
🟠 বিজেপির পাল্টা আঘাত: জম্মু-কাশ্মীরে ‘অবসরপ্রাপ্ত জঙ্গি’ নেতাদের তালিকা প্রকাশ করল আপ
আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | জম্মু ও কাশ্মীর
সম্প্রতি জননিরাপত্তা আইনে আটক হয়েছেন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডার আপ বিধায়ক মেহরাজ মালিক। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৬ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে নিহত হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গি বুরহান ওয়ানিকে মহিমান্বিত করেছেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হতে থাকায় এবার পাল্টা আঘাত হানল আম আদমি পার্টি (আপ)।
শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরের বিজেপির নেতা-কর্মীদের জঙ্গি যোগের একটি তালিকা প্রকাশ করেন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিংহ। তিনি দাবি করেন, রাজ্য বিজেপির কয়েকজন জেলা সভাপতিসহ বেশ কিছু নেতা জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তাঁদের ‘অবসরপ্রাপ্ত জঙ্গি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তালিকায় থাকা এক বিজেপি নেতার ছবিও দেখান তিনি, যাঁর লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে যোগসূত্র ছিল বলে অভিযোগ।
সঞ্জয় সিংহ বলেন,
> “জননিরাপত্তা আইন ব্যবহার করে আমাদের নেতাদের টার্গেট করা হচ্ছে। অথচ যারা জঙ্গিদের সঙ্গে যুক্ত তাদের জন্য বিজেপি নীরব। আমরা জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে এই তালিকা প্রকাশ করছি।”
তিনি আরও জানান, ২০২২ সালের জুলাই মাসে জম্মুতে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার আইটি সেলের প্রধান তালিব হুসেন শাহের সঙ্গে লস্কর-ই-তইবার যোগসূত্র পাওয়া যায়। রিয়াসির গ্রামবাসীরা তাঁকে এক সহযোগীসহ হাতে-নাতে ধরে ফেলেন। তাঁদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তালিব হুসেন শাহ সন্ত্রাস-সম্পর্কিত একাধিক ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বহুদিন ধরেই নজরদারির মধ্যে ছিলেন।
আপের এই তালিকা প্রকাশের পর রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। দলটির মুখপাত্ররা জানিয়েছেন, এটি কেবল নির্বাচনী রাজনীতি করার জন্য করা হচ্ছে। তবে জম্মু ও কাশ্মীরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
✅ ঘটনাপ্রবাহের মূল দিক
✔ মেহরাজ মালিক জননিরাপত্তা আইনে আটক।
✔ তাঁকে বুরহান ওয়ানিকে মহিমান্বিত করার অভিযোগ।
✔ পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বিজেপির নেতা-কর্মীদের জঙ্গি যোগের তালিকা প্রকাশ।
✔ রাজ্য বিজেপির জেলা সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন নেতার নাম।
✔ লস্কর-ই-তইবার সঙ্গে সংযোগের অভিযোগ।
✔ ২০২২ সালে তালিব হুসেন শাহ গ্রেফতার, বিপুল অস্ত্র উদ্ধার।
✔ নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ।
✅ বিশেষজ্ঞদের মতামত
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তা ইস্যুকে কেন্দ্র করে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যে পারস্পরিক আক্রমণ বাড়ছে। এটি জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি, নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আস্থা বজায় রাখা এবং তদন্তের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন তাঁরা।
মানবাধিকার কর্মীরা জানাচ্ছেন, নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে রাজনীতির বাইরে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতির উপর গুরুত্ব দিতে হবে। সত্যতা যাচাই না করেই অভিযোগ তুলে ধরলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াতে পারে।
✅ শেষ কথা
জম্মু ও কাশ্মীরে নিরাপত্তা নিয়ে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে। একদিকে জননিরাপত্তা আইনে নেতাদের আটক, অন্যদিকে পাল্টা আঘাতে জঙ্গি যোগের অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক দোলাচল তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা এবং স্বচ্ছ তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কপি রাইট মুক্ত করে, ১০০০+ শব্দে Y বাংলা ডিজিটাল ব্যুরো: রিপোর্ট করে দেন । নিম্ন লিখিত সুবিধা গুলি দেবেন
SEO-বান্ধব Meta Title, Description, Keywords
Open Graph ট্যাগ (Facebook, WhatsApp, Telegram ইত্যাদির জন্য)
ছবি যুক্ত, ক্যাপশনসহ
আপডেট তারিখ উল্লেখ ,সোশ্যাল শেয়ার বোতাম,
সংবাদকে পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করার জন্য টুকরো টুকরো অংশ ।সেই সাথে
জুড়ে দেবেন ।
0 comments:
Post a Comment
আপনার মতামত এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ 👇
👉 যদি মনে হয় বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, পোস্টটি শেয়ার করুন 🔄নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন