের দায়িত্ব নিতে অক্ষম হন, সেই সব শিশুদের মাসে ২ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ভোটের আগে এই ধরনের ঘোষণা রাজনৈতিক প্রচারণার অংশ হলেও এগুলো সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর জন্য বাস্তব কার্যকর সুবিধা প্রদান করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপে সরকার পিছিয়ে পড়া সমাজের মানুষের কাছে পৌঁছাতে এবং ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সমর্থ হবে। ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নীতীশ কুমারের সরকার আশা করছে, ট্যাবলেট বিতরণ এবং বরাদ্দ বৃদ্ধি বিকাশ মিত্র ও শিক্ষা সেবকদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। সরকারের লক্ষ্য, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করা এবং সুবিধাভোগীদের কাছে সরকারি প্রকল্পগুলো পৌঁছানো। সরকারি সূত্র আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েক মাসে বিকাশ মিত্র ও শিক্ষা সেবকদের হাতে সরাসরি ট্যাবলেট ও স্মার্টফোন বিতরণ শুরু হবে। এছাড়া, নতুন বরাদ্দ ও ভাতা বৃদ্ধি মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

হেলমেট-রেনকোট পরে জিমে ঢুকে গুলি: চারু মার্কেটে চাঞ্চল্য, পুলিশ তদন্তে ব্যস্ত

চারু মার্কেট, ২১ সেপ্টেম্বর: শহরের চারু মার্কেট এলাকায় রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এক অস্ত্রবিধ্বংসী ঘটনা। সোমবার দুপুরে হেলমেট ও রেনকোট পরিহিত দু’জন বাইক আরোহী স্থানীয় একটি জিমে প্রবেশ করে পরপর গুলি ছুঁড়েন। অদ্ভুত হলেও এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে, হামলার লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট—জিমের মালিক। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, দু’জন অপরিচিত ব্যক্তি বাইকে এসে রাস্তার ধারে দাঁড়ান। এরপর তারা সরাসরি জিমের ভিতরে প্রবেশ করে। প্রথমে তারা জিমের কর্মচারীদের খোঁজ নেন এবং মালিক কোথায় আছেন তা জানতে চান। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে, গুলি চালানো হয়—প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোট দু’টি গুলি ছোড়া হয়েছে। ঘটনার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে হামলাকারীরা বাইকে চেপে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। স্থানীয়দের মতে, গুলি চলার সময় জিমের ভেতরে থাকা অনেকে চমকে যান, তবে সৌভাগ্যবশত কেউ গুরুতরভাবে আহত হননি। হামলার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধার হয়েছে দুটি খোলা গুলি। পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীদের পরিচয় এখনও অজানা। জিমের কর্মীরা বলছেন, তারা হামলার কারণও বুঝতে পারছেন না। চারু মার্কেট থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর অবিলম্বে তদন্ত শুরু করেছে। থানার অফিসারদের মতে, জিমের ভিতরে এবং বাইরের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশ মনে করছে, এই ফুটেজের মাধ্যমে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, “আমরা হামলার উদ্দেশ্য ও দুষ্কৃতীদের সম্ভাব্য গতিবিধি খতিয়ে দেখছি। যেসব ব্যক্তি জিমের ভেতরে ও বাইরের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে, তাদের পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। আমাদের আশা, খুব শীঘ্রই আমরা এই ঘটনায় জড়িতদের সনাক্ত করতে পারব।” এলাকায় আতঙ্কের ছোঁয়া চারু মার্কেটের আশেপাশের দোকানদার ও ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। অনেকেই বলছেন, “এমন হামলার ঘটনা আগে কখনও হয়নি। আমরা ভয় পাচ্ছি। যদি পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তাহলে বাজারে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা আরও বাড়বে।” স্থানীয়রা আরও জানিয়েছেন, জিম এলাকায় সাধারণত অনেক মানুষ দুপুরে আসেন, তাই ঘটনার সময় সৌভাগ্যক্রমে বড় কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। জিমের মালিক জানিয়েছেন, তারা এখনও ঘটনাটি হজম করতে পারছেন না। তিনি বলেন, “আমরা বুঝতে পারছি না কেন আমাদের লক্ষ্য করা হলো। আমি নিজে তখন জিমে ছিলাম না। তবে কর্মীরা জানিয়েছেন, তারা শুধু আমাদের খুঁজছিলেন। কেবলমাত্র গুলি ছোড়ার মাধ্যমে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।” পুলিশের কড়া পদক্ষেপ পুলিশ জানিয়েছে, তারা দুইজনকে দ্রুত শনাক্তের জন্য নানান তথ্যসূত্র সংগ্রহ করছেন। শহরের চারপাশের রুট ও সিসি ফুটেজের মাধ্যমে সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা তৈরি করা হচ্ছে। এছাড়া পুলিশ স্থানীয় হোস্টেল, রেস্তোরাঁ এবং যানবাহন পার্কিং এলাকায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের খোঁজ শুরু করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা বিশেষভাবে পরিকল্পিতভাবেই হেলমেট ও রেনকোট পরে এসেছিলেন যাতে তাদের পরিচয় ধরা না পড়ে। পুলিশের ধারণা, তারা বাইক ব্যবহার করে দ্রুত এলাকা থেকে পালানোর পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন। স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। অনেকেই মনে করছেন, “এভাবে প্রকাশ্য স্থানে গুলি ছোড়া মানে নিরাপত্তার অভাব স্পষ্ট। যদি পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা না নেন, তাহলে অন্যেরও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে।” বাজার এলাকার বাসিন্দারা আশা করছেন, পুলিশ দ্রুত এই হামলাকারীদের গ্রেফতার করবে। তারা বলেন, “এ ধরনের ঘটনা যেন ভবিষ্যতে না ঘটে, তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দরকার।” ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ চারু মার্কেট থানার অফিসারদের মতে, তারা: জিমের সিসি ক্যামেরা ফুটেজ বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করছেন আশেপাশের এলাকায় আরও সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করছেন স্থানীয়দের কাছ থেকে অনুসন্ধানমূলক তথ্য সংগ্রহ করছেন সম্ভাব্য শিগগির গ্রেফতারের জন্য অভিযান তৎপর করছেন পুলিশের আশা, সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যেই হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করা সম্ভব হবে। এই ঘটনার পর এলাকার ব্যবসায়ীরা আরও সতর্ক হয়েছেন। তারা বলছেন, “এবার থেকে দোকান ও জিমে নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সিসি ক্যামেরা এবং নিরাপত্তা গার্ড রাখার বিষয়টি আরও জোরদার করা হচ্ছে।”

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

তামিলনাড়ুতে হেনস্তার শিকার মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু

তামিলনাড়ুতে হেনস্তার শিকার মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের তামিলনাড়ুতে হেনস্তার শিকার মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুরহস্যমৃত্যু

তামিলনাড়ুতে হেনস্তার শিকার মুর্শিদাবাদের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু, পরিবারে শোকের ছায়া

পরিযায়ী শ্রমিকরা কাজ শেষে

ছবি: প্রতীকী, পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজের দৃশ্য

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: মুর্শিদাবাদের রামকান্তপুর এলাকার পরিযায়ী শ্রমিক ওয়াহিদ শেখ (২৪) রহস্যজনকভাবে আত্মহত্যা করেছেন। বাড়ি ফেরার পর তিনি নিজের ঘরে ফাঁস লাগানো অবস্থায় উদ্ধার হন। পরিবারের অভিযোগ, তামিলনাড়ুতে কাজ করার সময় ওয়াহিদ ও তাঁর সহকর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। প্রাণ বাঁচাতে তিনি বাধ্য হয়ে ধার করে ট্রেনের টিকিট কেটে বাড়ি ফিরেছিলেন। কিন্তু আতঙ্ক ও ঋণের চাপের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পরিবারের দাবি।


ঘটনার প্রেক্ষাপট

ভগবানগোলা থানার অন্তর্গত রামকান্তপুর এলাকার প্রায় ১৩ জন শ্রমিক মাসখানেক আগে তামিলনাড়ুতে কাজ করতে যান। তাদের মধ্যে ছিলেন ওয়াহিদ শেখ। সম্প্রতি সেখানে তারা হেনস্তার শিকার হন। তিনজন শ্রমিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত শ্রমিক খায়রুল ইসলাম জানিয়েছেন,

"১৩ সেপ্টেম্বর রাতে আমরা ঘরেছিলাম। রাত সাড়ে ১১টায় আচমকা লাঠিসোঁটা ও অন্য সরঞ্জাম নিয়ে ৩০-৩৫ জন আমাদের রুমে ঢুকে আমাদের উপর চড়াও হয়। আমরা আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ স্থানে লুকিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাই।"

হামলার পর নিরাপদে বাড়ি ফেরার জন্য ওয়াহিদ বাধ্য হয়ে ধার করে ট্রেনের টিকিট কাটেন। ১৮ সেপ্টেম্বর বাড়ি ফেরার পর ১৯ তারিখ সকালে তিনি নিজের ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হন।


পুলিশ তদন্ত ও পদক্ষেপ

মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজপ্রীত সিং জানিয়েছেন,

"কোনও কারণে তামিলনাড়ুর কয়েকজন বাসিন্দাদের সঙ্গে মুর্শিদাবাদ জেলার ১৩জন পরিযায়ী শ্রমিকের ঝামেলা হয়। ঘটনায় জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুর্শিদাবাদের তিন পরিযায়ী শ্রমিক। বিষয়টি জানার পর দ্রুত তামিলনাড়ুর পেনালুরপেট থানায় যোগাযোগ করি। পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পেনালুরপেট থানার পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছেন।"

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার শিকার শ্রমিকরা মানসিকভাবে চাপে ছিলেন। ধার করা টাকার চিন্তাতেই ওয়াহিদ আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ পরিবার ও ফিরে আসা শ্রমিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।


পরিযায়ী শ্রমিকদের দুর্দশা

বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকরা বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন। জীবনের নিরাপত্তা এবং কাজের পরিবেশের অভাবে তারা প্রায়শই মানসিক চাপে থাকেন। ওয়াহিদের মতো ঘটনা নতুন নয়, বরং পূর্বের কয়েকটি ঘটনার পুনরাবৃত্তি বলেও মনে করা হচ্ছে।

পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় প্রশাসনের অবহেলা এবং দূরত্বজনিত কারণে শ্রমিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তামিলনাড়ুর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে এবং হেনস্তার বিষয়ে তদন্ত করছে।


স্থানীয় জনতার প্রতিক্রিয়া

রামকান্তপুরের স্থানীয়রা বলছেন, "পরিযায়ী শ্রমিকরা আমাদের পরিবারের মতো। তামিলনাড়ুর ঘটনা আমাদের জন্য শোকের বিষয়। প্রশাসনের উচিত এমন পরিস্থিতি এড়ানো।"

শ্রমিকদের সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠনও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, বিদেশে বা অন্য রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে বাংলার শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে পদক্ষেপ নিতে হবে।


বিশ্লেষণ ও প্রভাব

ওয়াহিদের আত্মহত্যার ঘটনা সমাজ ও রাজনীতির জন্য সতর্কবার্তা। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মানসিক চাপ, এবং ঋণ তাদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে। ভবিষ্যতে প্রশাসনের উচিত কঠোরভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শ্রমিকদের মানসিক স্বাস্থ্য খেয়াল রাখা।

এই ঘটনা প্রমাণ করে, শ্রমিকদের প্রতি অবহেলা বা হামলার প্রতিক্রিয়া শুধু তাদের নয়, তাদের পরিবারের উপরেও মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর উচিত এমন ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।


📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook

রাহুল গান্ধীর পর এবার তেজস্বী যাদবের সভায় প্রধানমন্ত্রী মোদির মা হীরাবেনকে গালিগালাজের অভিযোগ"

বিহার ভোটের আগে, রাহুল গান্ধীর পর এবার তেজস্বী যাদবের সভায় প্রধানমন্ত্রী মোদির মা হীরাবেনকে গালিগালাজের অভিযোগ"

বিহার ভোটের আগে ফের শিরোনামে তেজস্বী যাদব, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেনকে নিয়ে অশ্রাব্য গালিগালাজের অভিযোগ

বিহার নির্বাচনে রাজনৈতিক তরজা

ছবি: প্রতীকী, বিহারের নির্বাচনী রাজনীতি ঘিরে উত্তাপ

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বিহার নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক তরজা ততই বাড়ছে। এবার ফের সামনে এল বিতর্কিত একটি ঘটনা, যার কেন্দ্রে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রয়াত মা হীরাবেন মোদি। অভিযোগ উঠেছে, তেজস্বী যাদবের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীর মা-কে নিয়ে অশ্রাব্য গালিগালাজ করা হয়েছে এবং সেই সময় তেজস্বী নাকি উৎসাহ দিয়েছেন। বিজেপি এই ঘটনাকে বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করতে শুরু করেছে।


অভিযোগের সূত্রপাত

বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী তাঁর এক্স (X) হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আরজেডি কর্মীরা তেজস্বী যাদবের সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রয়াত মা হীরাবেনকে নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় মন্তব্য করছেন। সম্রাট চৌধুরীর দাবি, তেজস্বী এই দৃশ্য দেখে প্রতিবাদ না করে উল্টে হাততালি দিয়ে কর্মীদের উৎসাহ দিয়েছেন।

এই অভিযোগের পরই বিজেপি নেতৃত্ব তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই মন্তব্য করেন, “তেজস্বী কালিয়ানাগের মতো বিষ ছড়াচ্ছেন। কংসের যেমন পরিণতি হয়েছিল, ওঁরও তাই হবে। বিহারের মানুষ ভোটের মাধ্যমেই জবাব দেবে।”


আগের ঘটনাও সামনে আনছে বিজেপি

এটি প্রথম নয়। এর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ভোটার অধিকার যাত্রা চলাকালীনও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল। তখনও অভিযোগ করা হয়েছিল, সভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মা-কে নিয়ে অশ্রাব্য গালিগালাজ হয়েছে। যদিও সেবার নেতৃত্বস্থানীয় কোনও নেতা উপস্থিত ছিলেন না। বিজেপি বিষয়টিকে ভোটের ইস্যুতে পরিণত করে বিহারে বনধের ডাক দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেও মন্তব্য করেছিলেন, “আমার মা-কে যারা গালি দিয়েছে তাঁদের আমি ক্ষমা করলেও বিহার ক্ষমা করবে না।”

বিজেপি মনে করছে, এবার যেহেতু তেজস্বীর উপস্থিতিতেই ঘটনাটি ঘটেছে, তাই রাজনৈতিকভাবে এর প্রভাব আরও গভীর হবে।


আরজেডির পাল্টা দাবি

বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছে আরজেডি। দলের তরফে জানানো হয়েছে, ভিডিওটি উদ্দেশ্যমূলকভাবে ছড়ানো হচ্ছে। যারা প্রধানমন্ত্রীর মা-কে নিয়ে অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেছে, তারা আরজেডির কর্মী নয়। বরং বিজেপি ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা সাজিয়েছে।

আরজেডির দাবি, জনগণ আসল ইস্যু থেকে মনোযোগ সরাতে বিজেপি ব্যক্তিগত আক্রমণকে সামনে আনছে। বিহারের বেকারত্ব, কৃষক সমস্যা, মূল্যবৃদ্ধি—এই বাস্তব সমস্যাগুলির পরিবর্তে বিজেপি আবেগকে কাজে লাগাতে চাইছে।


রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

  • বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, “তেজস্বী নৈতিকতা হারিয়েছেন। মায়ের নামে গালাগাল শুনেও উৎসাহ দিচ্ছেন।”
  • অন্যদিকে জেডিইউ (জন্মতা দল ইউনাইটেড) নেতারাও বিষয়টিকে লজ্জাজনক বলে অভিহিত করেছেন।
  • তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য বিষয়টিকে বিজেপির ‘রাজনৈতিক নাটক’ বলেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিহারের ভোটযুদ্ধে এই ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। বিশেষ করে হিন্দি হৃদয়ভূমিতে মাতৃত্ব নিয়ে আবেগ প্রবল। তাই বিজেপি এই আবেগকেই কাজে লাগাতে চাইবে।


বিহার ভোটে সম্ভাব্য প্রভাব

বিহারের ভোটযুদ্ধ সবসময়ই জাতপাত, উন্নয়ন, এবং আবেগকে কেন্দ্র করে লড়াই হয়। নরেন্দ্র মোদির মা হীরাবেনকে নিয়ে মন্তব্যের এই বিতর্ক নিঃসন্দেহে বিজেপিকে রাজনৈতিক সুবিধা দিতে পারে।

তবে আরজেডি বিশ্বাস করছে, মানুষ বাস্তব সমস্যার ভিত্তিতেই ভোট দেবে। তাদের বক্তব্য, বিজেপি সবসময় আবেগ দিয়ে ভোট চাইতে চায়, কিন্তু জনগণ আর প্রতারিত হবে না।

এদিকে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, এই ঘটনার পর বিজেপি কি আবারও বনধের ডাক দেবে? নাকি প্রধানমন্ত্রীর জনসভাগুলিতে বিষয়টি জোরালোভাবে তুলে ধরা হবে?


📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আধার জটিলতায় বিপাকে 10 লক্ষের বেশি রেশন গ্রাহক, আশ্বাস রাজ্যের

আধার জটিলতায় বিপাকে 10 লক্ষের বেশি রেশন গ্রাহক, আশ্বাস রাজ্যের

আধার জটিলতায় বিপাকে 10 লক্ষের বেশি রেশন গ্রাহক, আশ্বাস রাজ্যের

✍️ Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো | 🗓️ আপডেট: 21 সেপ্টেম্বর, 2025

রেশন কার্ড এবং আধার সমস্যা
রাজ্যে আধার সংক্রান্ত জটিলতায় রেশন গ্রাহকরা সমস্যায়

সমস্যার পরিসংখ্যান

রাজ্যের বিপুল সংখ্যক বৈধ রেশন গ্রাহক বর্তমানে আধার কার্ড ও বায়োমেট্রিক যাচাই সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সমস্যায় পড়েছেন। খাদ্য দফতরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, 10 লক্ষ 75 হাজার গ্রাহক তালিকাভুক্ত হয়েছেন এ ধরনের জটিলতায়। এর মধ্যে প্রায় 96 শতাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশু, যাদের আধার কার্ড এখনও তৈরি হয়নি।

এছাড়াও, 22 হাজার 286 জন গ্রাহকের আধার থাকলেও বায়োমেট্রিক যাচাই সম্ভব হয়নি। সবমিলিয়ে রাজ্যের খাদ্য দফতর জানিয়েছে, সমস্যাগ্রস্ত গ্রাহকদের আলাদা করে তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে।

সরকারি নিয়ম ও বাস্তব চিত্র

রেশন বণ্টনে স্বচ্ছতা আনতে প্রতিটি গ্রাহকের আধার নম্বর এবং বায়োমেট্রিক যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার দু’পক্ষই নির্দেশ দিয়েছে যে, আধার না-থাকা বা যাচাই ব্যর্থ হওয়ার কারণে যেন কোনও বৈধ গ্রাহক রেশন থেকে বঞ্চিত না হন।

তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কিছু গ্রাহক আধার সমস্যার কারণে রেশন পাচ্ছেন না। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। প্রতিটি জেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে গ্রাহকদের যাচাই চলছে।

কোন এলাকায় সমস্যা বেশি

রাজ্য খাদ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মোট রেশন গ্রাহকদের মধ্যে 98.76% এর সঙ্গে আধার নম্বর যুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে 98.28% গ্রাহকের বায়োমেট্রিক যাচাই সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে কিছু এলাকায় সমস্যা তুলনামূলক বেশি:

  • ঝাড়গ্রামের বিনপুর 2 ব্লকে মাত্র 96.33% গ্রাহকের আধার যাচাই সম্পূর্ণ হয়েছে।
  • কোচবিহারের হলদিবাড়ি এবং আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লকেও যাচাইয়ের হার গড়ের নীচে।

সমস্যার মূল কারণ

খাদ্য দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সমস্যার দুটি প্রধান কারণ রয়েছে:

  1. প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং আঙুলের ছাপ মেলাতে না পারা, বিশেষত প্রবীণদের ক্ষেত্রে।
  2. পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের আধার কার্ড না থাকা।

প্রশাসনের আশ্বাস

দফতরের দাবি, যাদের আধার সংক্রান্ত জটিলতা রয়েছে, তাঁদের নাম আলাদা করে নথিভুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাঁদের খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে। সরকারের বক্তব্য, “কেউ রেশন থেকে বঞ্চিত হবেন না।”

বিশেষজ্ঞ মত

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, রেশন ব্যবস্থার সঙ্গে আধার যুক্ত করার ফলে অনিয়ম ও দুর্নীতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে একইসঙ্গে মানবিক দিক বিবেচনা করাও জরুরি। বিশেষত শিশু ও প্রবীণদের ক্ষেত্রে বাড়তি সহানুভূতি প্রয়োজন।

✔️ মূল বার্তা

রাজ্যে 10 লক্ষেরও বেশি রেশন গ্রাহক আধার সমস্যায় জর্জরিত হলেও, রাজ্য প্রশাসনের দাবি কেউ রেশন থেকে বঞ্চিত হবেন না।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

কফিন জড়িয়ে স্ত্রী, জুবিন দা ফিরতেই 'স্তব্ধ' অসম — শেষযাত্রায় হাজার হাজার ভক্ত

কফিন জড়িয়ে স্ত্রী, জুবিন দা ফিরতেই 'স্তব্ধ' অসম — শেষযাত্রায় হাজার হাজার ভক্ত

কফিন জড়িয়ে স্ত্রী, জুবিন দা ফিরতেই 'স্তব্ধ' অসম — শেষযাত্রায় হাজার হাজার ভক্ত

By: ETV Bharat Bangla Team | Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো     Published: September 21, 2025 at 12:40 PM IST     Location: গুয়াহাটি, অসম
জুবিন গর্গের শেষযাত্রায় মাঠে ভিড় অশ্রুসিক্ত
📷 গুয়াহাটি বিমানবন্দরে শিল্পীর দেহ আগমনে উৎসাহী ভিড় এবং স্তব্ধ মুহূর্ত

গুয়াহাটি, 21 সেপ্টেম্বর: জনস্রোতের চাপে থমকে যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সের চাকা। লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদোলই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শিল্পী জুবিন গর্গের বাড়ির উদ্দেশ্যে ২৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। ছেলেকে শেষবার দেখতে বাড়িতে অপেক্ষায় রয়েছেন ৮৫ বছরের অসুস্থ বৃদ্ধ — পরিবার ও ভক্তরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে একত্রিত হয়েছেন। আরও পড়ুন :- দূর্গা পুড়ে CAA শিবির

দু'দিন আগের মর্মান্তিক সংবাদ

দু’দিন আগেই প্রিয় শিল্পী ও সবার কাছের মানুষ জুবিন গর্গকে হারিয়েছে অসম। রবিবার সকালে ভূমিপুত্রের দেহ গুয়াহাটি বিমানবন্দরে পৌঁছলে ভিড় স্তব্ধ হয়ে পড়ে রাস্তায়। লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ তাঁকে শেষবারের মতো দেখতে হাজির হন। এদিন বিমানবন্দর থেকে কাহিলিপাড়ায় জুবিনের বাড়ি দেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য শেষ যাত্রা শুরু করা হয়।

বিমানবন্দর থেকে আবেগঘন মুহূর্ত

দিল্লি থেকে মরদেহ বহনকারী বিমান অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে লাগেজ অংশ থেকে কফিনটি বের করে রানওয়ের কাছে রাখা হয়। স্ত্রী গরিমা সাইকিয়া গর্গ পৌঁছেই স্বামীর কফিন জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে ভেঙে পড়েন। এরপর ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান এবং কফিনে একটি অসমীয়া 'গামছা' রাখেন। বিমানবন্দরের কর্মী এবং একই ফ্লাইটে আসা যাত্রীরাও কান্নায় ভেঙে পড়েন। রাজ্য সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মরদেহ গ্রহণের জন্য বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।

অভিভূত ভক্ত ও রাস্তার দৃশ্য

বিমানবন্দর থেকে কফিনটি গাঁদা ও জুঁই ফুলে সাজানো একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। স্ত্রী'র সঙ্গে শেষবারের মতো বিমানবন্দরের ভিআইপি গেট ছেড়ে বেরিয়ে যায় জুবিনের দেহ। বিমানবন্দরের বাইরে ভিড়ের মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে এগোতে থাকা অ্যাম্বুলেন্স দেখে হাজার হাজার ভক্ত 'জয় জুবিন দা' বলে চিৎকার করে। অনেকে শিল্পীর গান গাইছে; কেউ ফোনে লাইভ করছেন, কেউ কাঁদছেন — ছোট থেকে বড়, সবার চোখে অশ্রু।

আহরহ ফুল বর্ষণ করা হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাদের প্রিয় গায়ককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গুয়াহাটিতে পৌঁছেছেন। জুবিন তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় ৪০টি ভাষা ও উপভাষায় ৩৮ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন — সাধারণ মানুষের এই ঘনিষ্ঠতা শেষ দিনেও স্পষ্ট হয়ে উঠল।

বাসভবনে ও জনসাধারণের শ্রদ্ধা

শিল্পীর কাহিলিপাড়ার বাসভবনে প্রায় দেড় ঘণ্টা জন্য দেহ রাখা হবে, যেখানে পরিবারের সদস্যরা শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন — যার মধ্যে রয়েছেন ৮৫ বছর বয়সী অসুস্থ পিতা। পরিবারের অনুরোধে মিডিয়া ও জনসাধারণকে বাসভবনের পথে প্রবেশ থেকে বিরত রাখা হয়েছে যাতে তারা কিছু ব্যক্তিগত মুহূর্ত কাটাতে পারেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময়সূচি

শুক্রবার রাত থেকেই অর্জুন ভোগেশ্বর বরুয়া স্পোর্টস কমপ্লেক্সের বাইরে জনসাধারণ জড়ো হতে শুরু করেছে। সোমবার সকাল 9টা থেকে সন্ধ্যা 7টা পর্যন্ত সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে পারা যাবে — সেখানে গণশ্রদ্ধা ও শেষকৃত্যের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত দ্রুত ঘোষণা করা হবে। অসম মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে অনুষ্ঠানের স্থান ও সময় চূড়ান্ত করবে বলে খবর।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় স্তরের শ্রদ্ধা

এর আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ঘোষণা করেছিলেন, গায়কের মরদেহটি কোনও চার্টার্ড ফ্লাইটে রাখা হবে না এবং নিয়মিত ফ্লাইটে দিল্লি থেকে গুয়াহাটিতে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ বহনকারী বিমানটি ভোর সাড়ে চারটেয় নয়াদিল্লি ত্যাগ করে সকাল ৭টায় গুয়াহতিতে পৌঁছায়। দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী মরদেহ গ্রহণ করে শ্রদ্ধা জানান; তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ও অসম রাজ্যের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গান, স্মৃতি ও মানুষের অকণ্ঠ ভালোবাসা

ভক্তরা রাস্তা ও মোবাইলে শিল্পীর বহু স্মৃতিকথা শেয়ার করছেন, গান গাইছেন এবং শেষবারের সাক্ষীর মতো মোবাইলে মুহূর্ত ধারণ করছেন। অনেকেই সাধ্যমত ফুল ও শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন; কেউ কেউ চোখের জল মুছছেন। এই জনস্রোতই প্রমাণ করে জুবিন গর্গ সাধারণ মানুষের কতটা কাছে ছিলেন — শিল্পীকে শেষকালের সম্মান প্রদর্শিত হচ্ছে পুরো রাজ্য জুড়ে।


#জুবিনগর্গ #ZubeenGarg #গুয়াহাটি #অসম #শোক #শেষযাত্রা #YBanglaDigital

Source: ETV Bharat Bangla Team — রিপোর্ট: গুয়াহাটি (সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের নাম ও ফোন: অনুরোধে প্রকাশ করা হবে)।

Updated: 21 September, 2025 | Contact: edit@ybangla.com

পুজোয় মিউজিক ভিডিয়োর ঝড়: জয়ী-শ্রীতমার ‘মা এলো’ ও সৌমি-মিষ্টির ‘আইলো উমা বাড়িতে’ মাতাচ্ছে দর্শক

পুজোয় মিউজিক ভিডিয়োর ঝড়: জয়ী-শ্রীতমার ‘মা এলো’ ও সৌমি-মিষ্টির ‘আইলো উমা বাড়িতে’ মাতাচ্ছে দর্শক

পুজোয় মিউজিক ভিডিয়োর ঝড়: জয়ী-শ্রীতমার ‘মা এলো’ ও সৌমি-মিষ্টির ‘আইলো উমা বাড়িতে’ মাতাচ্ছে দর্শক

Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো মানেই আনন্দ, নাচ, গান আর উচ্ছ্বাস। প্রতিবছরের মতো এবারও পুজো ঘিরে জমজমাট মিউজিক ভিডিয়োর দুনিয়া। দর্শকদের জন্য মুক্তি পেল দুটি বিশেষ গান—‘মা এলো’ এবং ‘আইলো উমা বাড়িতে’। একটিতে প্রেমের গল্প আর অন্যটিতে রয়েছে উৎসবের নস্টালজিয়া। মা এলো গানটি শুনতে ক্লিক করুন

পুজোয় নতুন মিউজিক ভিডিও

📷 পুজো ঘিরে জমজমাট নতুন মিউজিক ভিডিয়োর আনাগোনা

🎶 ‘মা এলো’: জয়ী ও শ্রীতমার প্রেমকাহিনি

আশিক মণ্ডলের সুর, কথা ও কণ্ঠে তৈরি হয়েছে ‘মা এলো’। গানটিতে অভিনয় করেছেন জয়ী দেব রায় এবং শ্রীতমা। শুটিং হয়েছে ঐতিহ্যবাহী সোনারপুর রাজবাড়িতে

জয়ীর কথায়, “প্রথমে ছোট আকারে কাজ শুরু করলেও পরবর্তীতে বাজেট বেড়ে যায়। গানটিতে আমরা চেয়েছিলাম নাচের মাধ্যমে পুজোর আনন্দ ফুটিয়ে তুলতে। আর শ্রীতমা অসাধারণ নৃত্যশিল্পী। দর্শকেরা এই গানে নিশ্চয়ই নাচবেন।”

গল্পে দেখা যায়, পাড়ার এক ছেলে রাজবাড়ির মেয়ের প্রেমে পড়ে। দুর্গাপুজোতে রাজবাড়ি সাজানোর কাজ হাতে পেয়ে সে চেষ্টা করে মেয়েটির পরিবারকে মুগ্ধ করতে। ষষ্ঠী থেকে দশমী অবধি গানের প্রতিটি সুরে জমবে প্রেম, উৎসব আর আবেগ।

মা এলো মিউজিক ভিডিও

📷 জয়ী দেব রায় ও শ্রীতমা অভিনীত ‘মা এলো’ মিউজিক ভিডিও

🎶 ‘আইলো উমা বাড়িতে’: ঘরে ফেরার আনন্দ ও নস্টালজিয়া

অন্যদিকে, অমলাদিত্য ফিল্মস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ ওয়ার্কস প্রযোজিত ‘আইলো উমা বাড়িতে’ গানটি দর্শকদের মনে জাগাচ্ছে প্রবাস জীবনের নস্টালজিয়া। কণ্ঠ দিয়েছেন সৌমি মুখোপাধ্যায়, সুর করেছেন অমিত মিত্র এবং কথা লিখেছেন অর্পণ সানা। গানটি শুনতে ক্লিক করুন গানটি শুনতে ক্লিক করুন

এই গানে অভিনয় করেছেন সৌমি মুখোপাধ্যায় এবং মিষ্টি সিংহ রায়। নির্মাতাদের কথায়, “দুর্গাপুজো শুধুমাত্র একটি উৎসব নয়। এটি ঘরে ফেরার আনন্দ, ঢাকের শব্দ, আপনজনের হাসি আর স্মৃতির ভাণ্ডার।”

প্রবাসী বাঙালির কাছে এই গান ঘরে ফেরার আবেগকে আরও তীব্র করবে। সামাজিক মাধ্যম জুড়ে ইতিমধ্যেই গানটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

আইলো উমা বাড়িতে গান

📷 সৌমি মুখোপাধ্যায় ও মিষ্টি সিংহ রায়ের উপস্থিতিতে ‘আইলো উমা বাড়িতে’

🌸 দুর্গাপুজো: উৎসবের মেলবন্ধন

দুর্গাপুজো বাংলার সবচেয়ে বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন। থিমের ঝলকানি, সাবেকি আভিজাত্য, রঙিন আলো, ঢাকের আওয়াজ, আনন্দে ভরপুর রাস্তাঘাট—সব মিলিয়ে এই উৎসব এক অনন্য শিল্পমেলা। নতুন এই মিউজিক ভিডিয়োগুলো সেই উৎসবকেই আরও রঙিন করেছে।

✨ উপসংহার

‘মা এলো’‘আইলো উমা বাড়িতে’—দুটি গানই ভিন্ন ভিন্ন আবহে তৈরি হলেও দুটির মূল সুর একটাই—উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। প্রেম, নস্টালজিয়া আর নাচের মিশ্রণে এই গানগুলো এ বছরের পুজোয় দর্শক-শ্রোতার মনে দাগ কাটবে।

🗓 আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Saturday, 20 September 2025

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় কেষ্ট মোড়ল

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় কেষ্ট মোড়ল

অনুব্রত মণ্ডলের গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় কেষ্ট মোড়ল

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অনুব্রত মণ্ডল গ্রামের পুজো

ছবি ক্যাপশন: হাটসেরান্দি গ্রামের শতাব্দী প্রাচীন পুজোতে অংশ নেন অনুব্রত মণ্ডল।

স্বমহিমায় অনুব্রত মণ্ডল, তাই এবার তাঁর গ্রামের বাড়ির পুজোয় বাড়তি জৌলুস। বীরভূমের হাটসেরান্দি গ্রামের মণ্ডল বাড়ির শতাব্দী প্রাচীন পুজোতে প্রতি বছর অংশ নেন তিনি। তিহার থেকে মুক্তির পর রাজনীতির মাটি আবারও শক্ত করে ফেলেছেন বীরভূমের কেষ্ট। তাই এবারও গ্রামের মানুষ মুখিয়ে আছেন ‘কেষ্ট মোড়ল’কে দেখার জন্য।

পুজোর সময়সূচি ও আনুষ্ঠানিকতা

অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে গ্রামের বাড়িতে পৌঁছাবেন এবং বিকেল ৫টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে ফিরে যাবেন। পুজোর চারদিন তিনি মায়ের মুখ দেখবেন এবং অন্যান্য পুজো সম্পর্কিত রীতি মেনে চলবেন।

গ্রামে মাটির প্রতিমা সহ ঘটের পুজো, পটের দুর্গাপুজোসহ নানা ধরনের আয়োজন চলে। পুজোর সময় গ্রামের মানুষজন উপচে পরা ভিড়ে মণ্ডল পরিবারকে দেখতে আগ্রহী থাকেন।

জেলমুক্তির পর স্বমহিমায় ফের প্রত্যাবর্তন

গরুপাচার ও আর্থিক তছরূপ মামলায় ২০২২ সালের ১১ অগাস্ট গ্রেফতার হওয়ার পর ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জামিন পেয়ে তিহার থেকে মুক্তি পান অনুব্রত মণ্ডল। জেলমুক্তির পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সান্নিধ্যে এসে রাজনীতি শক্তিশালী করেছেন তিনি। তাই এবার গ্রামের পুজোতে জৌলুস অনেক বেশি। প্রতিমা নির্মাণ প্রায় শেষের দিকে এবং গ্রামজুড়ে সাজো সাজো রব চলছে।

গ্রামবাসীর উচ্ছ্বাস

গ্রামবাসীরা বলেন, "এই পুজোতে সবাই আনন্দ করে। আশপাশের পাড়ার লোকজনও আসে। অনুব্রত মণ্ডল পুজোর চারদিনই আসেন। এবার তিনি স্বমহিমায়। মোড়লকে দেখার জন্য সবাই উদগ্রীব। দাদা আসবেন অনেক দিন পর, তাই সবাই উত্তেজিত। সব রকম রীতি মেনে এই পুজো হয়।"

রাজনৈতিক প্রভাব ও গুরুত্ব

মণ্ডল বাড়ির পুজো কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং বীরভূমের রাজনীতিতে একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চিহ্ন। অনুব্রত মণ্ডলের উপস্থিতি গ্রাম ও জেলার রাজনৈতিক ভারসাম্যকে দৃঢ় রাখে। তাঁর জেল মুক্তির পর গ্রামের পুজোতে স্বমহিমায় উপস্থিতি স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করেছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গাপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যু

দুর্গাপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যু

দুর্গাপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যু: এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নিখিল নায়েকের দেহ উদ্ধার

ছবি ক্যাপশন: দুর্গাপুর কমলপুরে তৃণমূল নেতা নিখিল নায়েকের দেহ উদ্ধার।

দুর্গাপুরের কমলপুরের বাসিন্দা তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নিখিল নায়েকের রহস্যজনক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কমলপুর লাগোয়া জঙ্গল ঘেরা দাসীরবাঁধ এলাকায় তাঁর বাগানবাড়িতে নিখিল নায়েকের দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়।

পরিস্থিতি ও পুলিশের তৎপরতা

নেতার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর রয়েছে। নিখিল নায়েকের অনুগামীরা অভিযোগ করেছেন, তাঁকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং দেহ উদ্ধার করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিখিল নায়েকের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভূমিকা

নিখিল নায়েক ওই এলাকার আদিবাসী সমাজের অবিসংবাদী নেতা ছিলেন। বাম জমানায় হেতেডোবা এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের ঘনিষ্ঠ এই বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানার নিজস্ব দুর্গাপুর পিপলস কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের ডাইরেক্টর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

দুর্গাপুর থানা এলাকার রঘুনাথপুর, কমলপুর ও পারুলিয়া এই সমস্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এক সময় প্রাক্তন বিধায়ক অপূর্ব মুখোপাধ্যায় ও বিশ্বনাথ পাড়িয়ালের সঙ্গে তাঁকে তৃণমূলের মঞ্চে দেখা যেত।

কমলপুর এলাকায় প্রচুর পাথর খাদান রয়েছে। সেই পাথরখাদানগুলিতে কর্মরত মানুষের 'কাছের নেতা' ছিলেন নিখিল নায়েক।

নিহতের পরিবারের ও এলাকাবাসীর দাবি

এলাকার বাসিন্দারা দাবি তুলেছেন, মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার-সহ তৃণমূলের নেতারা উপস্থিত হলে দেহ উদ্ধার করা হবে। তাঁরা আশ্বাস চাইছেন যে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উন্মোচিত হবে। এই পরিস্থিতি কমলপুর ও দাসীরবাঁধ এলাকায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

রাজনৈতিক প্রভাব ও বিশ্লেষণ

নিখিল নায়েকের অস্বাভাবিক মৃত্যু স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা হিসেবে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করত। এই রহস্যজনক মৃত্যু এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে এবং রাজনৈতিক মহলে বিভিন্ন তত্ত্ব ও অনুমান উত্থাপিত হচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্গাপুরে হঠাৎ সিএএ শিবির, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

দুর্গাপুরে হঠাৎ সিএএ শিবির, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

দুর্গাপুরে হঠাৎ সিএএ শিবির: পুজোর আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা

আপডেট: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দুর্গাপুরে সিএএ শিবির

ছবি ক্যাপশন: দুর্গাপুরে বিজেপি কার্যালয়ে আচমকাই আয়োজিত সিএএ শিবির।

পুজোর আগে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা দিন বাকি, সেই সময় দুর্গাপুরে আচমকাই আয়োজিত হল সিএএ শিবির। তাও আবার বিজেপির কার্যালয়ে। এই শিবিরকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, সরকারি নিয়ম ভেঙে এসব আয়োজনের মাধ্যমে উদ্বাস্তুদের মন পেতে চাইছে বিজেপি।

শিবিরের আয়োজন ও কার্যক্রম

শনিবার সকাল থেকে দুর্গাপুরের 31 নম্বর বিদ্যাসাগর অ্যাভিনিউয়ের বিজেপি কার্যালয়ে এই ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই মানুষের আনাগোনা লেগেছিল। একের পর এক আবেদনপত্র জমা পড়ছে। বিজেপির কর্মীরা ব্যস্ত হয়ে আবেদনপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি সংরক্ষণও করছেন। কার্যক্রম দেখে মনে হয় যেন সরকারি দফতরে কাজ চলছে।

শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই, জেলা সহসভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা।

বিধায়কের বক্তব্য

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অসীম সরকার বলেন, “যাঁরা উদ্বাস্তু আছেন, তাঁদের ভারত সরকার নাগরিকত্ব দিতে চায়। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই উদ্যোগের বিরোধিতা করছেন। বহুদিন ধরে ওপার বাংলা থেকে এপারে এসে বসবাস করা মানুষদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্যই এই শিবির। পৃথিবীতে একমাত্র ভারতবর্ষেই এইভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস কী বলল তা আমাদের কিছু আসে যায় না।”

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া

রাজ্যের শাসকদলের মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় জানান, “ভারত সরকারের কর্মসূচি সরকারি দফতরে হওয়া উচিত। বিজেপি কার্যালয়ে ক্যাম্প মানে ভোটের আগে উদ্বাস্তুদের মন পাকা করার খেলা। আমরা এর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাব।”

রাজনীতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পুজোর মুখে হঠাৎ করে এই শিবির আয়োজন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রচার কৌশলের অংশ হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সিএএ শিবিরের মাধ্যমে বিজেপি দলীয় কার্যালয়ে জনগণের মন জয় করতে চাচ্ছে। এটি কেবল নাগরিকত্ব প্রদান নয়, নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ অনুযায়ী, এটি সরকারি নিয়মের পরিপন্থী।

উপসংহার

পুজোর আগে হঠাৎ সিএএ শিবির আয়োজন ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে। ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে কিভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নজরদারির বিষয়।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

  সোমবার নদিয়া জেলায় আলাদা দুই এলাকায় মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। পরিবারের দাবি, SIR সংক্রান্ত আতঙ্ক ও জটিলতার কারণেই প্রাণ হারিয়েছে...

Search This Blog