Sample Video Widget

Seo Services

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.

Monday, 6 October 2025

উৎসব মরশুমে কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত কিশোরীর মৃত্যু

উৎসব মরশুমে কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত কিশোরীর মৃত্যু

উৎসব মরশুমে কলকাতায় ডেঙ্গি আক্রান্ত কিশোরীর মৃত্যু

লেখক: সালমা মন্ডল | আপডেট: ৬ অক্টোবর ২০২৫

কলকাতা শহরে উৎসব মরশুমে ১৫ বছরের এক কিশোরী ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। তিনি ভারতী বিদ্যাভবন হাইস্কুলের পড়ুয়া ছিলেন এবং বিধাননগরের ইএসআই আবাসনের বাসিন্দা ছিলেন। পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, কয়েকদিন ধরে তার জ্বর ছিল এবং তাপমাত্রা কমছিল না। পরামর্শক্রমে চিকিৎসককে দেখানো হয় এবং ডেঙ্গি পরীক্ষা করানো হয়। রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গি এনএস-১ পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর কিশোরীকে বালিগঞ্জের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়।

তবে কিশোরীর শারীরিক অবস্থা এতটাই সংকটজনক ছিল যে, তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়। একই আবাসনের আরও একজন ব্যক্তি ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাঁকেও হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জ্বর দু’দিনের বেশি থাকলে দ্রুত ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার পরীক্ষা করানো উচিত।

উৎসবের আগে ২২ সেপ্টেম্বর মধ্যরাত থেকে কলকাতা শহর ও আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। এই বৃষ্টির ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকা, শহরতলিসহ জলমগ্ন হয়ে যায়। জল নামতে প্রায় ৩–৪ দিন সময় লেগে যায়। পুজোর সময়ও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলতে থাকে, যা শহরের বিভিন্ন এলাকায় জল জমার সমস্যা সৃষ্টি করেছে। পুজো মণ্ডপ বানাতে খোলা গর্তগুলোতেও জল জমে মশার উপদ্রব বেড়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সজল ঘোষ বলেন, "প্রশাসন ও পুরসভাকে দায়িত্ব নিতে হবে। শহরের রাস্তায় করা গর্তে জল জমে ডেঙ্গির মশা জন্ম নেয়। বর্তমানে উদ্বেগের কারণ নেই, তবে ডেঙ্গি আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "ডেঙ্গি তখনই মারাত্মক হয়ে দাঁড়ায় যখন তা শনাক্ত করতে বিলম্ব হয়। জ্বর দু’দিনের বেশি থাকলে অবশ্যই পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।"

চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস জানান, রাজ্যে এখন ভয়জনক পরিস্থিতি নেই। তবে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জ্বর শুরু হলে দেরি না করে চিকিৎসা শুরু করলে রোগী সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। তবে কো-মর্বিডিটি থাকলে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিচ্ছেন, জ্বর দু’দিনের বেশি থাকলে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার টেস্ট করানো উচিত।

বর্তমান পরিস্থিতিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বৃদ্ধি করা, জল জমা প্রতিরোধ করা এবং মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে চিকিৎসকরা আশাবাদী। উৎসব মরশুমে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লেখক: সালমা মন্ডল | Y বাংলা ডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯

লেখক: সালমা মন্ডল | আপডেট: ৬ অক্টোবর ২০২৫

উত্তরবঙ্গে প্রবল বৃষ্টির জেরে তোর্ষা, জলঢাকা, কালজানি-সহ একাধিক নদী প্লাবিত হয়ে ভয়াবহ ধস ও বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটায় সোমবার আরও চারটি মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯। বামনডাঙ্গা এলাকায় নিস্তব্ধ শ্মশানসদৃশ পরিবেশ বিরাজ করছে, যেখানে দু’দিনে মোট ৯ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে শকুন্তলা ওড়া (৫০), এতোয়ারি ওড়াও (৫৫), নিভৃতি নায়েক (৬) এবং মঞ্জু নায়েক (২৫) রয়েছেন।

আলিপুরদুয়ারে ২১৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা ও ডুয়ার্সের গরুমারা অভয়ারণ্যের ৭৯.৪৫ বর্গকিলোমিটার জলমগ্ন হয়েছে। সূত্রের খবর, বন্যায় গন্ডার, চিতাবাঘসহ সাতটি বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উত্তরবঙ্গের মুখ্য বনপাল ভাস্কর জেভি জানিয়েছেন, “সার্চ অপারেশনের জন্য আলাদা টিম তৈরি করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা জঙ্গলে মনিটরিং চলছে। লোকালয়েও মাইকিং করা হচ্ছে। গভীর জঙ্গলে হাতির মাধ্যমে উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হবে।”

বনমন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা জলদাপাড়া অভয়ারণ্য পরিদর্শন করেছেন এবং বনদফতরের পদাধিকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “জলদাপাড়ার একাধিক ছোট সেতু ভেঙে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র এখনও জানা সম্ভব নয়। আমরা ধাপে ধাপে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।” একইসঙ্গে তিনি নাগরাকাটা এলাকায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

ডুয়ার্স অঞ্চলে একটি গন্ডার, দু’টি চিতাবাঘ এবং চারটি হরিণের মৃত্যু হয়েছে। নদীগুলি প্লাবিত হওয়ায় বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল জলে ঢেকে গেছে। বনকর্মীরা বন্যপ্রাণী উদ্ধারে সক্ষম হননি। পানবাড়ি এলাকার কাছে জলঢাকা নদী ফুলে ওঠায় পাঁচটি হাতি ও হাতির শাবক আটকে রয়েছে। এছাড়া তিনটি গন্ডার নিখোঁজ থাকলেও দু’টির সন্ধান মিলেছে।

জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহাল জানিয়েছেন, নাগরাকাটা থানার বামনডাঙ্গা এলাকা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বন্যায় ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে, রাস্তা ও বেসামাল চালের আশ্রয়ও নেই। ধুপগুড়ি ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় জলঢাকা নদীর বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, অর্থ ও মালামাল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব ধুপগুড়ি বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। তারা বন্যা বিধ্বস্তদের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করিয়েছেন। বনদফতর আশাবাদী যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নিখোঁজ বন্যপ্রাণীদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

লেখক: সালমা মন্ডল | Y বাংলা ডিজিটাল

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

ছত্তিশগড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: হুগলির পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু

ছত্তিশগড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: হুগলির পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু

ছত্তিশগড়ে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা: হুগলির পাঁচ পর্যটকের মৃত্যু

ছত্তিশগড়ে পর্যটক দুর্ঘটনা

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের কানহা ন্যাশনাল ফরেস্ট ঘুরতে গিয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন হুগলির ডানকুনি এলাকার পাঁচজন শিক্ষক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। এই দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। খবর পৌঁছতেই এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ডানকুনি শ্রীরামকৃষ্ণ বিদ্যাশ্রম উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষিকা ও তাঁদের পরিবার পুজোর ছুটিতে ছত্তিশগড় বেড়াতে গিয়েছিলেন। রবিবার তাঁরা একটি এসইউভি ভাড়া করে কানহা ন্যাশনাল ফরেস্ট ঘুরতে যান। গাড়িটিতে চালক-সহ মোট ১০ জন ছিলেন। ঘোরাঘুরি শেষে তাঁরা বিলাসপুর স্টেশনের দিকে ফিরছিলেন। বিকেলের দিকে জাতীয় সড়কে তাঁদের গাড়ির সঙ্গে একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে গাড়ির সামনের অংশ সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

স্থানীয়দের তৎপরতায় দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে নামেন। তাঁরা পুলিশকে খবর দেন এবং আহতদের গাড়ি থেকে বের করে হাসপাতালে পাঠান। হাসপাতালের চিকিৎসকরা পাঁচজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিদের গুরুতর অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন তিনজন শিক্ষিকা এবং তাঁদের পরিবারের দুই সদস্য। আহতদের মধ্যে রয়েছেন এক শিশু ও দুই প্রবীণ যাত্রী।

পর্যটক দলের সদস্যরা শ্রীরামপুর, নদিয়া ও কলকাতার বিভিন্ন জায়গার বাসিন্দা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ডানকুনি স্কুলে দুর্ঘটনার খবর পৌঁছাতেই স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা প্রতিষ্ঠান। সহকর্মী ও ছাত্রছাত্রীরা শোকে স্তব্ধ। হুগলি জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। ডানকুনি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন দুই শিক্ষিকাই এই দলে ছিলেন। ছত্তিশগড়ে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেওয়া হবে।”

হুগলির ডিআই এবং অতিরিক্ত জেলা শাসক (উন্নয়ন) ইতিমধ্যেই ছত্তিশগড় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। মৃতদেহগুলি পশ্চিমবঙ্গে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সুবীর মুখোপাধ্যায়ের পাশাপাশি সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিষয়টি ব্যক্তিগতভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, “এই বিষয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে। মুখ্যসচিব বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন এবং পরিবারের পাশে প্রশাসন থাকবে।”

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে অতিরিক্ত গতি এবং সামনের ট্রাকের হঠাৎ ব্রেক করাকে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থলে ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, আহতদের বিবৃতি থেকে ঘটনার পুরো চিত্র পরিষ্কার হবে।

দীর্ঘ পুজো ছুটির আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হল শোকে। স্কুল, পরিবার, এবং গোটা ডানকুনি এলাকায় এখন একটাই প্রার্থনা — আহতরা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

🖋️ প্রতিবেদন: ফারিয়া ইসলাম

হ্যাশট্যাগ: #ChhattisgarhAccident #HooghlyTeachers #KanhaNationalForest #RoadAccident #BengalNews

ওয়াইসির মন্তব্য: সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন

বিহার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ও ওয়াইসির মন্তব্য: সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন

ডিজিটাল ডেস্ক: বিহার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ও ওয়াইসির মন্তব্য — সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্বের প্রশ্ন

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | কপিরাইট-মুক্ত (CC0) | শব্দসংখ্যা: ৫০০

ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন কমিশন আজ বিহার বিধানসভা নির্বাচনের সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। কমিশনাররা জানিয়েছেন যে রাজ্যে নির্বাচন দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে — প্রথম ধাপ ৬ নভেম্বর ও দ্বিতীয় ধাপ ১১ নভেম্বর; ফল ঘোষণা নির্ধারিতভাবে ১৪ নভেম্বর করা হবে এবং সকল নির্বাচনি প্রক্রিয়া ১৬ নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। ঘোষণার আগে AIMIM প্রধান ও হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি বিহারের সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে একটি তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, রাজ্যে মুসলিমদের অংশভাগ প্রায় উনিশ শতাংশ হলেও তাদের কোন বিশিষ্ট নেতা নেই, অন্য সকল সম্প্রদায়ের নেতা উপস্থিত বলে তিনি দাবি করেছেন।

ওয়াইসি এই মন্তব্যের মাধ্যমে সংখ্যালঘু প্রতিনিধি বিষয়ক মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বিহারের সাম্প্রতিক SIR (বিশেষ নিবিড় সংশোধনী) প্রক্রিয়া ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশীত হওয়ার পটভূমি এই বিতর্ককে আরো তীব্র করেছে। SIR-র কারণে অন্তত ষাট থেকে ছেষট্টি লক্ষ নাগরিক রোল থেকে বাদ পড়েছে বলে বিরোধীরা অভিযোগ করে আসছে; কমিশনকে বারবার আবেদনপত্র ও ফর্ম-৬/ফর্ম-৭ পূরণের সুযোগ দিয়ে বিষয়টি সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।

প্রাসঙ্গিক নির্বাচনী তত্ত্য: নির্বাচন দুই ধাপে—৬ ও ১১ নভেম্বর; ফলপ্রকাশ ১৪ নভেম্বর; প্রক্রিয়া শেষে ১৬ নভেম্বর। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ও SIR-র প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ।

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে AIMIM-র আগমন পেশাদার রাজনীতিতে একটি নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ২০২০ সালের নির্বাচনে এই দল কিছু আসনে সাফল্য দেখায়, যা স্থানীয় নির্বাচনী স্বাক্ষর বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। ওয়াইসির বক্তব্য কেবল সমালোচনার জন্ম দেয়নি; তা সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রিক কৌশল ও জোটগঠনে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদি AIMIM আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী জোটে যোগ দেয় বা নির্দিষ্ট আসনে প্রার্থী দেয়, তাহলে মুসলিম ভোটের একটি অংশ বিভক্ত হতে পারে এবং ফলাফল অনর্থকভাবে পরিবর্তিত হবে — এমনটাই বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস।

অন্যদিকে কংগ্রেস, আরজেডি ও অন্যান্য প্রধান দলগুলোও বিষয়টি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করছে। তারা স্থানীয় অনাগ্রহ কিভাবে প্রশমিত করবে এবং কিভাবে সংখ্যালঘুদের কাছে নিজেদের অবস্থানকে শক্ত করবে তা নিয়েই এখন কৌশলগত আলোচনা চালাচ্ছে। স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে ও সামাজিক প্রকল্প কার্যকর করে এই দলগুলো ভোটারদের মনজয় করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

নির্বাচনী পরিসংখ্যানগুলোর প্রেক্ষিতে জানা গেছে, চূড়ান্ত রোল অনুযায়ী বিহারে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭.৪৩ কোটি এবং মোট বুথের সংখ্যা ৯০,৭১২। এই পরিসংখ্যান নির্বাচনী পরিকল্পনা ও প্রচারণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। বিশেষত সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা ও নগর কেন্দ্রগুলোতে কণ্ঠস্বরের প্রতিফলন বুঝতে এসব তথ্য কাজে লাগে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আরও বলছেন, শুধু বক্তৃতা বা সমালোচনা যথেষ্ট নয়; নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে বাস্তব পদক্ষেপ প্রয়োজন। স্থানীয় স্তরে নেতৃত্ব উন্নয়ন, সামাজিক সেবা ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক কর্মসূচি শক্তিশালী করলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আস্থা বাড়ানো সম্ভব। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে যদি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক নিরাপত্তা এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটের মঞ্চে বাস্তব পরিবর্তন দেখা যাবে।

একাধিক নাগরিক সমাজ সংগঠনও এই প্রক্রিয়ার উপর নজর রাখছে এবং তারা বলছে যে নির্বাচন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। তাদের দাবি, ভোটার তালিকা ও SIR-এর প্রয়োজনীয় সংশোধন দ্রুততার সঙ্গে কার্যকর করা উচিত এবং বাদ পড়া ব্যক্তিদের আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা উচিত।

স্থানীয় রাজনীতিকেরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, বিহারের রাজনৈতিক বাস্তবতা জটিল এবং এটি কেবল ধর্মীয় লেনদেন দিয়ে সমাধান হবে না; বরং অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিক্ষা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তিই মূল চাবিকাঠি। সামাজিক সংহতি ও আইনি প্রক্রিয়ার সঠিক প্রয়োগই পারস্পরিক অবিশ্বাস ও বিভাজন কমাতে সাহায্য করবে।

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | প্রস্তুত: কপিরাইট-মুক্ত প্রতিবেদন | লক্ষ্য: তথ্যভিত্তিক সংবেদনশীল ও স্বচ্ছ সংবাদসেবা

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দিল্লির আদর্শ নগরে হোটেলে ডেকে ১৮ বছরের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেল অভিযোগ

দিল্লির আদর্শ নগরে হোটেলে ডেকে ১৮ বছরের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেল অভিযোগ

দিল্লির আদর্শ নগরে হোটেলে ডেকে ধর্ষণের অভিযোগ, ১৮ বছরের ডাক্তারি পড়ুয়া বলছেন— ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | আপডেট: | রিপোর্টার: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক

দিল্লির আদর্শ নগরের একটি হোটেলে ডেকে এক ১৮ বছর বয়সি ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ এবং পরে ভিডিও/ছবির মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং পলাতক মূল অভিযুক্তকে খুঁজছে।

ঘটনার সারমর্ম: তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নির্যাতিতা এবং অভিযুক্ত উভয়ের বাড়ি হরিয়ানা, জিন্দে। পড়াশোনা সূত্রে তারা দিল্লির একটি হস্টেলে থাকতেন এবং তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের বন্ধুত্ব ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী ৯ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত ওই তরুণীকে আদর্শ নগরের একটি হোটেলে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে জোরপূর্বক মদ্যপ অবস্থায় রাখা হয় এবং পরে ধর্ষণ করা হয় বলে নির্যাতিতা অভিযোগ করেছেন। পরে রেকর্ড করা ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে অভিযুক্ত তাঁকে প্রায় এক মাস ধরে যৌন কার্যকলাপে বাধ্য করে এবং ব্ল্যাকমেল করা হয়—এমনটাই বলা হচ্ছে অভিযোগপত্রে।

ব্ল্যাকমেল সহ্য করতে না পেরে নির্যাতিতা ঘটনাটি তাঁর পরিবারের কাছে জানান। এরপর গত বৃহস্পতিবার নির্যাতিতা একটি লিখিত অভিযোগে দিল্লি পুলিশে মামলা করেছেন। পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থল, হোটেল কর্মচারী ও ভিডিও-প্রমাণ যাচাইসহ মোবাইল কল ডিটেইলস সংগ্রহ করছেন।

পুলিশি উদ্যোগ ও তদন্ত

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ পেয়ে আদর্শ নগর থানা এই ঘটনার প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ধারা যুক্ত করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তকারীরা হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ, হোস্টেল-এ থাকার রেকর্ড, মোবাইল ফোন-সংক্রান্ত ডেটা ও অন্যান্য প্রমাণাদি সংগ্রহ করছেন। প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত ওই যুবক এলাকায় নেই—তাই তাঁকে গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, "আমরা সব ধরনের প্রমাণ সংগ্রহ করে দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত শেষ করে আইনগত ব্যবস্থা নেব। যেকোনো ধরনের ভয় দেখানো বা প্ররোচনার বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেব।"

নির্যাতিতার সুরক্ষা ও সহায়তা

পরিবার ও স্থানীয় সেবা সংস্থাগুলো নির্যাতিতার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে মনসিক ও চিকিৎসাগত সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করছে। পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেলে নির্যাতিতার নিরাপত্তা, আইনি পরামর্শ এবং মনোস্বাস্থ্য সহায়তা নিশ্চিত করে দেয়া হবে বলে বলা হয়েছে।

আপনি যদি এধরনের কোনো তথ্য জানতে বা সহায়তা চান তবে:

  • অরিজিনাল থানায় অভিযোগ (আদর্শ নগর এলাকার সংশ্লিষ্ট থানা) করুন।
  • দরকার হলে মহিলা সেল বা ভিকটিম সাপোর্ট গ্রুপের সাথে যোগাযোগ করুন।
  • জরুরি হটলাইন: আপনার স্থানীয় পুলিশের নম্বর/নারী হেল্পলাইন — আপনার পূর্ণসংখ্যক স্থানীয় নম্বর এখানে যুক্ত করুন।

আইনি প্রসঙ্গ ও সতর্কতা

ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল — উভয়ই ভারতীয় দণ্ডবিধির অন্তর্ভুক্ত গুরুতর অপরাধ। ঘটনার অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করা হবে এবং প্রমাণিত হলে অভিযুক্তকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

নির্যাতিতার মহত্ত্ব রক্ষার উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমে মামলার সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিল পুলিশ ও ভিকটিম সাপোর্ট সেবা।

কী ঘটেছে — দ্রুত তথ্য

  • ঘটনা স্থান: দিল্লি, আদর্শ নগর এলাকার একটি হোটেল।
  • তারিখ (আশ্রিত): অভিযুক্ত ৯ সেপ্টেম্বর ঘটনায় অভিযুক্ত বলে অভিযোগ।
  • নির্যাতিতার বয়স: ১৮ বছর (প্রাপ্তবয়স্ক)।
  • অভিযুক্ত: নির্ধারিতভাবে পলাতক; উভয়ের বাড়ি: হরিয়ানা, জিন্দ।
  • প্রাথমিক ব্যবস্থা: পুলিশ ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে; সিসিটিভি ও মোবাইল ডেটা সংগ্রহ চলছে।

রিপোর্ট: Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক | এই প্রতিবেদনটি স্থানীয় থানার অভিযোগ ও ক্লায়েন্ট-বর্ণনার উপর ভিত্তি করে তৈরি। তদন্ত এখনো lauf (চলমান)। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত তথ্য প্রকৃত তদন্তপ্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্য রেখে হালনাগাদ হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহারে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা

বিহারে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা

বিহারে বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

লেখক: মৃদুল কান্তি দাস

নির্বাচন কমিশন সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় সাংবাদিক বৈঠক করে ঘোষণা করল বিহারে বিধানসভা ভোটের দিন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানালেন, এইবার বিধানসভা নির্বাচন শুরু হবে ৬ নভেম্বর থেকে। নির্বাচনের প্রক্রিয়া দুই দফায় সম্পন্ন হবে; প্রথম দফা ৬ নভেম্বর এবং দ্বিতীয় দফা ১১ নভেম্বর। ফলাফল ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ১৪ নভেম্বর। সব নির্বাচনী প্রক্রিয়া ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত সম্পূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশন একইসঙ্গে বিহারে চলমান বিশেষ নিবিড় সংশোধনী বা এসআইআর প্রক্রিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছে।

বিহারে মোট ২৪৩ আসনের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য ১২১টি আসনে প্রথম দফার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ১২২টি আসনে ভোট নেওয়া হবে দ্বিতীয় দফায়। প্রথম দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা শুরু হচ্ছে ১০ অক্টোবর থেকে, শেষ হচ্ছে ১৭ অক্টোবর। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ অক্টোবর। দ্বিতীয় দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ১৩ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের চূড়ান্ত সময়সীমা ২৩ অক্টোবর।

নির্বাচনের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন এইবার বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সব বুথ পর্যায়ের এজেন্টদের দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বুথের কর্মকর্তাদের জন্য ফটো আইডি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ভোটারদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে নিজের মোবাইল ফোন জমা রাখতে হবে।

এইবার বিহারে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭.৪৩ কোটি। মোট বুথ সংখ্যা ৯০,৭১২। নির্বাচনের সময় কোন ধরনের অশান্তি রুখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। সমস্ত নির্বাচনী অ্যাপকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসা হয়েছে এবং নতুন অ্যাপের নাম রাখা হয়েছে ‘ECI Net’। যেকোনো সমস্যা হলে ভোটাররা সরাসরি ১৯৫০ নম্বরে কল করতে পারবেন।

বিহারে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে ৩০ সেপ্টেম্বর। এই তালিকা থেকে অন্তত ৬৫ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। যদিও কমিশনার জানিয়েছেন, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে তারা যোগ্য ভোটার হলে মনোনয়নের সময়সীমার ১০ দিন আগে ফর্ম ৬ বা ফর্ম ৭ পূরণ করে জমা দিতে পারবেন।

নির্বাচনের প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করার জন্য কমিশন সব ধরনের তদারকি ও নজরদারি কৌশল গ্রহণ করেছে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্র পর্যবেক্ষক ও আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হবে। এছাড়া নির্বাচনের সময় বিশেষ মনিটরিং সিস্টেম এবং মোবাইল নজরদারি ব্যবহার করা হবে। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ভোটারদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং কোন ধরনের রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াতে দেওয়া হবে না।

#বিহারবিধানসভা #নির্বাচন২০২৫ #ভোটারতালিকা #নির্বাচনকমিশন #শান্তিপূর্ণভোট

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

নাগরাকাটায় বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন

উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতিতে সরজমিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

উত্তরবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতিতে সরজমিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Y বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ। নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু এবং বিধায়ক শংকর ঘোষের উপর হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটেও সোমবার সরজমিনে এলাকায় পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন এবং রাজনৈতিক বিভাজন ভুলে দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

উত্তরবঙ্গে বন্যার প্রভাব লক্ষণীয়। ভুটান পাহাড় থেকে নেমে আসা জলে নদী-নালা উজাড় হয়েছে। রাস্তা ধ্বংস এবং বিচ্ছিন্ন সেতুতে বাসিন্দারা বিপাকে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সকালেই এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ ও ডিজিপি রাজীব কুমার।

মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছেই নাগরাকাটায় দুর্গতদের সঙ্গে দেখা করেন। তিনি জানান, “রাজনীতি ভুলে এই সময় আমাদের দায়িত্ব দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো।” পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করেন, কোনও প্ররোচনায় পা না দিতে।

ত্রাণ কার্যক্রম ও নিরাপত্তা

নাগরাকাটার কালীখোলা এলাকা পরিদর্শনকালে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আগামী দু-একদিনের মধ্যে ফের জোয়ার আসতে পারে। এখানে রাস্তার ধারে সরকারের তরফে ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে। যারা এসেছেন, তারা ভালো করেছেন। যারা এখনও নিজের বাড়িতে রয়েছেন, দ্রুত এখানে চলে আসুন। নিরাপদে থাকবেন। খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে চিন্তা করতে হবে না।”

ভাঙা রাস্তা, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি ও বিচ্ছিন্ন সেতু মেরামতের দায়িত্ব রাজ্য সরকার নিজে নেবে। যেসব বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে, সেগুলোও পুনর্নির্মাণ করা হবে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ত্রাণ বিতরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মূল বার্তা: রাজনীতি ভুলে দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকার ভাঙা রাস্তা মেরামত এবং বাড়ি পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব নিচ্ছে। স্থানীয় মানুষদের নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রাকৃতিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক উদ্যোগ

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন নদী ও স্রোতের উপর নজর রাখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি ত্রাণকর্মীরা খাদ্য, পানীয়, এবং চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ত্রাণ কার্যক্রমে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। প্রশাসন এবং সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে যাতে কেউ বিপদে না পড়ে।” পাহাড়ি ঢল ও প্লাবনের ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা দ্রুত পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

বাসিন্দাদের অভিজ্ঞতা

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, “রাস্তাঘাট ভেঙে, সেতু বিচ্ছিন্ন হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। সরকার ও প্রশাসনের ত্রাণশিবির অনেক সাহায্য করছে, তবে প্রাথমিক সেবা দ্রুত পৌঁছানো প্রয়োজন।” মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকায় তাদের আশা বেড়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের সঙ্গে সঙ্গতি রাখার জন্য স্থানীয় বাহিনী এবং সেনা কর্মীরাও এলাকায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা এবং খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিত

নাগরাকাটায় বিজেপি সাংসদ ও বিধায়কের উপর হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এ সময় রাজনীতি ভুলে আমরা শুধু দুর্গতদের পাশে থাকতে হবে।” রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও প্রশাসন কাজ করছে যাতে মানুষ নিরাপদে থাকে।

মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, “ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হবে। কারো ঘর ভেঙে গেলে তা পুনর্নির্মাণের দায়িত্ব সরকার নেবে। রাজ্য সরকার এবং প্রশাসন সব সময় জনগণের পাশে থাকবে।”

সার্বিক পরিস্থিতি

উত্তরবঙ্গের দুর্গত এলাকা দ্রুত স্বাভাবিক করতে প্রশাসন এবং রাজ্য সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। নদী, স্রোত ও পাহাড়ি এলাকার প্রভাবিত অংশে পর্যাপ্ত ত্রাণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষদের নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর ও খাদ্য সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রম, রাস্তা মেরামত, বাড়ি পুনর্নির্মাণ এবং প্রশাসনিক নজরদারির মাধ্যমে রাজ্য সরকার এবং প্রশাসন মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরজমিন পরিদর্শন সেই প্রচেষ্টাকে আরও দৃঢ় করেছে।

উত্তরবঙ্গের এই বন্যা পরিস্থিতি সামলাতে প্রশাসন, সেনা এবং ত্রাণকর্মীরা একযোগে কাজ করছে। স্থানীয় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি রাজ্য সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনের দায়িত্ব নিচ্ছে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: ওপিনিয়ন পোল অনুযায়ী এনডিএ-র শক্তিশালী অবস্থান

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: ওপিনিয়ন পোল অনুযায়ী এনডিএ-র শক্তিশালী অবস্থান

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫: ওপিনিয়ন পোল অনুযায়ী এনডিএ-র শক্তিশালী অবস্থান

বিহার নির্বাচন ২০২৫
ছবি: বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫-এর জন্য প্রকাশিত ওপিনিয়ন পোলের চিত্র।
সংক্ষেপ: বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫-এর চারটি সম্প্রতি প্রকাশিত ওপিনিয়ন পোল এনডিএকে ৪০-৫২% ভোট শেয়ার এবং ১৩০-১৫৮টি আসন পেতে পারে বলে দেখিয়েছে। নীতীশ কুমারের শাসনের প্রতি জনসন্তুষ্টি ৭৬%।

বিহার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৫-এর প্রস্তুতি জোরদার হচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত চারটি ওপিনিয়ন পোলের তথ্য অনুযায়ী, নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে এনডিএ বিহারে শক্তিশালী অবস্থান করছে। এই ওপিনিয়ন পোলগুলির মধ্যে ম্যাট্রিক্স, জেভিসি, স্পিক মিডিয়া নেটওয়ার্ক এবং ভোট ভাইব-এর পোল অন্তর্ভুক্ত।

পোলগুলির ফলাফলের অনুযায়ী, এনডিএ ৪০-৫২% ভোট শেয়ার পেতে পারে এবং ১৩০-১৫৮টি আসন দখল করতে পারে। এটি ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পারফরম্যান্সের তুলনায় অনেক ভালো। বিশেষ করে ২০১০ সালের নির্বাচনে এনডিএ ৩৯% ভোট শেয়ার নিয়ে ২০৬টি আসন জিতেছিল। তাই এবারের অনুমান রাজনৈতিক মহলে বড় প্রভাব ফেলছে।

পোল অনুযায়ী, এনডিএ-র জোটের মধ্যে রয়েছে জনতা দল (ইউনাইটেড) বা জেডিইউ, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি), লোক জনশক্তি পার্টি এবং হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (সেক্যুলার)। নীতীশ কুমারের শাসনের প্রতি জনসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ৭৬% মানুষ। এর মধ্যে ৪০% মানুষ “খুব সন্তুষ্ট” এবং ৩৬% “সন্তুষ্ট” বলেছেন।

এই ওপিনিয়ন পোল অনুযায়ী, যদি আজ নির্বাচন হয়, তাহলে ৫২% মানুষ এনডিএকে ভোট দিতে পারে। এছাড়া ৩৫% মানুষ বিজেপিকে এবং ১৮% মানুষ জেডিইউকে ভালো শাসনদাতা হিসেবে বেছে নিয়েছে। নীতীশ কুমার এখনও মুখ্যমন্ত্রী পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন, ৪২% মানুষ চাইছেন তিনি আবার মুখ্যমন্ত্রী হোন।

পোলগুলি এনডিএকে ৪১-৪৫% ভোট শেয়ার এবং ১৩১-১৫০টি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা দেখিয়েছে। আর জাতীয় জনতা দল (আরজেডি) নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধন ৪০% ভোট এবং ৮১-১০৩টি আসন পেতে পারে। জন সুরজ ১০-১১% ভোট শেয়ার এবং ৪-৬টি আসন পেতে পারে।

ভোটারদের মতামত অনুযায়ী, নীতীশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী পদে ২৭% ভোট পেয়ে সবচেয়ে এগিয়ে, তেজস্বী যাদব ২৫% ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে। এটি প্রমাণ করে বিহারে ভোটাররা দুই যুগের অভিজ্ঞ নেতার মধ্যে বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

পোল অনুযায়ী, নীতীশ কুমারের শাসনের প্রতি জনগণের সন্তুষ্টি এখনও উচ্চ; ৭৬% মানুষ তার কাজের প্রশংসা করছে। যা এনডিএ-কে নির্বাচনী লড়াইয়ে শক্তিশালী অবস্থানে রাখছে।

চারটি ওপিনিয়ন পোল মোটামুটি একমত যে, নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে এনডিএ বিহারে ক্ষমতা শক্তিশালী করেছে। মহাগঠবন্ধন ও অন্যান্য দল কড়া চ্যালেঞ্জ দিচ্ছে, তবে বর্তমানে এনডিএর অবস্থান বেশ শক্ত। পোলের ফলাফলের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে, রাজনৈতিক সমীকরণ এখনও অনেকাংশে এনডিএর অনুকূলে।

ভোট শেয়ার ও আসন অনুমান প্রকাশ করেছে যে, এনডিএ বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিহারে সবচেয়ে বড় শক্তি। জনসাধারণের ভোটার মনোভাব ও সন্তুষ্টি সূচক অনুযায়ী, এনডিএ এবার ২০১০ সালের ঐতিহাসিক জয় পুনরাবৃত্তি করতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

উত্তরবঙ্গের বন্যা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ও হোমগার্ড চাকরির ঘোষণা

উত্তরবঙ্গের বন্যা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ও হোমগার্ড চাকরির ঘোষণা

উত্তরবঙ্গের বন্যা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা ও হোমগার্ড চাকরির ঘোষণা

উত্তরবঙ্গ বন্যা পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ছবি: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্যোগ কবলিত এলাকায় পৌঁছেছেন এবং নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছেন।
সংক্ষেপ: টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গে পৌঁছে দুর্যোগ পরিদর্শন করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য এবং পরিবারের একজনকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, দুর্যোগ পরিস্থিতি ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি ও সমতলভূমি এলাকা টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত। শনিবার রাতের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভুটান থেকে নেমে আসা জল, পাহাড়ি ঢল ও নদীর জলস্রোতের কারণে নাগরাকাটা ও ধূপগুড়ি এলাকা তলিয়ে গেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগে অন্তত ২৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। সোমবার সকালে এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দমদম বিমানবন্দর থেকে রওনা দেওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, “মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ কখনই যথেষ্ট হয় না। তবে বেঁচে থাকা পরিবারের জন্য আমরা পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করব। পরিবারের একজনকে হোমগার্ডের চাকরিও দেওয়া হবে।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের জানান, “উত্তরবঙ্গে পৌঁছে নাগরাকাটা ও হাসিমারার প্রান্ত পর্যন্ত যাব। যতদূর সম্ভব দুর্গত এলাকায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করব। কতটা জল সামলাব? বিহার, উত্তরপ্রদেশ থেকে জল আসছে। গঙ্গা টইটম্বুর। ডিভিসি ইচ্ছেমতো জল ছেড়ে চলেছে। মাইথন, ডিভিসন, পাঞ্চেতের জন্য জলযন্ত্রণা ভোগ করছি। কলকাতার কী অবস্থা হয়েছিল তা আমরা জানি। ভুটান ও সিকিমের জল নাগরাকাটা ও ধূপগুড়িতে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।”

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আটকে পড়া পর্যটক ও স্থানীয়দের জন্য রাজ্য সরকার সমস্ত হোটেলকে নির্দেশ দিয়েছে যাতে কোনওরকম অতিরিক্ত খরচ না নেওয়া হয়। সরকার পর্যটকদের এবং স্থানীয়দের ঘরে ফেরানোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।

শুক্রবার ও শনিবার রাতে লাগাতার বৃষ্টির ফলে নদী ও খাল উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তলিয়ে গেছে বহু এলাকা। জনগণ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। পাহাড়ি ও নিম্নাঞ্চলে মৃতদের সংখ্যা বেড়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায় অনেককে উদ্ধার করা গেছে, তবে অনেক মানুষ এখনও বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছেন।

উদ্ধারকাজে নিয়োজিত দমকল, সেনা ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরা বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে রাতভর কাজ করছেন। খাদ্য, পানি এবং মেডিকেল সাপোর্ট পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। স্থানীয় স্কুল ও কলেজে জরুরি শেল্টার ক্যাম্প খোলা হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: “উত্তরবঙ্গের মানুষদের সাহায্য করাই আমাদের প্রধান কর্তব্য। দুর্ঘটনা ও বন্যার কারণে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পাশে থাকতে হবে। সরকারের সম্পূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে।”

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য ছাড়াও হোমগার্ডের চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে পরিবার নিজের জীবিকা বজায় রাখতে পারে। এই পদক্ষেপকে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

সংবাদ অনুযায়ী, নাগরাকাটা ও ধূপগুড়ি এলাকার বাসিন্দাদের জন্য দ্রুত ত্রাণ বিতরণ, খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আহত ও দুর্গতরা স্থানীয় হাসপাতাল ও নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের তদারকিতে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে।

দুর্গত এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের ফলে ত্রাণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে এবং স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। নদীর বাঁধ, খাল ও নদীস্রোতের ওপর নজর রাখা হবে। প্রশাসনের পাশাপাশি রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পর্যবেক্ষণ চালাবে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে ত্রাণ কার্যক্রমকে রাজনৈতিক রঙ দেওয়া উচিত নয়। দুর্যোগ কবলিত এলাকায় তৎপর থাকা স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের সহায়তা জরুরি। বন্যায় আক্রান্তদের পুনর্বাসন এবং মৃতদের পরিবারের সহায়তা দ্রুত নিশ্চিত করা আবশ্যক।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নদীভাঙন ও পাহাড়ি ঢলে রাস্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে উদ্ধারকারীরা উক্ত এলাকায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছেন। স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি সাহায্যকর্মীরা মিলে খাদ্য, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য জরুরি সামগ্রী বিতরণ করছেন।

পরিস্থিতি মনিটর করার জন্য রাজ্য সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তর এবং জেলা প্রশাসন ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোট: প্রতিবেদনটি কপি রাইট মুক্ত; প্রকাশের আগে স্থানীয় প্রশাসনিক সূত্র ও হাসপাতালের তথ্য যাচাই করা সুরক্ষিত।
#NorthBengalFlood #MamataBanerjee #Nagarakata #Dhupguri #DisasterRelief

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

দুর্যোগ পরিদর্শনে হামলা: রক্তাক্ত বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শংকর ঘোষ হাসপাতালে

দুর্যোগ পরিদর্শনে হামলা: রক্তাক্ত বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শংকর ঘোষ হাসপাতালে

দুর্যোগ পরিদর্শনে গিয়ে রক্তাক্ত বিজেপি সাংসদ ও বিধায়ক — ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় ফেসবুক লাইভে ভয়াবহ সূচনা

নাগরাকাটা দুর্যোগ পরিদর্শন ও হামলার চিত্র (ফাইল ছবি)
ছবি: ঘটনাস্থল — দুর্গত এলাকা পরিদর্শনের সময় হামলার শিকার বিজেপি নেতা-নেত্রীদের গাড়ি ও আহত অবস্থার ভিডিও থেকে নেওয়া ফ্রেম।
সংক্ষিপ্ত: মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু এবং শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শংকর ঘোষ দুর্যোগ কবলিত নাগরাকাটা পরিদর্শনে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় শংকর ঘোষের ফেসবুক লাইভে হামলার বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়; তিনি দাবি করেন, কিছু লোক ‘দিদি দিদি’ বলে এগিয়ে এসে প্রথমে গালাগালি করেছিলেন এবং পরে পিঠে ও মাথায় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে মারধর চালান। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার সকালে নাগরাকাটা, বামনডাঙা ও নেউটিয়া অঞ্চলে ত্রাণ ও দুর্যোগ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন মালদহ উত্তরের সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদীপথ ও বিস্তীর্ণ প্লাবিত এলাকা সরেজমিন যাচাই করতে গেলে হঠাৎই কিছু প্রতিহিংসাপরায়ণ ব্যক্তি তাঁদের লক্ষ্য করে হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে ইট, লাঠি ও জুতো নিক্ষেপ করা হয়; সেই আঘাতে খগেন মুর্মু ও শংকর ঘোষ দু’জনেই রক্তাক্ত হন। কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে দ্রুতই তাঁদের শহরের একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হামলার সময় গৃহীত একটি ফেসবুক লাইভ ভিডিওতে শংকর ঘোষ নিজের কণ্ঠে বিশদ বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, “আমরা ত্রাণ পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম; এক পর্যায়ে কিছু মানুষ ‘দিদি দিদি’ বলে এসে আমাদের ওপর চড়াও হয়। শুরুতে গালাগালি—পরে ইট ছোঁড়া শুরু হয়। আমার গাড়ির কাচ ভেঙে যায়, সারাটা শরীর কাচে ভর্তি; খগেনদার মাথায় রক্ত পড়ছে। মূলত নিরস্ত মানুষদের সাহায্যে গিয়েছিলাম—কেন এই আচরণ, সেটাই আমাদের বুঝে ওঠা যাচ্ছে না।” তাঁর ভাষায়, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তিনি গাড়ির সিটের তলায় শুয়ে না পড়লে হতে পারত মারাত্মক আঘাত।

স্থানীয় হাসপাতালের সূত্রে জানা যায়, খগেন মুর্মুকে প্রাথমিকভাবে স্ট্যাপলিং ও ব্যান্ডেজ সহ জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শংকর ঘোষের শরীরেও প্রচুর কেটে-আঘাত ও কাচের আঘাত লক্ষ করা গেছে; তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সরকারি শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও ঘটনার প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করা হয়নি; তবে বিজেপি দাবি করেছে যে আক্রমণের সঙ্গে তৃণমূলের কোনো লোক সম্পৃক্ত থাকতে পারে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ এলাকায় তদন্ত শুরু করেছে।

হামলার পর মহল্লার বেশ কয়েকটি বাড়িতেই ভাঙচুরের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পরিস্থিতি শান্ত না হওয়ায় স্থানীয়রা ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দুর্গত এলাকায় বন্যার প্রভাব এখনও রয়ে গেছে—রাস্তা, ঘরবাড়ি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় ক্ষতিগ্রস্ত। ত্রাণ বিতরণ করতে গিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা তীব্র উদ্বেগ তৈরি করেছে—বিশেষত যেখানে সাহায্যার্থীদের নিরাপত্তা বজায় রাখা জরুরি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দুর্যোগপরবর্তী উত্তেজনা ও পাল্টা রাজনৈতিক অভিযোগ কখনো কখনো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

স্থানীয় বিএনপি/ত্রাণকর্মী ও সাধারণ মানুষ একদিকে বলছেন—এমন পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবদ্ধ সহযোদ্ধা থাকা দরকার এবং ত্রাণ কার্যক্রমকে রাজনৈতিক রং দেয়া উচিত নয়। অপরদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থকরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে ঘটনার তদন্ত চলছে, বোমা-স্কোয়াড বা অতিরিক্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী পাঠানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে যদি পরিস্থিতি অশান্ত হয়।

শংকর ঘোষ (ফেসবুক লাইভে): “আমি জানি না কেন তারা আমাদের উপর এতটা আক্রোশ দেখিয়েছে। আমরা সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলাম—কেউ কি সাহায্য নিতে পছন্দ করেনি? তাদের প্রশ্ন ছিল—'কেন এসেছ'—অন্যায়ভাবে এগিয়ে এসে তারা মারধর শুরু করে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুর্যোগের সময় ভুল তথ্য, বিশৃঙ্খলা এবং স্থানীয় আবেগের উত্তেজনা সহিংসতা বাড়াতে পারে। দ্রুত, স্বচ্ছ ও সংবেদনশীলভাবে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো যাতে থাকে—এগুলো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি। এছাড়া, ঘটনার সত্যতা ও দোষীদের চিহ্নিত করতে কড়া তদন্তভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান করা হয়েছে।

ঘটনা সম্পর্কে রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া মাত্রি আমরা আপডেট করে দেব। এখনও পর্যন্ত পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার পাশাপাশি আক্রান্ত এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে। রাজনৈতিক দলের স্তরে বিবৃতি প্রত্যাশিত; ঘটনার ব্যাখ্যা ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি উত্থাপিত হয়েছে।

পরিস্থিতি শান্ত হলে ঘূর্ণিঝড়-প্রভাবিত ও প্লাবিত এলাকার মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে দ্রুত পদক্ষেপ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। সহায়ক সংস্থাগুলো এবং প্রশাসনের তদ্বিরেই মূল লক্ষ্য হওয়া দরকার যাতে পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দ্রুত এগোতে পারে এবং রাজনৈতিক সংঘাতের কারণে মানুষের ক্ষতিটি আরও বেড়ে না যায়।

নোট: রিপোর্ট কপি রাইট মুক্ত—প্রকাশের পূর্বে স্থানীয় হাসপাতাল বা প্রশাসনিক সূত্র থেকে তারিখ-সময় ও আহতদের নির্দিষ্ট বিবরণ যাচাই করে নেওয়া সুরক্ষিত।
#KhagenMurmu #ShankarGhosh #Nagarakata #FloodRelief #WestBengal

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

Featured post

Y বাংলা নিউজ ডেস্ক: অল্লু অর্জুনের সুপারহিট ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘পুষ্পা’ ফের নতুন চমক আনতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, ‘পুষ্পা ৩’ ছবিতে খলচর...

Search This Blog