হিলিতে অনুপ্রবেশ: বিএসএফের হাতে ধৃত ২ বাংলাদেশি নাগরিক
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
হিলি সীমান্তে তল্লাশি চালাচ্ছে বিএসএফ। অনুপ্রবেশের অভিযোগে দুই বাংলাদেশি নাগরিক আটক।
📢 সবার আগে নিউজ আপডেট পেতে আমাদের ফলো করুন
📰 রাজনীতি | ⚽ খেলা | 🎬 বিনোদন | 🌍 আন্তর্জাতিক খবর
👉 সবকিছু এক ক্লিকেই পান আপনার হাতে।
ঘটনার বিবরণ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হিলি সীমান্তে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক করেছে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী বিএসএফ। ধৃত দুই ব্যক্তির নাম মহম্মদ মিঠু (৩২) এবং সবুজ আলি মোল্লা (২২)। তাঁদের বাড়ি বাংলাদেশের হাকিমপুর থানার ফকিরপাড়া গ্রামে। বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা মদ কিনতে ভারতে এসেছিলেন এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সীমান্ত পার হন।
তল্লাশি ও গ্রেফতার
হিলি সীমান্তের নির্ধারিত চৌকি এলাকায় রুটিন তল্লাশির সময় সন্দেহজনকভাবে প্রবেশ করতে দেখা যায় দুই ব্যক্তিকে। তাঁদের নথিপত্র যাচাই করলে বৈধ পরিচয়পত্র কিংবা সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতি পাওয়া যায়নি। এরপর তাঁদের আটক করে বিএসএফ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারী আধিকারিকরা জানিয়েছেন, তাঁরা স্বীকার করেছেন যে সীমান্তের ওপার থেকে মদ কেনার জন্য ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিলেন।
আইনি প্রক্রিয়া
বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের ভারতীয় আইন অনুযায়ী অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক রাখা হয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা আইন ও অভিবাসন সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করা হবে। তাঁদের পাসপোর্ট বা ভিসার কোনও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় গ্রেফতারি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, মদ কেনার জন্য সীমান্ত পেরোনোর ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
এই ধরনের অনুপ্রবেশ সীমান্তে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ তৈরি করছে। বিএসএফের এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্ত এলাকা সংবেদনশীল হওয়ায় প্রতিটি অনুপ্রবেশের ঘটনা বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। অবৈধভাবে প্রবেশ করে পাচার, অবৈধ বাণিজ্য বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর আশঙ্কা থাকায় সতর্কতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং সীমান্ত বাহিনীর যৌথ তল্লাশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় মদ, গাঁজা এবং অন্যান্য পণ্য পাচারের ঘটনা আগেও ঘটেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোর দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে সীমান্তে কাজ করা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসাও করেছেন তাঁরা।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের প্রেক্ষাপট
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় বাণিজ্যিক ও সামাজিক যোগাযোগ বহুদিনের। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং পাচারের মতো ঘটনাগুলি দু’দেশের সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এমন ঘটনাগুলি নিয়ন্ত্রণে আনতে সচেষ্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্তে বৈধ বাণিজ্য বৃদ্ধির পাশাপাশি সচেতনতা এবং কঠোর নজরদারি জরুরি।
পরবর্তী পদক্ষেপ
বিএসএফ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে সচেতনতা বাড়ানো, নজরদারি জোরদার করা এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে দুই দেশের প্রশাসনের সহযোগিতা অপরিহার্য বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আমরা এই ঘটনার আপডেট নিয়ে নজর রাখছি। দ্রুত আরও খবর পেতে আমাদের সঙ্গে থাকুন।









0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন