Sample Video Widget

Seo Services

Thursday, 11 September 2025

৩২০০০ চাকরি বাতিল মামলায় বাড়তি ৫ নম্বরের সওয়াল, প্রশিক্ষিত বনাম অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকদের নিয়োগে নতুন টানাপোড়েন

৩২০০০ চাকরি বাতিল মামলায় বাড়তি ৫ নম্বরের সওয়াল, প্রশিক্ষিত বনাম অপ্রশিক্ষিত শিক্ষকদের নিয়োগে নতুন টানাপোড়েন আপডেট: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রতিবেদন: কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিতর্ক আবারও নতুন মোড় নিল। ২০২৩ সালে দুর্নীতির অভিযোগে অপ্রশিক্ষিতদের চাকরি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ে ৪২ হাজার নিয়োগের মধ্যে ৩২ হাজার চাকরি বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলাকারীরা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে নতুন দাবি তুলেছেন—অ্যাপটিটিউড টেস্টের জন্য অপ্রশিক্ষিতদের বাড়তি ৫ নম্বর দেওয়া হোক অথবা সবার এই নম্বর শূন্য করে দেওয়া হোক। এতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই পরীক্ষায় ১৫ নম্বর বেশি পেয়েছেন, ফলে অপ্রশিক্ষিতদের অতিরিক্ত সুযোগ না দিলে তারা চাকরির যোগ্যতা হারাবেন। মামলার পটভূমি ২০২৩ সালে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরীক্ষার নিয়ম ভেঙে অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই নিয়োগের বৈধতা নিয়ে মামলা হয়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে তদন্তের পর ৩২ হাজার চাকরি বাতিল করা হয়। আদালতের মতে, নিয়ম লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া শিক্ষকদের চাকরি রাখা যায় না। মামলাকারীদের নতুন দাবি ডিভিশন বেঞ্চে মামলাকারীদের আইনজীবীরা যুক্তি দেন— ✔ অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীরা অ্যাপটিটিউড টেস্টে সুযোগ পাননি। ✔ প্রশিক্ষিত প্রার্থীরা পরীক্ষায় অতিরিক্ত নম্বর পেয়েছেন। ✔ এই পরিস্থিতিতে অপ্রশিক্ষিতদের জন্য অন্তত ৫ নম্বর যোগ করা হোক, অথবা সকলের জন্য এই অংশ শূন্য করে দেওয়া হোক। ✔ এতে অনেক কম সংখ্যক প্রার্থী চাকরি হারাবেন এবং বাস্তবিক সমাধান আসবে। মামলাকারীরা আদালতে বলেন, “শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা দরকার, তবে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিও জরুরি। নিয়ম ভাঙার দায় নির্ধারণ করলেও সব অপ্রশিক্ষিত প্রার্থীর জীবন নষ্ট করা উচিত নয়।” আদালতের পরবর্তী শুনানি ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি স্থির করেছে ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে। সেখানে আদালত মামলার আইনি ও মানবিক দিক বিচার করবে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের সিদ্ধান্ত শিক্ষাঙ্গনের ভবিষ্যৎ নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। শিক্ষাঙ্গনের প্রতিক্রিয়া এই মামলার আলোচনায় শিক্ষক সমাজের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ✔ কেউ বলছেন, দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। ✔ আবার অনেকে মানবিক কারণ তুলে ধরে অপ্রশিক্ষিতদের জন্য নম্বর বাড়ানোর দাবিকে সমর্থন করছেন। ✔ শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ন্যায্যতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক প্রভাব রাজ্য রাজনীতিতে এই মামলা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। শাসক দল দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও বিরোধীরা মানবিক কারণ তুলে ধরছে। শিক্ষক নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রশাসনিক সংস্কারের দাবি উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মত শিক্ষাবিদরা বলছেন, “পরীক্ষায় যোগ্যতা নির্ধারণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে দুর্নীতির কারণে শিক্ষকদের জীবনের উপর প্রভাব পড়লে তা গভীর সামাজিক সংকটে পরিণত হতে পারে। আদালতের উচিত মানবিক দিকও বিবেচনা করা।” আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলার চূড়ান্ত রায় শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ আইনকেও প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষত পরীক্ষার নম্বর নির্ধারণ, প্রশিক্ষণ ও যোগ্যতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নতুন দিশা তৈরি হতে পারে।

📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন

📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর 👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।

👍 ফলো করুন Facebook 💬 Join করুন WhatsApp গ্রুপে

0 comments:

Post a Comment

আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Featured post

Y বাংলা ব্যুরো: ভোটার তালিকা সংশোধনে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডে না নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR, ২০২৬) প্রক্রিয়ায় ম...

Search This Blog