দিল্লি-ম্যানিপুর কুকি সংঘর্ষবিরতি চুক্তি নিয়ে নতুন বিবৃতি
আপডেট: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
দিল্লিতে কুকি জঙ্গিদের দুটি যৌথ মঞ্চের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি নবীকরণের পরে কেন্দ্র সরকার এক বিবৃতিতে বলেছিল, কুকিরা আলোচনার মাধ্যমে শান্তি স্থাপন এবং জাতীয় সড়ক অবরোধমুক্ত করতে রাজি হয়েছে। তবে সোমবার এই দাবিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কুকি-জো যৌথ মঞ্চ তাদের পক্ষ থেকে জানিয়েছে, এই চুক্তি নিয়ে ভ্রান্ত দাবি এবং ভুল ব্যাখ্যা ছড়ানো হচ্ছে।
জাতীয় সড়ক খুলে দেওয়ার দাবি ভিত্তিহীন
কুকি-জো কাউন্সিল জানিয়েছে, তারা ২ নম্বর জাতীয় সড়কে অবাধভাবে গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেয়নি। তারা শুধু যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাংপোকপির জনগণকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে বলেছে। এটি কোনও চুক্তির আওতায় সড়ক খুলে দেওয়ার নির্দেশ নয়। ফলে কেন্দ্রের দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সংঘাতের মীমাংসা হয়নি
কুকি-জো কাউন্সিল স্পষ্ট জানিয়েছে, মেইতেই ও কুকি-জো সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাতের কোনও স্থায়ী মীমাংসা বা চুক্তি হয়নি। উভয় পক্ষের কারোরই কোনও অবস্থায় বাফার জোন অতিক্রম করা উচিত নয়। এটি শান্তি রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্থিতাবস্থার লঙ্ঘন হলে গুরুতর পরিণতি হতে পারে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে সতর্ক করেছে তারা।
রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র
কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সংঘর্ষবিরতি নিয়ে যে দাবি করা হয়েছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মণিপুরের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। একটি ভুল ব্যাখ্যা বা অতিরঞ্জিত দাবি শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা তৈরির কাজ এখনও শেষ হয়নি।
স্থানীয় মানুষের প্রতিক্রিয়া
কাংপোকপির সাধারণ মানুষ এই বিবৃতি নিয়ে বিভ্রান্ত। একাংশ বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সহযোগিতা করতে বলা হলেও, দীর্ঘদিন ধরে চলা সংঘাতের কারণে তাদের মধ্যে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, ভুল তথ্যের ফলে নতুন করে সংঘাতের সূত্রপাত হতে পারে।
আলোচনার ভবিষ্যৎ
বিশ্লেষকদের মতে, শান্তি প্রতিষ্ঠায় শুধুমাত্র নিরাপত্তার সহায়তা যথেষ্ট নয়। দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশ্বাস, রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের উদ্যোগ জরুরি। মণিপুরে বর্তমানে মানবিক সংকট গভীর। এই প্রেক্ষাপটে ভুল ব্যাখ্যা বা অর্ধসত্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে।
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, নিরাপত্তার নামে অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে আলোচনায় বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। অন্যথায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে।
📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে








0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন